শিরোনাম
◈ ৪০ দিনের ছুটি শেষ, রোববার খুলছে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ আজ বসছে জাতীয় সংসদ কমিটির প্রথম বৈঠক ◈ যুক্তরাষ্ট্র–ইরান টানাপোড়েন: সমঝোতার পথ সংকীর্ণ, বাড়ছে ‘মৃত্যু ও ধ্বংসের’ আশঙ্কা ◈ এপ্রিলে ৩ দেশ সফর করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান: দ্য প্রিন্টের খবর ◈ মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানের হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পর কতটুকু কার্যকর? ◈ ব্যাংক ঋণে ব্যবসা করা হালাল হবে কিনা, এ নিয়ে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ◈ শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা পাওয়া নিয়ে স্বস্তির খবর, যা জানালেন মাউশি ◈ ফিফা র‍্যাঙ্কিং- আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের অবনতি, বাংলা‌দেশ ১৮২ নম্ব‌রে ◈ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি: শর্ত নিয়ে প্রশ্ন, পর্যালোচনায় সরকার ◈ জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুতের তথ্য দিলে মিলবে পুরস্কার, সারাদেশে সাঁড়াশি অভিযান শুরু

প্রকাশিত : ০২ অক্টোবর, ২০২১, ০২:২২ রাত
আপডেট : ০২ অক্টোবর, ২০২১, ০২:২২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কবির উদ্দিন সরকার: সতীদাহ : যেসব তথ্য আমি জানতাম না

কবির উদ্দিন সরকার: মুহম্মদ বিন তুঘলক প্রথম শাসক যিনি সতীদাহ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। যে মহিলা সতী হতে চায় তাকে তার জন্য সরকারি অনুমতি সংগ্রহ করতে হবে, এমন আইন প্রণয়ন করেন তিনি। এর সাহায্যে জোর করে ও তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো মহিলাকে সতীর নামে আগুনে পুড়িয়ে মারার ব্যাপারটিকে রোধ করার চেষ্টা করা হয়। আকবর সতীদাহ প্রথা সম্পূর্ণ রোধ না করলেও তার কোতোয়ালদের নির্দেশ দিয়েছিলেন যে কোনো মহিলাকে নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে যেন সতী না করা হয়। আকবর নিজে জয়মাল নামের একজন মহিলাকে সতীদাহ থেকে বাঁচিয়েছিলেন এবং তার পুত্রকে কারাদ দিয়েছিলেন।

কারণ সে তার মাকে জোর করে ‘সতী’ করতে চেয়েছিলো। গভর্নর ও প্রাদেশিক শাসনকর্তাদের প্রতি আকবরের নির্দেশ ছিলো সতী হওয়ার আগে তারা যেন সরকারি অনুমতি চায়। গভর্নর প্রথমে তাকে সতী না হওয়ার জন্য বোঝাতেন। পরিবার সেই মহিলাকে ত্যাগ করলে তার জন্য সরকার থেকে মাসোহারার ব্যবস্থা করা হতো। এছাড়াও কোনো মহিলার ছোট বাচ্চা থাকলে তাকে সহমরণের অনুমতি দেওয়া হতো না। জাহাঙ্গীর এবং শাহজাহান তাদের রাজত্বকালে আকবরের আইনই বহাল রেখেছিলেন। আওরঙ্গজেব হচ্ছেন প্রথম সম্রাট যিনি তার সাম্রাজ্যে সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন ১৬৬৪ সালে। সূত্র: হিন্দু মৌলবাদ। ভবানীপ্রসাদ সাহু। দীপ প্রকাশন। কলকাতা। প্রণোদন: জাকির তালুকদার। ফেসবুক থেকে 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়