প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

এসএসসি-সমমানের পরীক্ষা ১৪ নভেম্বর শুরু: পরীক্ষার্থী বেড়েছে পৌনে ২ লাখ

নিউজ ডেস্ক: এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু ১৪ নভেম্বর। এবারের পরীক্ষায় ২২ লাখ ২৭ হাজার ১১৩ শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। গত বছরের চেয়ে এই সংখ্যা ১ লাখ ৭৯ হাজার ৩৩৪ জন বেশি। গত বছর মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৯ জন। স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। কেন্দ্রের ভেতরে ও বাইরে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠানে সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে সরকার। এর অংশ হিসাবে ৮ নভেম্বর থেকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হবে। পরীক্ষা সংক্রান্ত সংশ্লিষ্ট কমিটিতে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়া এ সময়ে প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়িয়ে যাতে কেউ অস্থিরতা তৈরি করতে না পারে, সেজন্য ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নজরদারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি চিহ্নিতদের বিরুদ্ধে নেওয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা। অন্যান্য বছর পরীক্ষার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশ করা হলেও এবার ৩০ দিনে শিক্ষার্থীরা তা পেয়ে যাবে। অর্থাৎ পরীক্ষার বিষয় কমার সঙ্গে সঙ্গে ফল প্রকাশের সময়ও কমিয়ে আনা হয়েছে। সেই সঙ্গে কমানো হয়েছে পূর্ণমান, পরীক্ষার বিষয়ে উত্তরের সংখ্যা এবং পরীক্ষার সময়। তবে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়ের চেয়ে ২০ মিনিট বেশি পাবে এবং তারা শ্রুতিলেখকের সহায়তায় পরীক্ষায় অংশ নেবে।

পরীক্ষা সামনে রেখে বুধবার দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সংবাদ সম্মেলন হয়। এতে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। যৌক্তিক কারণে কারও দেরি হলে পরীক্ষার্থীর নাম, রোল নম্বর, প্রবেশের সময় ও বিলম্ব হওয়ার কারণ রেজিস্টারে লিখে প্রবেশ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, যদি কোনো পরীক্ষার্থী আক্রান্ত হয়, সে তো পরীক্ষা দিতে আসতে পারবে না। তারপরও যদি কেউ ওই অবস্থায় পরীক্ষা দিতে চায়, সেক্ষেত্রে স্ব স্ব বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়ে পরীক্ষার্থী চাইলে এবং হাসপাতালে ভর্তি থাকলে সেখানে ব্যবস্থা করে পরীক্ষা নিতে পারে। সেটা অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে সংক্রমণ এড়াতে তিনি অভিভাবকদের পরীক্ষা কেন্দ্রে না যেতে অনুরোধ করেন। আর যেতে হলে একজনের বেশি না যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী এ সময় স্কুল (১২-১৭ বছর বয়সি) শিক্ষার্থীদের টিকা কার্যক্রম শুরুর প্রসঙ্গে বলেন, এসএসসি পরীক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। অবশ্যই যারা পরীক্ষার্থী, তাদেরকে একেবারেই স্কুল ধরে ধরে টিকা দেওয়া হবে। এখন পর্যন্ত নেওয়া পরিকল্পনা অনুযায়ী একই দিনে এক স্কুলে সবারই টিকা দেওয়া হয়ে যাবে।

এবার মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে এসএসসিতে অংশ নিচ্ছে ১৮ লাখ ৯৯৮ জন। এছাড়া দাখিলে ৩ লাখ ১ হাজার ৮৮৭ এবং এসএসসি (ভোকেশনাল) ১ লাখ ২৪ হাজার ২২৮ জন পরীক্ষার্থী আছে। পাশাপাশি বিদেশের আটটি কেন্দ্রে ৪২৯ জন পরীক্ষার্থী ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অংশ নিচ্ছে। সারা দেশে এসএসসিতে ৩ হাজার ৬৭৯টি, দাখিলে ৭১০টি এবং এসএসসি ভোকেশনালে ৭৬০টি কেন্দ্র আছে। গতবছরের চেয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ১৫১টি আর কেন্দ্র ১৬৭টি বেড়েছে। – যুগান্তর

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত