শিরোনাম
◈ মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেট সংযোজনের সময় বাড়াল বিআরটিএ, শেষ সময় ৩১ ডিসেম্বর ◈ লন্ডনে ১৩ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই বাংলাদেশির বিরুদ্ধে হুলিয়া, ধরিয়ে দিলে ১০ হাজার পাউন্ড পুরস্কার ◈ সেন্টমার্টিন ভ্রমণে নতুন সিদ্ধান্ত, ১ নভেম্বর ওয়েবসাইট নিবন্ধন শুরু হলেও জাহাজ চলবে ৩-৪ নভেম্বর থেকে ◈ ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপির মির্জা ফয়সল বিজয়ী ◈ সরকারি কর্মচারীদের বাসা সাবলেট বন্ধের নির্দেশ, ভাড়াটিয়া সরানোর শেষ সময় ৩১ অক্টোবর ◈ সাঁতারে দ্বিতীয় দি‌নে ৮ রেকর্ড ◈ আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চেয়ে জাতিসংঘে শেখ হাসিনার আবেদন ◈ কর্ণফুলী নদীতে নির্মিত হচ্ছে দেশের প্রথম চার লেনের ক্যাবল-স্টেইড সেতু ◈ যান্ত্রিক ত্রুটি সারানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ঢাকার পথে বিমান ◈ প্রথম সেটে ধাক্কা, ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের সোনা জয়

প্রকাশিত : ০১ অক্টোবর, ২০২১, ১২:৫৪ দুপুর
আপডেট : ০১ অক্টোবর, ২০২১, ১২:৫৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে ফেসবুক

ডেস্ক নিউজ: ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ইনস্টাগ্রাম তরুণদের 'ইতিবাচকভাবে সাহায্য করেছে'। এটির বিশ্ব নিরাপত্তা প্রধান অ্যান্টিগোন ডেভিস, মার্কিন সিনেটে শিশু সুরক্ষার বিষয়ে সাক্ষ্য দিয়েছেন। বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
ইনস্টাগ্রামের নিজস্ব গবেষণায় দেখা গেছে, কিভাবে এই প্ল্যাটফর্ম শিশুদের সুস্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে। সেই গবেষণার ফলাফল ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। বাংলাদেশ প্রতিদিন
এর আগে ইনস্টাগ্রামের প্রধান অ্যাডাম মোসেরি বলেছেন, কিশোর-কিশোরীদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর অ্যাপটির প্রভাব খুবই সামান্য।
ফেসবুকের নিজস্ব গবেষণার ভিত্তিতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রথমে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। তাতে বলা হয়, ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারের ফলে শিশু-কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বিশেষ করে মেয়ে শিশুদের মধ্যে নিজের চেহারা ও শারীরিক গঠন নিয়ে আত্মসম্মানবোধের অভাব দেখা দিচ্ছে।
ওই প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, নিজেদের মধ্যে উদ্বেগ এবং হতাশার হার বৃদ্ধির জন্য ইনস্টাগ্রামকে দায়ী করেছে কিশোর-কিশোরীরা।
অ্যান্টিগোন ডেভিস ফেসবুকের ওই কমিটিকে বলেছেন, আমরা গবেষণাটি পরিচালনা করেছি আমাদের প্ল্যাটফর্ম আরও ভালো করার জন্য, খারাপ বিষয়গুলো কমিয়ে নিয়ে আসতে এবং ভালোগুলোকে সর্বোচ্চ পরিমাণে নিয়েযেতে এবং আমরা কোথায় উন্নতি করতে পারি, সেটা সক্রিয়ভাবে চিহ্নিত করতে।
তিনি আরো বলেছেন, আমরা চাই আমাদের প্ল্যাটফর্মগুলো বন্ধুদের এবং পরিবারের সঙ্গে অর্থপূর্ণ মিথস্ক্রিয়ার একটি জায়গা হয়ে উঠুক। মানুষ যদি নিরাপদ বোধ না করে, তাহলে আমরা সেই লক্ষ্য অর্জন করতে পারবো না।
  • সর্বশেষ