শিরোনাম
◈ বাংলাদেশে টমেটো ও আলুর সংগ্রহ-পরবর্তী বিভিন্ন পর্যায়ে নষ্ট এক-তৃতীয়াংশ ধানে ১০.২৪% ◈ ত্রিদেশীয় সিরিজে প্রথম ম‌্যাচ সন্ধ‌্যায়, মু‌খোমু‌খি বাংলা‌দেশ ও জিম্বাবু‌য়ে ◈ মেসি-পরবর্তী যুগে আর্জেন্টিনার প্রথম দুই প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত ◈ আগামী ২৪ ঘণ্টায় যেসব বিভাগে বৃষ্টি হতে পারে ◈ উত্তরায় কিশোর গ্যাংয়ের দাপট, মাদক সিন্ডিকেট ও দখলদারি নিয়ন্ত্রণে ‘দে লাড়া’ গ্রুপ (পিচ্চি সানি) ◈ ইমরান খান, ক্যালিস, ও সোবার্সের তালিকায় সাকিব আল হাসান ◈ ভারত কোটি টাকা আয় করবে, আর বঞ্চিত হ‌বে ওয়েস্ট ইন্ডিজ? ◈ হুতির হামলা আম‌লে নি‌চ্ছে না  সৌ‌দি আরব, যথাসময়ে এশিয়ান কাপ ফুটবল আয়োজনের ঘোষণা ◈ উপসাগরীয় অবকাঠামোয় ইরানের নিখুঁত হামলা, চাপে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধপরিকল্পনা ◈ গণপিটুনিতে ৯ মাসে ১৭১ মৃত্যু, ‘মব’ কি সংঘবদ্ধ অপরাধের নতুন কৌশল?

প্রকাশিত : ২৬ অক্টোবর, ২০২১, ০১:১৬ রাত
আপডেট : ২৬ অক্টোবর, ২০২১, ০১:১৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

লুৎফর রহমান হিমেল: করোনা পরবর্তী পাশ্বর্প্রতিক্রিয়া, মৃত্যু এবং বুকের ভেতরের হাহাকার

লুৎফর রহমান হিমেল
সকালবেলা। কার্তিকের রোদ কিছুটা ঝাঝালো হয়ে উঠতে শুরু করেছে ততোক্ষণে। ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরের আট নম্বর ব্রিজের ওপর দিয়ে যাচ্ছি। সরোবরের পানি অনেকটাই প্রশান্ত। সেই পানিতে সূর্যের আলো পড়ে চিকচিক করছে মুক্তাদানার মতো। চলতি পথে তেমন চোখে পড়ার মতো পথচারিও নেই। অথচ বিকেলে এখানেই জমে উঠবে সহস্র মানুষের কোলাহল। একই জায়গার দুই সময়ের দুই দৃশ্য! এদিন আমার মেয়ে স্পর্শকে স্কুল থেকে নিতে গিয়েছিলাম। কোভিডকালে প্রায় দুই বছর তাদের স্কুল বন্ধ ছিলো। বন্ধ ছিলো আমার এই পথে চলাচলও। এখন স্কুল খোলায় সেই যাতায়াতটা ফের চালু হলো।

করোনাকালের পর দ্বিতীয় দিনের মতো তাকে আনতে গেলাম। স্কুলের গেটের বাইরে অপেক্ষায় আছি। কিছুক্ষণের মধ্যে বেরিয়ে এলো স্পর্শ। মন তার খুবই বিষণ। এই করোনাকালে চারিদিকে বিষণতা ছাড়া তেমন প্রাণের উচ্ছ¡স চোখে পড়ে না। এই দৃশ্য দেখতে দেখতে চোখও কীভাবে যেন অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে। জগৎটাই বুঝি এমনই। যেকোনো পরিস্থিতি খাপ খাইয়ে নিতে পারে সে। আমি উৎকণ্ঠিত। কিছু বলবার আগেই স্পর্শ কাঁদো কাঁদো কণ্ঠে বলতে শুরু করলো, আমার বন্ধু আনিকা, তার মা যে মারা গেছে সেটা আমাকে এতোদিনেও বলেনি। আন্টির সঙ্গে আম্মুর খুব ভালো সম্পর্ক ছিলো।

আজকে যখন আনিকাকে তার আন্টি স্কুল থেকে নিতে এসেছে, তখন শুনলাম। স্পর্শ এক নাগাড়ে বলে গেলো কথাগুলো। তার আবেগ আমাকেও ছুঁয়ে গেলো ভীষণ করে। আনিকার আরেকটি বোন আছে। সে নাইনে পড়ে। এখন তাদের দুজনই মা-হারা। মাস তিনেক আগে স্ট্রোক করে মারা গেছেন। বয়স পয়ত্রিশ-চল্লিশের ঘরে হবে হয়তো। করোনা পরবর্তী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় এই অকাল মৃত্যু। এই মৃত্যুই এখন বেশি হচ্ছে। মা হারা এই দুটি শিশু বেড়ে উঠবে ভিন্ন এক পৃথিবীতে ভালোবাসার এক বিশাল অপূর্ণতার মধ্য দিয়ে। ভাবতে ভাবতে বুকের ভেতরটা হাহাকার করে উঠলো। Lutfor Rahman Himel’র ফেসবুক ওয়ালে লেখাটি পড়।

  • সর্বশেষ