শিরোনাম
◈ ব্রিকস সম্মেলনে ডলারের বিকল্প খোঁজার চেষ্টা, কতটা সফল হবে জোট? ◈ মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলা‌দে‌শের আপাতত জায়গা হচ্ছে না, বুঝিয়ে দিল পাকিস্তান! ◈ তারেক রহমান ভারত সফরে আগ্রহী, তবে আগে চূড়ান্ত করতে হবে এজেন্ডা: দ্য হিন্দুর প্রতিবেদন ◈ সংবাদমাধ্যমের অবদানেই আজকের অবস্থান, ফ্রি মিডিয়ার আশ্বাস তথ্যমন্ত্রীর ◈ ভারতের কাছে ১৯ গোল হজম কর‌লো পাকিস্তান ◈ ক্যারিবীয় প্রিমিয়ার লিগের অভিষেকেই দলকে জেতালেন মে‌হেদী মিরাজ ◈ বিলুপ্ত হলো র‍্যাব, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন বিল সংসদে পাস ◈ ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে দেশজুড়ে হামের বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন ◈ নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি, প্লাবিত হতে পারে পাঁচ জেলার নিম্নাঞ্চল: পাউবো ◈ ‘বন্ধু’ আমিরাতের ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার ডাক, সঙ্গে আরও ৭ মুসলিম দেশ

প্রকাশিত : ০৩ অক্টোবর, ২০২১, ১০:৫১ রাত
আপডেট : ০৪ অক্টোবর, ২০২১, ১২:৩৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] জামিন নামঞ্জুর, এবি ব্যাংকের দুই কর্মকর্তা কারাগারে

মিনহাজুল আবেদীন: [২] জাল কার্যাদেশ এবং অবৈধ ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে ১৭৬ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় এবি ব্যাংকের দুই কর্মকর্তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। তারা হলেন এবি ব্যাংকের এভিপি ও রিলেশনশিপ ম্যানেজার আবদুর রহিম এবং ভিপি শহিদুল ইসলাম। ডিবিসি টিভি

[৩] রোববার (৩ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশের আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন ওই দুই ব্যাংক কর্মকর্তা। দুদকের পক্ষে মীর আহম্মেদ আলী সালাম জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আদালতে দুদক শাখার কর্মকর্তা মোহাম্মদ জুলফিকার এসব তথ্য জানিয়েছেন। সারাবাংলা

[৪] এ দুই আসামি গত ২১ সেপ্টেম্বর উচ্চ আদালতে জামিন আবেদন করেন। আদালত জামিন না দিয়ে তাদের দুই সপ্তাহের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী রোববার (০৩ অক্টোবর) তারা আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন।

[৫] গত ৮ জুন দুদকের জেলা সমন্বিত কার্যালয় ঢাকা-১ এ দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক আবুল কালাম আজাদ এবি ব্যাংকের সাবেক দুই ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মসিউর রহমান চৌধুরী ও শামীম আহমেদ চৌধুরীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। রাইজিং বিডি

[৬] মামলায় অভিযোগ করা হয়, আসামিরা ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত একে অন্যের সহায়তায় জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে ছয়টি জাল কার্যাদেশের বিপরীতে ১৬৬ কোটি ১৮ লাখ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন। এবি ব্যাংকের কাকরাইল শাখার কর্মকর্তারা প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদন ছাড়া সাতটি অবৈধ ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে আরো ১০ কোটি টাকা ঋণ দেয়, তা তুলে নিয়ে আত্মসাৎ করা হয়। সব মিলিয়ে আত্মসাৎ করা টাকার পরিমাণ ১৭৬ কোটি ১৮ লাখ। সম্পাদনা: খালিদ আহমেদ

  • সর্বশেষ