প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] নির্বাচন নির্বাচন খেলা আর হবে না: মির্জা ফখরুল

শিমুল মাহমুদ: [২] বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমাদের কথা খুব পরিষ্কার। নির্বাচন নির্বাচন খেলা আর হবে না। নির্বাচন হতে হলে অবশ্যই একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে। নির্বাচন হতে হলে অবশ্যই একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের পরিচালনায় হতে হবে।

[৩] শনিবার (২ অক্টোবর) রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সিটিটিউশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

[৪] মির্জা ফখরুল বলেন, আপনাদের দিন ঘনিয়ে এসেছে, দিন শেষ। এখনো সময় আছে মানুষের ভাষা পড়েন। দেয়ালের লিখন দেখেন। দেখে মানে মানে এই নির্বাচনকালীন সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান তৈরি করে সরে যান। জনগণকে তাদের ভোটের অধিকার প্রয়োগ করতে দিন।

[৫] নিবার্চন কমিশনের সমালোচনা করে বিএনপি মাহসচিব বলেন, মজার কথা হচ্ছে নির্বাচন কমিশন হুদা সাহেব। যিনি নির্বাচনী ব্যবস্থাকে পুরো ধ্বংস করে দিয়েছেন। তিনিও বলছেন রাজনৈতিক দল গুলো সঙ্গে আলোচনা করেই নির্বাচন কমিশন গঠন করা উচিত। যাওয়ার সময় হয়েছে তো। এখন তো আগের মতো প্রোটেকশন পাবে না। আবার কিছুদিন আগে তিনি রাশিয়াতে গিয়ে নির্বাচন পদ্ধতি দেখে এসেছেন। রাশিয়াতেও একি অবস্থা যে থাকে সরকারে হয় তিনি প্রেসিডেন্ট হয় না হয় প্রধানমন্ত্রী হন। ওটা আরো মজার জিনিস। একি লোক বারবার প্রেসিডেন্ট হচ্ছে বারবার প্রধানমন্ত্রী হচ্ছে ওটা দেখে আসছেন উনি। দিনে বেলা কিভাবে ভোট করা যায় সেটা তিনি দেখে এসেছেন।

[৬] তিনি বলেন, আন্দোলন ছাড়া, কোনো গণঅভ্যুত্থান ছাড়া এই দানবকে সরানো যাবে না। এই দানবকে সরাতে হলে আমাদের সমস্ত জনগণকে, সকল রাজনীতিক শক্তি ঐক্যবদ্ধ করে গণঅভ্যুত্থান ঘটাতে হবে ।

[৭] মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ আবার চেষ্টা করছে আবার তারা ক্ষমতায় আসবে। ঐ ধরনের একটা নির্বাচন দিয়ে। যে নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারবে না। তার মধ্যে আবার ইভিএম চালু করছে। এটা হলো আরেকটা বড় হাতিয়ার; কি করে ভোট চুরি করা যায়। কি করে ভোট না পেয়েও নিজেকে নির্বাচিত ঘোষণা করা যায়। সেই ইভিএম তারা দিয়েছেন।

[৮] তিনি বলেন, এই চক্রান্ত এই ষড়যন্ত্র, বাংলাদেশের মানুষের অধিকার হরণ করবার যে ভয়াবহ প্রচেষ্টা আমাদেরকে এর বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে।

[৯] ২০০১ সালের ১ অক্টোবর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সর্বশেষ নিরপেক্ষ নির্বাচন’ শীর্ষক বিএনপির আলোচনাসভা বিপুল নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে রূপ নেয় সমাবেশে। সকাল ১০টায় আলোচনা সভা শুরু হওয়ার সময় নির্ধারিত থাকলেও সকাল ৯টার আগেই নেতাকর্মীরা জড়ো হন মিলনায়তনে। পরে মিলনায়তন পরিপূর্ণ হয়ে বাইরেও অবস্থান নিয়েছেন নেতাকর্মীরা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ