শিরোনাম
◈ জাপানে তারেক রহমানের চার দিনের সরকারি সফর : বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে নতুন সম্ভাবনা, অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে জোরদার ◈ প‌্যা‌রি‌সে বিক্ষোভের উত্তাপ, সোমবার রাতে পিএসজির ম্যাচ ◈ ইসলামবিদ্বেষের ছায়ায় ইউরোপ, কতটা নিরাপদ মুসলিমরা? : আল-জাজিরার বিশ্লেষণ ◈ বাস-ট্রেনে হেডফোন ছাড়া গান শুনলে ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করলে কোন দেশে কত জরিমানা? ◈ প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের আগে রাষ্ট্রদূতকে ঢাকায় রাখার সিদ্ধান্ত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের: শামা ওবায়েদ ◈ বলপ্রয়োগ করলে ফ্যাসিবাদী, না করলে দুর্বল ভাবে মানুষ: আইজিপি ◈ মাদরাসায় বলাৎকার: কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার ◈ কালিয়াকৈর হাইটেক পার্কে ১০০ কোটি ডলারের নয়, ১০ কোটি ডলারে ক্যান কারখানা গড়ছে চীনা প্রতিষ্ঠান ◈ গাজীপুরে সুপ্রিম গার্মেন্টসের কার্টন গুদামে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৮ ইউনিট ◈ যে কারণে বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসা, জানাল দূতাবাস

প্রকাশিত : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০১:২৯ রাত
আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০১:২৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আলী আসগর স্বপন: প্রকৃত গুনীজনই আরেক প্রকৃত গুনীজনের কদর বুঝতে পারে

আলী আসগর স্বপন: প্রখ্যাত কন্ঠ শিল্পী মান্না দের একবার বুকে ব্যাথা হয়। তখন তিনি ব্যাঙালোরে, মেয়ের বাড়িতে।

তিনি দেবী শেঠির নারায়ণা হৃদয়ালয়ে ফোন করে জানালেন তার সমস্যার কথা, হাসপাতাল থেকে বলা হলো দ্রুত হাসপাতালে চলে যেতে।

মান্না দে হাসপাতালে রওয়ানা করলেন তাদের পাঠানো এম্বুলেন্সে। তিনি এম্বুলেন্স থেকে নামলেন এবং দেখলেন তাঁকে বরণ করার জন্য হাসপাতালের সব শ্রেণির স্বাস্থ্যকর্মীরা লাইন করে দাঁড়িয়ে আছেন, হাতে ফুল নিয়ে। মান্না দে এই দৃশ্য দেখে এতো অভিভূত হয়ে পড়লেন যে তিনি অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়লেন। স্বয়ং দেবী শেঠি তাঁর চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন। এক সপ্তাহ পর তিনি সুস্থ হয়ে উঠলেন, দেবী শেঠি তাঁকে দেখতে এসেছেন, মান্না দে বললেন 'আমি তো সুস্থ হয়ে গেছি, এবার ছুটি দাও'। শেঠি বললেন 'ঠিক আছে, আজকেই ছুটি দিয়ে দিচ্ছি'' তাহলে বিলটা পাঠিয়ে দাও'' ঠিক আছে, পাঠিয়ে দিচ্ছি' একটু পর বিল এলো, মান্না দে দেখলেন প্রতিটি সার্ভিসের বিপরীতে শূন্য। এবং সর্বমোট বিল শূন্য। এই দেখে তিনি এতো বিস্মিত হলেন যে আনন্দে আবেগে তাঁর চোখ দিয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়তে লাগলো।

দেবী শেঠি এলেন তাঁকে বিদায় জানাতে, মান্না দে বিল নিয়ে প্রশ্ন করলে দেবী শেঠি বললেন 'আমরা আমাদের শৈশব থেকে আপনার গান শুনে বড় হয়েছি, সাংস্কৃতিকভাবে নিজেদের উন্নত করেছি, আপনি আমাদের মহান অভিভাবক, আপনাকে সামান্য সেবা করতে পেরে আমরা ধন্য'।

মান্না দে তাঁর দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে রইলেন। তিনি যখন হাসপাতাল ত্যাগ করছেন তখন দেখতে পেলেন প্রথম দিনের মতো হাসপাতালের সকল স্বাস্থ্য কর্মীরা লাইন ধরে দু'ধারে দাঁড়িয়ে আছে, হাতে ফুল! সংগ্রহ

ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ