প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মঙ্গলবার থেকে স্কুল-কলেজ খুললো পশ্চিমবঙ্গ, স্বাগত জানানো হলো ফুল দিয়ে

মনিরুল ইসলাম: [২] দেড় বছরেরও বেশি সময় পরে আজ মঙ্গলবার সারা পশ্চিমবঙ্গে খুলল স্কুল। খুলছে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়-সহ সব উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

[৩] তবে বহু প্রশ্ন রেখেই চালু হচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। করোনার চোখরাঙানির মধ্যে ক’জন পড়ুয়া ক্লাসে হাজির হবে? যারা আসবে না, অনলাইনে তাদের পড়াশোনা চলবে কি? অতিমারির স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্লাস চালিয়ে যাওয়া যাবে তো? যে-সব স্কুলের মেরামতি শেষ হয়নি, সেখানে সেই কাজ কবে শেষ হবে? কবেই বা শুরু হবে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির পঠনপাঠন? পদে পদে এমনই সব প্রশ্নের নিয়েই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলছে বলে জানা গেছে।

[৪] আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে জানা যায়,পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর আশ্বাস, পড়ুয়াদের স্বাস্থ্য আগে, তাই স্কুলে হাজিরার ব্যাপারে জোরাজুরি করা হবে না। শিক্ষকদের একাংশের বক্তব্য, সংক্রমণের আশঙ্কায় বহু অভিভাবক ছেলেমেয়েদের স্কুলে না-ও পাঠাতে পারেন।

[৫] এই অবস্থায় স্কুল খোলা নিয়ে উৎসাহ যতটা, উৎকণ্ঠা তার থেকে কম কিছু নয়। সেই জন্যই অনলাইন-পাঠ চালিয়ে যাওয়াটা জরুরি বলে শিক্ষা শিবিরের একাংশের অভিমত। আবার কঠোর সত্য হল, রাজ্যের অধিকাংশ স্কুলে একসঙ্গে অফলাইন ও অনলাইন দুই পদ্ধতিতে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার পরিকাঠামোই নেই।

[৬] নিখিল বঙ্গ শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুকুমার পাইন বলেন, একই সঙ্গে অনলাইন ও অফলাইন চালানোর সুযোগ কিছু বেসরকারি স্কুল এবং শহরাঞ্চলের কিছু সরকারি স্কুলে থাকলেও বেশির ভাগ স্কুলেই নেই। সে-ক্ষেত্রে পঠনপাঠনে অগ্রগতির প্রশ্নে স্কুলে উপস্থিত পড়ুয়াদের সঙ্গে অনুপস্থিতদের ফারাক একটা থেকেই যাবে। যারা আসবে না, তাদের অনলাইন ক্লাস নিতে হবে— এমন কোনও নির্দেশিকাও শিক্ষা দফতর থেকে এখনও পর্যন্ত আসেনি।

[৭] রাজ্যের শিক্ষা দফতরের সাম্প্রতিক নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, স্কুলের গেটে তিন জনকে অবশ্যই মোতায়েন করতে হবে। পড়ুয়ারা মাস্ক পরে এসেছে কি না, জীবাণুনাশের কাজ ঠিকমতো হচ্ছে কি না, সেগুলো দেখার পাশাপাশি মাপতে হবে পড়ুয়াদের শরীরের তাপমাত্রা। সেই সঙ্গে এত দিন পরে ছেলেমেয়েরা স্কুলে ফিরছে। তাই তাদের পেন বা ফুল দিয়ে স্বাগত জানাতে হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত