শিরোনাম
◈ বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জেও পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি, আয় ১০.৫৮ বিলিয়ন ডলার ◈ সেন্ট মার্টিনে বাড়ছে রাত্রিযাপনের সুযোগ, নতুন নিয়ম নিয়ে যা জানা গেল ◈ রমজানের আগে ২ হাজার ইউপি নির্বাচন, জানুয়ারিতে শুরু করার পরিকল্পনা ◈ জরিমানা ছাড়াই ভ্যাট রিটার্ন জমা দেয়ার সময় বাড়াল এনবিআর ◈ কক্সবাজার ও পেনাংয়ের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা নিশ্চিত করেছে এয়ার এশিয়া: বিমান পরিবহনমন্ত্রী ◈ অফশোর বিনিয়োগে আগ্রহ বাড়াতে লন্ডনে রোডশো, তথ্য নিয়েছে ১০ কোম্পানি ◈ বাবরির স্মৃতি থেকে উজ্জয়িনী: ভারতে মুসলিমদের ধর্মীয় স্থানের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ ◈ সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা ◈ সাইবার অপরাধ দমনে ৪৫৯২ জনের বিশেষ ইউনিট, নিয়োগ পাবেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা ◈ ২ লাখ ২০ হাজার টন সার কিনবে সরকার

প্রকাশিত : ০১ অক্টোবর, ২০২১, ১২:৫৪ দুপুর
আপডেট : ০১ অক্টোবর, ২০২১, ১২:৫৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে ফেসবুক

ডেস্ক নিউজ: ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ইনস্টাগ্রাম তরুণদের 'ইতিবাচকভাবে সাহায্য করেছে'। এটির বিশ্ব নিরাপত্তা প্রধান অ্যান্টিগোন ডেভিস, মার্কিন সিনেটে শিশু সুরক্ষার বিষয়ে সাক্ষ্য দিয়েছেন। বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
ইনস্টাগ্রামের নিজস্ব গবেষণায় দেখা গেছে, কিভাবে এই প্ল্যাটফর্ম শিশুদের সুস্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে। সেই গবেষণার ফলাফল ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। বাংলাদেশ প্রতিদিন
এর আগে ইনস্টাগ্রামের প্রধান অ্যাডাম মোসেরি বলেছেন, কিশোর-কিশোরীদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর অ্যাপটির প্রভাব খুবই সামান্য।
ফেসবুকের নিজস্ব গবেষণার ভিত্তিতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রথমে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। তাতে বলা হয়, ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারের ফলে শিশু-কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বিশেষ করে মেয়ে শিশুদের মধ্যে নিজের চেহারা ও শারীরিক গঠন নিয়ে আত্মসম্মানবোধের অভাব দেখা দিচ্ছে।
ওই প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, নিজেদের মধ্যে উদ্বেগ এবং হতাশার হার বৃদ্ধির জন্য ইনস্টাগ্রামকে দায়ী করেছে কিশোর-কিশোরীরা।
অ্যান্টিগোন ডেভিস ফেসবুকের ওই কমিটিকে বলেছেন, আমরা গবেষণাটি পরিচালনা করেছি আমাদের প্ল্যাটফর্ম আরও ভালো করার জন্য, খারাপ বিষয়গুলো কমিয়ে নিয়ে আসতে এবং ভালোগুলোকে সর্বোচ্চ পরিমাণে নিয়েযেতে এবং আমরা কোথায় উন্নতি করতে পারি, সেটা সক্রিয়ভাবে চিহ্নিত করতে।
তিনি আরো বলেছেন, আমরা চাই আমাদের প্ল্যাটফর্মগুলো বন্ধুদের এবং পরিবারের সঙ্গে অর্থপূর্ণ মিথস্ক্রিয়ার একটি জায়গা হয়ে উঠুক। মানুষ যদি নিরাপদ বোধ না করে, তাহলে আমরা সেই লক্ষ্য অর্জন করতে পারবো না।
  • সর্বশেষ