শিরোনাম
◈ শুধু সনদনির্ভর শিক্ষা নয়, গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষ জনশক্তি গড়তে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ জাতীয় সংসদ ভবনে সোলার প্যানেল স্থাপনের উদ্যোগ, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে একাধিক সুপারিশ কমিটির ◈ মাইকিং করে বাণিজ্যমেলার মাঠে ভাঙচুর, ভেকু দিয়ে গেট ভাঙছেন শেকৃবি শিক্ষার্থীরা: মাঠ বিশ্ববিদ্যালয়কে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি ◈ মোটরসাইকেলের সামনের অংশে নম্বরপ্লেট নিয়ে যে নতুন সিদ্ধান্ত ◈ এবার বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড আড়াই ঘণ্টা পোশাক শ্রমিকদের অবরোধ ◈ জাতীয় নিরাপত্তা শুধু সামরিক প্রস্তুতি নয়, প্রয়োজন শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান: রাষ্ট্রপতি ◈ মেসি জাদুতে জয়, চ্যাম্পিয়ন্স কাপে ইন্টার মায়ামি ◈ পোশাকশিল্পে অস্থিরতায় ক্রয়াদেশ হারানোর শঙ্কা, ভাঙচুরে ভাড়াটে লোক ব্যবহারের অভিযোগ; ২৪ ঘণ্টায় আন্দোলন বন্ধের আশ্বাস, গ্রেপ্তার নেতাদের মুক্তি দাবি ◈ আজ রাতেই অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হানতে যাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’, বাংলাদেশের ৪ সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত ◈ ভূমিকম্প মোকাবিলায় পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিতকরণ এবং জরুরি উদ্ধার সক্ষমতা বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ২৬ অক্টোবর, ২০২১, ০১:১৬ রাত
আপডেট : ২৬ অক্টোবর, ২০২১, ০১:১৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

লুৎফর রহমান হিমেল: করোনা পরবর্তী পাশ্বর্প্রতিক্রিয়া, মৃত্যু এবং বুকের ভেতরের হাহাকার

লুৎফর রহমান হিমেল
সকালবেলা। কার্তিকের রোদ কিছুটা ঝাঝালো হয়ে উঠতে শুরু করেছে ততোক্ষণে। ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরের আট নম্বর ব্রিজের ওপর দিয়ে যাচ্ছি। সরোবরের পানি অনেকটাই প্রশান্ত। সেই পানিতে সূর্যের আলো পড়ে চিকচিক করছে মুক্তাদানার মতো। চলতি পথে তেমন চোখে পড়ার মতো পথচারিও নেই। অথচ বিকেলে এখানেই জমে উঠবে সহস্র মানুষের কোলাহল। একই জায়গার দুই সময়ের দুই দৃশ্য! এদিন আমার মেয়ে স্পর্শকে স্কুল থেকে নিতে গিয়েছিলাম। কোভিডকালে প্রায় দুই বছর তাদের স্কুল বন্ধ ছিলো। বন্ধ ছিলো আমার এই পথে চলাচলও। এখন স্কুল খোলায় সেই যাতায়াতটা ফের চালু হলো।

করোনাকালের পর দ্বিতীয় দিনের মতো তাকে আনতে গেলাম। স্কুলের গেটের বাইরে অপেক্ষায় আছি। কিছুক্ষণের মধ্যে বেরিয়ে এলো স্পর্শ। মন তার খুবই বিষণ। এই করোনাকালে চারিদিকে বিষণতা ছাড়া তেমন প্রাণের উচ্ছ¡স চোখে পড়ে না। এই দৃশ্য দেখতে দেখতে চোখও কীভাবে যেন অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে। জগৎটাই বুঝি এমনই। যেকোনো পরিস্থিতি খাপ খাইয়ে নিতে পারে সে। আমি উৎকণ্ঠিত। কিছু বলবার আগেই স্পর্শ কাঁদো কাঁদো কণ্ঠে বলতে শুরু করলো, আমার বন্ধু আনিকা, তার মা যে মারা গেছে সেটা আমাকে এতোদিনেও বলেনি। আন্টির সঙ্গে আম্মুর খুব ভালো সম্পর্ক ছিলো।

আজকে যখন আনিকাকে তার আন্টি স্কুল থেকে নিতে এসেছে, তখন শুনলাম। স্পর্শ এক নাগাড়ে বলে গেলো কথাগুলো। তার আবেগ আমাকেও ছুঁয়ে গেলো ভীষণ করে। আনিকার আরেকটি বোন আছে। সে নাইনে পড়ে। এখন তাদের দুজনই মা-হারা। মাস তিনেক আগে স্ট্রোক করে মারা গেছেন। বয়স পয়ত্রিশ-চল্লিশের ঘরে হবে হয়তো। করোনা পরবর্তী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় এই অকাল মৃত্যু। এই মৃত্যুই এখন বেশি হচ্ছে। মা হারা এই দুটি শিশু বেড়ে উঠবে ভিন্ন এক পৃথিবীতে ভালোবাসার এক বিশাল অপূর্ণতার মধ্য দিয়ে। ভাবতে ভাবতে বুকের ভেতরটা হাহাকার করে উঠলো। Lutfor Rahman Himel’র ফেসবুক ওয়ালে লেখাটি পড়।

  • সর্বশেষ