শিরোনাম
◈ কোনো দেশের মুখাপেক্ষী নয়, সমমর্যাদার অংশীদার হতে চায় বাংলাদেশ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ◈ দিল্লিতে সিজেপি নেতাদের আটক, আগেই আন্দোলনের পরবর্তী নেতৃত্ব ঠিক করে রেখেছিলেন প্রতিষ্ঠাতা ◈ মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় যৌথ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের হিরা ◈ শেখ হাসিনার সঙ্গে মাঝেমধ্যে কথা হয়, তিনি দেশে ফিরতে চান: জি এম কাদের (ভিডিও) ◈ মানববর্জ্য ও কৃষিজ বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন, গবেষকদের পাশে থাকার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ◈ ‘ভোট চুরির প্রমাণ চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি, আমাদের কাছে তা আছে’: রাহুল গান্ধী ◈ খুলনার চার থানায় বিশেষ অভিযান, পুলিশ সদস্যদের একা চলাচলে নিষেধাজ্ঞা ◈ দিল্লিতে ধর্না থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক, কারণ জানাল পুলিশ ◈ ২০২৭ সালের হজ মিশন ভিসা পেতে ২৭০ এজেন্সিকে জরুরি নির্দেশ, তথ্য জমার শেষ সময় রোববার ◈ চুরির অপরাধে বাতিল হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি

প্রকাশিত : ২১ নভেম্বর, ২০২১, ১০:২০ দুপুর
আপডেট : ২১ নভেম্বর, ২০২১, ১০:২০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পুলিশ ডেকে ঘুম ভাঙাতে হলো গৃহকর্তার

সাদেক আলী: পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার চুঁচুড়ায় এক ব্যক্তির ঘুম ভাঙাতে রীতিমতো পুলিশ ডাকতে হয়েছে। ৪২ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির স্ত্রী একটি বিয়ের দাওয়াতে বাবার বাড়ি যাওয়ায় এই ঘটনা ঘটে। এতে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।

ভারতীয় গণমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের খবরে বলা হয়েছে, চুঁচুড়ার বড়বাজারের এক আবাসিক এলাকার তিন তলার ফ্ল্যাটে সৌমেন নিয়োগী তার স্ত্রীকে নিয়ে থাকেন। তিনি রেলের শিয়ালদহ শাখায় কর্মরত। শুক্রবার সৌমেনের স্ত্রী বর্ধমানের বাপের বাড়িতে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েছেন। শনিবার সকালে স্বামীর সঙ্গে ফোনে কথাও হয় তার। এরপর বেলা বাড়লে বেশ কয়েকবার ফোন করে স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে আবাসিকের এক বাসিন্দা মনোজিৎ দত্তকে ফোন করে তিনি স্বামীকে ডেকে দিতে বলেন।

মনোজিৎ এসে বহুবার কলিংবেল বাজিয়ে ডাকাডাকি করেও সাড়াশব্দ পাননি। এসময় আবাসনের অন্যান্য বাসিন্দারাও রীতিমতো জোরে জোরে দরজায় ধাক্কা দিয়ে চিৎকার করে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে রীতিমতো চিন্তিত হয়ে পড়েন।

এছাড়া শনিবার সকাল থেকে কেউই সৌমেনকে বাইরে বের হতেও দেখেননি। প্রায় ঘণ্টা দু’য়েক ধরে ডাকাডাকি, দরজা ধাক্কাধাক্কি চলে। শেষ পর্যন্ত মনোজিৎ দত্ত বিষয়টি সৌমেনের স্ত্রীকে জানান। তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। বাপের বাড়ি থেকে বিয়ের অনুষ্ঠান ফেলে রেখে চুঁচুড়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি।

এরপর মনোজিৎ দত্তই চুঁচুড়া থানায় খবর দেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছানোর পর মিস্ত্রি ডেকে আনা হয়। হাতুড়ি, ছেনি দিয়ে মিস্ত্রিরা কলাপসিবল গেটের তালা ভাঙেন। এরপর সেই ফ্লাটের দরজা ভাঙা শুরু হয়। টানটান উত্তেজনা ও সাসপেন্স নিয়ে তখন ফ্ল্যাটের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন ভবনের অন্য বাসিন্দারা। মনের ভিতর এক অজানা আশঙ্কাও কাজ করে চলেছে তাদের। তারপর দরজা ভাঙতেই সমস্ত যবনিকা পতন।

দরজা ভাঙার পর দেখা যায়, সৌমেন খালি গায়ে আড়মোড়া ভাঙতে ভাঙতে বেরিয়ে আসছেন। চোখের সামনে ভবনের অন্য বাসিন্দাদের তার ভাঙা দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে বিস্ময় নিয়ে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকেন তিনি। ঘড়িতে তখন দুপুর আড়াইটা কিন্তু সৌমেন সেটি টেরই পাননি। হঠাৎ সম্বিত ফিরে পেয়ে স্ত্রীকে ফোন করার কথা মনে হয় তার। সঙ্গে সঙ্গে মোবাইলে স্ত্রীকে ফোন করে বলেন যে, তিনি ১১টায় বের হবেন। কিন্তু তারপরই ঘড়ির কাঁটার দিকে তাকিয়ে চুপ করে যান সৌমেন। পরে নিজের কীর্তি জেনে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েন তিনি। জাগোনিউজ

  • সর্বশেষ