প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আরিয়ানের মামলার তদন্ত থেকে সমীর ওয়াংখেড়ে প্রত্যাহার

বিনোদন ডেস্ক: আলোচিত আরিয়ান খানের মাদক মামলার তদন্ত থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে ভারতের নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর (এনসিবি) জোনাল ডিরেক্টর সমীর ওয়াংখেড়েকে। শুক্রবার (৫ নভেম্বর) দেশটির কেন্দ্রীয় মাদক নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রমোদতরীর মাদককাণ্ডে হওয়া মামলার তদন্তকারী দলের সঙ্গে থাকছেন না এনসিবির এই কর্মকর্তা। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ আনেন আরিয়ানের মামলার এক সাক্ষী প্রভাকর সেইল। পাশাপাশি মহারাষ্ট্রের সংখ্যালঘু উন্নয়ন মন্ত্রী নবাব মালিকও বারবার তাকে সরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছিলেন।

এরই মধ্যে চাঁদাবাজির অভিযোগে সমীর ওয়াংখেড়ের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত চালাচ্ছে এনসিবি। এর মধ্যে দিল্লির এনসিবির সদরদপ্তর থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, আরিয়ানসহ মোট পাঁচটি হাই প্রোফাইল মাদক মামলা এবার সেন্ট্রাল ইউনিট দেখভাল করবে।

এনসিবির ডেপুটি ডিরেক্টের জেনারেল মুথা অশোক জৈন জানান, প্রমোদতরীর মাদক পার্টিসহ মোট ছয়টি মামলা এনসিবির জোনাল (মুম্বাই) টিমের হাত থেকে সরিয়ে বিস্তারিত তদন্তের জন্য দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এখন থেকে সমীর ওয়াংখেড়ে এ মামলার তদন্ত দলে থাকছেন না। কিন্তু উনি এনসিবির মুম্বাই জোনাল টিমের ডিরেক্টর হিসেবে থাকবেন ও অন্য সব মামলা তার নজরদারির আওতায় থাকবে।

এনসিবির এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে ওয়াংখেড়ে গণমাধ্যমকে জানান, ‘আমাকে তদন্তকারী দল থেকে অপসারণ করা হয়নি। আমি আদালতকে রিট পিটিশনে জানিয়েছিলাম, যেনো তদন্তভার কেন্দ্রীয় টিমের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এখন থেকে আরিয়ান খান কেস ও সমীর খান কেস দিল্লির এনসিবির বিশেষ দলের দায়িত্বে থাকবে। এটা এনসিবির দিল্লি ও মুম্বাই টিমের মধ্যকার সমঝোতা।’

জানা গেছে, একটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে, যারা এই ছয় মামলার ট্রান্সফারের দায়িত্বে থাকবে। আগামী রোববার মুম্বাই আসবে সেই টিম। এনসিবি সূত্র বলছে এই পাঁচ মামলার সঙ্গে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রভাব জড়িয়ে রয়েছে এবং মামলাগুলোর সঙ্গে একাধিক রাজ্য জড়িত হওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গত সোমবার দিল্লির এনসিবি সদরদপ্তরে হাজির ছিলেন সমীর ওয়াংখেড়ে। পাশাপাশি ন্যাশনাল কমিশন ফর শিডিউলড কাস্টমসের চেয়ারপারসন বিজয় সম্পলার সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন তিনি। তার বিরুদ্ধে জাল কাস্ট সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি পাওয়ার অভিযোগ করেছেন মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নবাব মালিক।

গত ২ অক্টোবর গোয়াগামী প্রমোদতরী থেকে আরিয়ান খান, আরবাজ মার্চেন্ট, মুনমুন ধামেচাসহ আটজনকে গ্রেফতার করে এনসিবি। ওই দলের নেতৃত্বে ছিলেন সমীর ওয়াংখেড়ে। পরবর্তী সময়ে ওই মামলায় সবমিলিয়ে মোট ২০ জনকে গ্রেফতার হয়। সূত্র: জাগো নিউজ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত