শিরোনাম
◈ পোস্টাল ব্যালটে ভোটের জন্য দেশ ও প্রবাসী ১৫ লাখ ভোটারের নিবন্ধন ◈ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ◈ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে অচলাবস্থা, বাংলাদেশে আসছে আইসিসির প্রতিনিধি দল ◈ সেতু থেকে ১৬ মাসের সন্তানকে ফেলে দিয়ে থানায় মায়ের আত্মসমর্পণ ◈ কঠোর হুঁশিয়ারি ভারতের সেনাপ্রধানের, নিচ্ছে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি ◈ কুমিল্লা-৬ সংসদীয় আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার,দিলেন নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব ◈ বাংলাদেশের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের হাজারো পোস্টাল ব্যালট পেপার যুক্তরাষ্ট্রের গুদামে ◈ চূড়ান্ত হলো নবম পে স্কেলের গ্রেড সংখ্যা ◈ যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ভিসা স্থগিতে যেসব সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা ◈ জামায়াতসহ ১১ দলের ২৫৩ আসনে সমঝোতা, কোন দলের কত প্রার্থী

প্রকাশিত : ০৭ নভেম্বর, ২০২১, ১১:৫৮ দুপুর
আপডেট : ০৭ নভেম্বর, ২০২১, ১২:২৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভারতের দেরাসর গ্রামের প্রতিটি পুরুষের অন্তত দুজন করে স্ত্রী !

ডেস্ক রিপোর্ট: রাজস্থানের বাড়মের জেলার অন্তর্গত একটি ছোট্ট গ্রাম। বসবাস করেন ৬০০ জন। পাক-ভারত সীমান্তের এই ছোট্ট গ্রামটি সম্পর্কে সবার অজানার কথাই ছিল। কিন্তু অদ্ভুত এক রীতির জন্য সর্বজন পরিচিত এই গ্রামটি। সেখানে প্রতিটি পুরুষের অন্তত দুজন করে স্ত্রী! বিষয়টি শুনতে যতটা অদ্ভুত লাগছে তার চেয়েও কয়েকগুণ বেশি অদ্ভুত লাগবে এমন রীতির পিছনের কারণ জেনে। আনন্দবাজার

গ্রামের বাসিন্দাদের বিশ্বাস, প্রথম স্ত্রী থেকে কোনো স্বামীরই সন্তান হবে না। সন্তানের মুখ দেখতে গেলে নাকি দ্বিতীয় বিয়ে করতেই হবে। এ অদ্ভুত বিশ্বাস থেকেই দ্বিতীয় বিয়ে করেন গ্রামের পুরুষরা।

এমন রীতির সূত্রপাত অতীতের একটি ঘটনা থেকে। গ্রামের এক ব্যক্তির নাকি কিছুতেই সন্তান হয় না। পরে তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করতেই সন্তানলাভ করেন। এরপর যখনই এমন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতেন গ্রামের কোনো পুরুষ, তার দ্বিতীয় বিয়ে দেওয়া হতো। আর তাতেই নাকি মিলত ফল। এভাবে পুরুষের বহুবিবাহ গ্রামের রীতিতে পরিণত হয়।

আরও একটি কারণ রয়েছে এমন রীতির পেছনে। গ্রামে তীব্র জলসংকট। অন্তত পাঁচ কিলোমিটার হেঁটে পরিবারের নারীদের পানি আনতে হয় এ গ্রামে। অন্তঃসত্ত্বা হলে কোনো নারীর পক্ষেই হেঁটে পানি আনা সম্ভব নয়। সে কারণেও দ্বিতীয় বিয়ে করে থাকেন পুরুষরা।

সে ক্ষেত্রে প্রথমজনকে সেভাবে স্ত্রীর কোনো অধিকারই দেওয়া হয় না। তারা বরং বাড়ির পরিচারিকার মতো জীবন কাটিয়ে থাকেন। প্রথম স্ত্রীকে বলা হয় ‘জল স্ত্রী’।

সাধারণত প্রথম স্ত্রী সারা জীবনে সন্তানধারণের অধিকার পান না। স্বামীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনেরও অধিকার নেই তাদের। কোনো পুরুষ যদি এ রীতির বিরোধিতা করেন তাহলে তার বিরুদ্ধে পুরো গ্রাম একজোট হয়। এমনকি নিজের পরিবারও তাকে পরিত্যাগ করবে। গ্রাম থেকেই বিতাড়িত করা হয় তাকে।

দ্বিতীয় স্ত্রীও যদি সন্তানধারণ না করে থাকেন সে ক্ষেত্রে স্বামীকে আরও একটি বিয়ে করতে হয়। উপার্জনকারী স্বামীকে পরিবারের পুরো দায়িত্ব নিতে হয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়