প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘টেস্ট কেস’ হিসেবে ২০১৮ সালের নির্বাচনে গিয়েছিলাম, নিরপেক্ষতার বিন্দুমাত্রও প্রমাণ করতে পারেনি সরকার : ড. রেদোয়ান আহমেদ

ভূঁইয়া আশিক রহমান: [২] আমাদের নতুন সময়কে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ বলেছেন, সরকারের রাজনৈতিক কৌশলের কাছে আওয়ামী লীগও ২১ বছর পরাজিত হয়েছিলো।

[৩] ২০১৪ সালের আগেও রাজপথে মিটিংমিছিল করা যেতো, এখন কাউকে রাস্তায় নামতে দেওয়া হচ্ছে না।

[৪] সংগঠন হিসেবে একাত্তরের কৃতকর্মের জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত [৫] তুলনামূলকভাবে বিএনপি আমাদের বেটার বন্ধু, যেকোনো রাজনৈতিক দলের চেয়ে

[৬] জনবিস্ফোরণ সরকারের বিরুদ্ধে ঘটবেই

[৭] আগামী জাতীয় নির্বাচন কিংবা আসন্ন নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে বিএনপি দলীয় জোটের মধ্যে এখনো কোনো বৈঠক হয়নি। তবে এলডিপি নির্দদলীয় নিরপেক্ষ তত্ত¡াবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন চায়। নির্দদলীয় নিরপেক্ষ তত্ত¡াবধায়ক সরকার গঠন করা না হলে এলডিপি নির্বাচনে যাবে না।

[৮] সরকারের লোকজন তো অনেক কথাই বলছেন। তাদের কথায় তো আর সবকিছু হবে না। অতীতে কোনো স্বৈরশাসকের ‘মিঠা কথায় চিড়া ভিজেনি’। হয়তো এমন এক পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে অদূর ভবিষ্যতে, যেমনটি আফগানিস্তানে আমরা দেখেছি। দেশটির সাবেক প্রসিডেন্ট আশরাফ গনি যেভাবে পালিয়ে গিয়েছিলেন, বর্তমান সরকারের লোকজন এভাবে পালানোরও সুযোগ পাবে না। কারণ যেভাবে মানুষকে ঠকিয়েছে, লুটপাট করেছে, বিরোধী নেতাকর্মীদের অত্যাচার-নির্যাতন করেছেÑ মানুষ এসব মনে রাখছে। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ও এরশাদবিরোধী আন্দোলনেও জনগণ স্বৈরাচারীদের পতন ঘটিয়েছে। আবারও আমরা তা দেখবো, তবে কবে তা সেটি বলতে পারবো না।

[৯] নির্বাচনের এখনো আড়াই বছর বাকি আছে। সরকার বলছে, আগামী নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিতে। আমরা তো নির্দদলীয় নিরপেক্ষ তত্ত¡াবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচনে যাবো না। গত নির্বাচনের সময়ও আমাদের একই কথা ছিলো। যদিও একটা টেস্ট কেস হিসেবে নির্বাচনে গিয়েছিলাম। জোটের মূল সংগঠন বিএনপি যেহেতু নির্বাচনে গিয়েছিলো, আমরাও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলাম। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে দেখেছিÑ নির্দদলীয় নিরপেক্ষ তত্ত¡াবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচনে অংশগ্রহণের কোনো যুক্তি নেই। সরকার তার নিরপেক্ষতা বিন্দুমাত্রও প্রমাণ করতে পারেনি।

[১০] নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠিত না হলে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি তাতে সমর্থন দেবে না। এই সরকারের অধীনে কোনো নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠিত হওয়ার সম্ভাবনাও খুব কম। বিএনপিসহ জোটসঙ্গীদের সঙ্গে বসে একমত হয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে আমরা আমাদের সুর্নিদিষ্ট প্রস্তাব দেবো।

[১১] লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির জোট পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা নেই। আমরা বিএনপিদলীয় জোটের সঙ্গে আছি। আমাদের এখন দুটি শক্র আছে। কে আমাদের কম শত্রæÑ তাদের সঙ্গেই আমাদের থাকতে হবে। যে আমার বেশি শক্র তাদের কাছে তো আমরা যাবো না। যদিও আমরা বিএনপি থেকে আলাদা হয়ে এলডিপি গঠন করেছি, তবুও বিভিন্ন কার্যক্রম ও গণতান্ত্রিক পদ্ধতির নানান কিছু বিশ্লেষণ করে দেখেছিÑতুলনামূলকভাবে বিএনপি আমাদের বেটার বন্ধু, যেকোনো রাজনৈতিক দলের চেয়ে।

[১২] বিএনপি দলীয় জোটের কর্মসূচি ঘোষিত হলে আমরাও কর্মসূচি দেবো। যে সমস্ত জায়গায় আমাদের অবস্থান ভালো আছে, সেখানে আমরা কর্মসূচি দেবো। আমাদের সংগঠন তো আর বিরাট নয়, আমাদের ব্যপ্তি যতোটুকু আছে সেখানে আমরা বিএনপি দলীয় জোটের সঙ্গে একাত্বতা প্রকাশ করে কর্মসূচি দেবো। সবকিছুতেই অংশগ্রহণ করবো।

[১৩] দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে পর্যন্ত কর্মীসমর্থক আছেন। সে জায়গায় তারা যদি সংগঠনকে শক্তিশালী করে, আমরা যারা তাদের জোটের সংগঠন আছি, আমাদের শক্তিগুলো একত্রিত করে কীভাবে এর সুফল নিশ্চিত করা বিএনপিদলীয় বৈঠকে তা নির্ণয় করার চেষ্টা করবো। সরকার পতনের আন্দোলনেও অংশগ্রহণ করবো।

[১৪] সরকারের রাজনৈতিক কৌশলের কাছে আওয়ামী লীগও ২১ বছর পরাজিত হয়েছিলো। আমরা তো ১২ বছর ক্ষমতার বাইরে আছি। ফলে আমাদের হতাশ হওয়ার কিছু নেই। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার যে এরাশাদের চেয়েও দুরন্ধর স্বৈরাচারী, এটা তো প্রমাণিত হয়েছে। গণতন্ত্র নিয়ে এমন করতে থাকলে এ দেশের মানুষও একদিন রাস্তায় নামবেই। কারণ এই জাতি বিপ্লবী ও সংগ্রামী। কখন যে জনবিস্ফোরণ ঘটবেÑএটা তো আমরা বলতে পারবো। তবে জনবিস্ফোরণ এই সরকারের বিরুদ্ধে ঘটবেই।

[১৫] পাকিস্তানিরাও স্বৈরশাসক ছিলো। তবে এখনকার মতো পাখির কাউকে গুলি করে মারেনি। তখন লাঠি দিয়ে পেটাত। লাঠির পিটা খেয়ে তবুও সামনের দিকে এগোনোর করা যেতো। কিন্তু এখন তো ঠাস ঠাস গুলি করে মানুষকে মেরে ফেলা হয়। গুলির সামনে কে যাবে!

[১৬] আওয়ামী লী বা সরকার কাউকে রাজপথে নামতে দিচ্ছে না। বাংলাদেশ এখন একটা পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পুলিশের অনুমতি নিয়ে মিটিং করতে হবেÑ এমন কোনো আইন দেশে নেই। কোথাও মিটিং করতে গেলে পুলিশ গিয়ে বাধা সৃষ্টি করলে আমরা কীভাবে রাজনৈতিক কর্মকাÐ চালাবো?

[১৭] ২০১৪ সালের আগেও রাস্তায় মিটিং-মিছিল করা গেছে, ২০১৪ সালের নির্বাচনে যখন কেউ অংশগ্রহণ করলো না, তখন থেকেই সরকার ফ্যাসিস্ট আচরণ শুরু করেছে। হাজার হাজার বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীর নামে গায়েবি মামলা দেওয়া হয়েছে। একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কীভাবে এসব ঘটতে পারে?

[১৮] তারেক রহমান কেন বিদেশে বসে নেতৃত্ব দিচ্ছেনÑ সেটার জবাব বিএনপিই দিতে পারবে। এটা তাদের সিদ্ধান্ত। তারেক রহমান দেশে এলেন কী এলেন না, সে ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। কিন্তু আমাদের সংগঠনের ব্যাপারে তারেক রহমানের উপস্থিতি-অনুপস্থিতি বড় কোনো মেটার বহন করে না। বিএনপি যেহেতু তারেক রহমানের নেতৃত্ব মানে, ফলে যেভাবে নেতার প্রতি শ্রদ্ধা দেখাবে। এটা সম্পন্ন তাদের ব্যাপার।

[১৯] বিএনপিদলীয় জোট ক্ষমতায় এলে আতঙ্কজনক পরিস্থিতি তৈরি বলে মনে করি না আমি। তবে একদম যে কিছু হবে না, সে কথাও নিশ্চিত করে কারও পক্ষে বলা সম্ভব নয়। কারণ এই সরকার ২০০৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের যেভাবে অত্যচার-নির্যাতন করেছে, ব্যাংক লুট করেছে। ই-কমার্সের নামেও মানুষের টাকা মারা হচ্ছে, যেভাবে আত্মসাৎ করেছে, দলের লোকেরা অর্থ লুট করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেÑ এসব তো মানুষের নজরে আসছে। গ্রাম পর্যায়ের ইউনিয়নের নেতাও আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে গেছে! দখলবাজা ও চাঁদাবাজদের ওপর তো মানুষ ক্ষিপ্ত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়।

[২০] বর্তমান রাজনৈতিক সংকটের জন্য দায়ী কে? রাজনৈতিক প্রোগ্রাম দিয়ে মাঠে দাঁড়ানোর অবস্থা বিরোধী দলগুলোর নেই। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৪ দল ও বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে জামায়াতসহ যুগপথ আন্দোলন আমরা করেছিÑ স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে। তখনো মিটিং-মিছিল করা যেতো, এখনকার মতো এতোটা বাধাপ্রদান করেনি। রাস্তায় গুলি করে পাখির মতো কাউকে মেরে ফেলেনি। কিন্তু এখন মানববন্ধনও করা যায় না। মানববন্ধনেও হামলা হয়। পিটিয়ে বিতারিত করে রাজপথ থেকে। ভাবা যায়। এ কোন দেশে বাস করছি আমরা!

[২১] বিএনপির জামায়াতত্যাগের সিদ্ধান্ত তো আমি দিতে পারবো না। কারণ জামায়াতে ইসলাম এ দেশের স্বাধীনতার বিপক্ষশক্তি ছিলো। সবচেয়ে বিরোধীশক্তি ছিলো। এই দলের নেতাদের নেতৃত্বে রাজাকার, আলবদর, আলশামস তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের বহু মানুষকে তারা মেরেছে। হত্যা করেছে। আমি শেখ হাসিনাকে সাধুবাদ জানাই যে মানুষহত্যাকারীদের বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনাল গঠন করে অনেকের সুষ্ঠু বিচার করতে সক্ষম হয়েছেন। এখন যে যেটাই বলুকÑ জামায়াত মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে সংগঠিত হয়ে গ্রাম-গঞ্জে মানুষের ওপর অত্যাচার করেছে, এটা সত্য।

[২২] স্বাধীনতার ৫০ বছর পরে এসে কে স্বাধীনতার পক্ষে, কে বিপক্ষ শক্তিÑ এভাবে জাতিকে বিভক্ত করার পক্ষে আমি নই। জামায়াতে ইসলামীতে এখন একাত্তর পরবর্তী প্রজন্মের অনেক নেতাকর্মী আছেন। তাদের অনেকেরই জন্ম স্বাধীনতার পরে। গোলাম আযম, মতিউর রহমান নিজামী কিংবা আলী আহসান মুজাহিদদের মতো কোনো নেতা তো নেই এখন জামায়াতে ইসলামে।

[২৩] জামায়াতে ইসলামী এখন বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ^াস করে। দেশের সার্বভৌমত্বে বিশ^াস করে। এ দেশের সংবিধানের ওপর তাদের আস্থা আছে। একটা রাজনৈতিক সংগঠন যখন দেশের সংসদ কিংবা সংবিধানের ওপর বিশ^াস রাখে তখন তাদের রাজনীতি করারও অধিকার তৈরি হয়। তবে আমি মনে করিÑ সংগঠন হিসেবে একাত্তরের কৃতকর্মের জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। পাকিস্তানেরও ক্ষমা চাওয়া দরকার।

[২৪] বিএনপিদলীয় জোটের আমলে মানুষের কথা বলার অধিকার ছিলো। স্থানীয় সরকার থেকে শুরু করে সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরেছে। সরকার গত বারো বছর ধরে ক্ষমতায় আছে। একটা সরকার যেভাবেই বারো বছর ধরে ক্ষমতায় থাকুক, দেশের রাজস্ব তারা কামাচ্ছে। রাজস্ব ও বিদেশি ঋণ নিয়ে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাÐ করছে। টানা বারো বছর যদি কোনো একটা সরকার ক্ষমতায় থাকে, রাজস্ব ও ঋণ নিয়ে যে কোনো উন্নয়ন প্রকল্প নিলেই সুন্দরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব। কিন্তু তারা তা করতে পারছে না। তিন বছরের প্রজেক্ট দশ বছর লাগাচ্ছে। ৫০০শ কোটি টাকায় যা হয়, সেটা ২ বা ৩ হাজার কোটি করছে। এসব তো মানুষের সামনে ঘটছে। দেখছে। বিচারও করবে সুযোগ পেলে।

[২৫] নির্দ্বিধায় সরকার অনেক উন্নয়ন করেছে। এতে কোনো সন্দেহ নেই। কারণ দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় আছে আওয়ামী লীগ। বৈদেশিক মুদ্রা ও রাজস্ব আয় তাদের হাতে আছে। বিদেশ থেকে সাহায্য-সহযোগিতা ও ঋণ নিয়ে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। তবে সরকার মেগা প্রকল্প করে মেগা লুণ্ঠন করছে। আবার বাস্তবায়নও করছে। দুটোই তারা করছে। বিএনপির আমলেও অনেক উন্নয়ন কর্মকাÐ হয়েছে। যে যখন সরকারে থাকে তার আমলেই বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাÐ হয়। এটাই স্বাভাবিক।

[২৬] রাজনৈতিক সংকট নিরসনে পরিকল্পনা বিএনপির আছে। আমাদেরও আছে। চাইলেও অনেককিছু বলতে পারবো না। দলীয় সিক্রেট। তবে এতোটুকু বলতে পারিÑ এ সরকারের পতন হবেই।

[২৭] আওয়ামী লীগে ২১ বছর ক্ষমতার বাইরে ছিলো। তারা চাইলেও কাউকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিতে পারেনি। বঙ্গবঙ্গুর হত্যাকারীদেরও ধরে এনে মারধর করতে পারেনি। আওয়ামী লীগের চরিত্র সম্পর্কেও তো এ দেশের মানুষ অনেক কিছু জানে। বঙ্গবন্ধুর খুনি কর্নেল রশিদরা চান্দিনায় ১৯৮৮ সালে নির্বাচনে করেছে, অধ্যাপক আলী আশরাফ-সহ (প্রয়াত সাবেক সংসদ সদস্য ও ডেপুটি স্পিকার) আওয়ামী লীগের প্রতিটি নেতাকর্মী ফ্রিডম পার্টিকে সমর্থন করেছিলো। তাদের বক্তব্য ছিলোÑ রেদোয়ান আহমেদ খুব শক্তিশালী লোক, তাকে হটাতেই হবে! সরকারের লোকজন যে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কথা বলেন, নৈতিকতার কথা বলেনÑ নৈতিকতাবোধ কতোটুকু তাদের মধ্যে আছে? অথবা বঙ্গবন্ধুর জন্য কে কতোটুকু ত্যাগ স্বীকার করতে পারেনÑ উনার মৃত্যুর পর লাশটা বড় নেতারা দেখতে যাননি।

[২৮] একটি শিশু জন্মগ্রহণ করছে ২৪ হাজারেরও বেশি টাকার বোঝা মাথায় নিয়ে। এতো উন্নয়নের কথা বলছে সরকার, নিজের রাজস্ব আয় দিয়ে নয়, চীন থেকে ঋণ করে অনেক উন্নয়ন কর্মকাÐ পরিচালনা করছে। ঋণের বোঝা মাথায় আসছে আমাদের। জনগণকে ভাবতে হবে সরকারের এসব স্বৈরাচারী কর্মকাÐ নিয়ে। সিদ্ধান্ত জনতার হাতে। জনতা সময়মতো লুটপাটকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবেই।

 

 

সর্বাধিক পঠিত