শিরোনাম
◈ ভুয়া তথ্য ও বিভ্রান্তি মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ◈ বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরা মারা গেছেন ◈ বিটিআরসির সতর্কবার্তা মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের! ◈ বিক্ষোভকারীদের ইরানি প্রতিষ্ঠান দখল করতে বল‌লেন ট্রাম্প, হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও আ‌ন্দোলন দমা‌তে এরফানের ফাঁসি আজ ◈ ‌নির্বাচ‌নে গণভোটে 'হ্যাঁ' ভোট দি‌তে প্রচারণা, অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা প্রশ্ন তৈরি করছে? ◈ বাংলাদেশের জন্য যে তিনটি সুখবর দিলেন ইইউ রাষ্ট্রদূত ◈ ভারতের ব‌্যাড‌মিন্টন ভেন্যুতে মল, নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর, খে‌লোয়াড়‌দের অভিযোগ  ◈ পোস্টাল ব্যালটে প্রতীক বিন্যাসে পক্ষপাতের অভিযোগ বিএনপির, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে দলটি ◈ জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানকে সরকারি গানম্যান ও বাসভবনে সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েনের নির্দেশ ◈ আজ ঢাকার তিন পয়েন্ট অবরোধের ঘোষণা শিক্ষার্থীদের

প্রকাশিত : ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১২:৫০ রাত
আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১২:৫০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অনির্বান মৈতি: ‘বাংলা ছবি কেন রিলিজ করেন? কেউ দেখতে আসে না’

অনির্বান মৈতি: এই কথাটা কলকাতায় বসে একজন অবাঙালি ব্যবসায়ী বলার স্পর্ধা দেখাচ্ছেন, তাও আবার একজন বাঙালিকেই। দেখাচ্ছেন কারণ আমরা চুপ আছি। সিনেমার ব্যবসার দায়িত্ব অন্যের হাতে দিয়ে ক্রিয়েটিভিটি মারাচ্ছি, তাই সাহস পাচ্ছেন। এই কথা একজন অতামিল, অমালায়ালী বা অতেলেগু সে রাজ্যগুলোতে বসে বলতে পারবে না, কারণ সাহস নেই। আমরা সাহস দিচ্ছি তাই সাহস পাচ্ছে। যেদিন এই সাহস দেখানোর রাস্তা বন্ধ করে দেবো সেদিন আর শুনতে হবে না। এবার কথা হচ্ছে সেই রাস্তা বন্ধ হবে কি করে? এই আলোচনায় ঢুকলেই কেউ না কেউ কমেন্ট বক্সে এসে বলবেন আসলে বাংলা ছবিই ভালো হয় না।

তাই দর্শক যায় না। সেই অভিযোগ মাথা পেতে নিই। সত্যিই আমরা ভালো ছবি দর্শককে দিতে পারছি না। অনেক দুর্বলতা আছে। কিন্তু অনবরত চেষ্টা করে যাচ্ছি। বাঙালি দর্শক ইন্টেলেকচুয়াল তাদের ঠকানো যায় না। কিন্তু তারা কি হই হই করে পাতালঘর দেখতে গেছে? যদি যেতো তাহলে বাংলা ছবি সেই দিনই একটা নতুন ট্রেন্ড সেট করতে পারতো। বাকিটা ব্যক্তিগত দেখে নি, পিউপা দেখেনি, সহজ পাঠের গপ্পো দেখেনি, তাহলে ভালো ছবি কোনগুলো? তামিল যে ছবিগুলো নিয়ে তামিলদের পাগলামো আছে সেগুলো কপি করেও দেখা গেছে দেখেনি। বাঙালি ফ্রিতে ছাড়া সিনেমা দেখবে না? যাই নতুন ছবির আলোচনা ফেসবুকে দেখি, সেখানে সবাই ইউটিউব নয়তো টরেন্ট লিঙ্ক চায়। এটাকে অপরাধই মনে করে না। এই স্বভাব না গেলে কখনোই ভালো ছবি বানানো সম্ভব না। কখনোই কলকাতায় বসে ‘বাংলা ফিল্ম কিউ লাতে হে? এই প্রশ্নকে এড়ানো সম্ভব না।

কিছুদিন আগে একটি এফ এম থেকে একটা ইন্টারভিউ নিতে এসেছিলো তাদের সরাসরি বললাম ‘আপনাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, আপনারা বাংলা গান বাজান না’। শুনে বললো কেন দাদা প্রতি শনিবার তো বাংলা গানের একটা অনুষ্ঠান রাখছি। এটা আমাকে একজন বাঙালিই বললেন। তোর রক্ত কবে গরম হবে রে ফয়জল? ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়