শিরোনাম
◈ সংসদের প্রথম অধিবেশন কবে? যা জানাগেল ◈ জেলবন্দি ইমরানকে দু’বার সমঝোতার প্রস্তাব দেয়  সরকার! ফাঁস করলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, অস্বস্তিতে ইসলামাবাদ ◈ শরীরে আঘাতের চিহ্ন, সড়কে মিলল আওয়ামী লীগ নেত্রীর লাশ ◈ চল‌চ্চি‌ত্র শি‌ল্পের জন‌্য নতুন সরকারের কা‌ছে শাকিব খানের চাওয়া ◈ আমরা যদি পিছিয়ে থাকি, তাহলে বর্তমান বিশ্বে অন্যরা আমাদের প্রতি করুণার দৃষ্টিতে তাকাবে : বাণিজ্যমন্ত্রী ◈ যে কারণে ডিসি সারোয়ারকে আদালতের শোকজ হয়, যা জানা গেল ◈ এনআইডি আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ইসির জরুরি নির্দেশনা ◈ এবার ব্রিটিশ দ্বৈত নাগরিকদের জন্য সুখবর! ◈ ইরানে হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা সব মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলার হুমকি ◈ শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে রং-তুলির ছোঁয়ায় প্রস্তুতির শেষ পর্যায়

প্রকাশিত : ০৫ অক্টোবর, ২০২১, ০৩:১৭ রাত
আপডেট : ০৫ অক্টোবর, ২০২১, ০৩:১৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফাঁসির পর পরিবারের কাছে আজিজ-কালুর লাশ হস্তান্তর

নিউজ ডেস্ক: যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে দুই বান্ধবী ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুই আসামির ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। সোমবার রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয়। এর পর পরিবারের কাছে তাদের লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। যুগান্তর

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় উপজেলার খাসকররা ইউনিয়নের রায়লক্ষ্মীপুর গ্রামের দুই আসামি আজিজুল ওরফে আজিদ ওরফে আজিজ (৫০) ও মিন্টু ওরফে কালুর (৫০)।

স্থানীয় খাসকররা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে পরিবারের ৭ সদস্য কারাগারে আসেন আজিজ ও কালুর লাশ নিতে। এ সময় তাদের দুজনের জন্য পৃথক দুটি অ্যাম্বুলেন্স ছিল।

ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান জানান, পরিবারের সঙ্গে শেষ সাক্ষাতের সময় কালু ও আজিজুল সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে কাঁদতে থাকেন। দুজনের ফাঁসির রায় কার্যকর হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। রাতেই তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হবে।

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার ‍তুহিন কান্তি খান বলেন, আজ রাত ১০টা ৪৫ মিনিট ও ১০ টা ৫০ মিনিটে আজিজ ও কালুর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি, সিভিল সার্জন, চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, ২০০৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর আলমডাঙ্গা থানার জোড়গাছা গ্রামের কমেলা খাতুন ও তার বান্ধবী ফিঙ্গে বেগমকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ ফেলে রাখা হয় রায়লক্ষ্মীপুর মাঠে। এ ঘটনায় খুনের পরদিন নিহত কমেলা খাতুনের মেয়ে নারগিস বেগম আলমডাঙ্গা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত ওই দুইজনসহ চারজনকে আসামি করা হয়। অপর দুজন হলেন একই গ্রামের সুজন ও মহি।

মামলা বিচারাধীন অবস্থায় মারা যান আসামি মহি। ২০০৭ সালের ২৬ জুলাই চুয়াডাঙ্গার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল সুজন, আজিজ ও মিন্টুকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন। এরপর আসামিপক্ষের লোকজন হাইকোর্টে আপিল করেন। চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ দুই আসামির রায় বহাল রাখেন এবং আরেক আসামি সুজনকে খালাস দেন। ২০ জুলাই যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান খালাসপ্রাপ্ত সুজন।

চলতি বছরের ২৭ জুলাই তারা রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেন। আবেদন নামঞ্জুর সংক্রান্ত চিঠি গত ৮ সেপ্টেম্বর যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষকে দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এরপর ফাঁসির রায় কার্যকরের দিন নির্ধারণ করে কারা কর্তৃপক্ষ।

২০০৭ সালের ১০ আগস্ট চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগার থেকে মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত এই দুই আসামিকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। এতদিন এখানেই বন্দি আছেন তারা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়