শিরোনাম
◈ ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা! ◈ শিক্ষার্থীর ফোন হাতুড়ি দিয়ে ভেঙে শিক্ষক বললেন, ‘নেক্সটে ফোন আনতে চিন্তা কইরো’ ◈ কেরানীগঞ্জে সেলুনে ফরহাদকে কুপিয়ে হত্যা, সিসিটিভিতে ধরা পড়ল হামলার দৃশ্য ◈ গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি ◈ তারেক রহমানকে ভারত কেন দুটি আমন্ত্রণ দিয়েছিল, জানাল দিল্লি ◈ যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি বেড়েছে ১১.৪২ শতাংশ ◈ কূটনীতিক পরিচয়ে ভুয়া সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট, সতর্ক করলো ঢাকার মার্কিন দূতাবাস ◈ পশ্চিমবঙ্গে মাদকের চেয়েও বিপজ্জনক বস্তু এখন গরুর মাংস ◈ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৫৯৩ ◈ ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ৬০ লাখের বেশি মিথ্যা মামলা হয়েছে: আইনমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০২:২৯ রাত
আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১২:৩৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নাজনীন মুন্নী: ষোলো বছরের কিশোরের প্রেমে পড়েন ৪০ বছর বয়সীর নারীর

নাজনীন মুন্নী: ষোলো বছরের এক কিশোর প্রেমে পড়েন ৪০ বছর বয়সী এক নারীর, যিনি ছিলেন তিন সন্তানের জননী। নারীটি ছিলেন সেই কিশোরের স্কুল শিক্ষিকা। স্কুলছাড়ার পর কিশোর তার শিক্ষকের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ রাখতে থাকে এবং বোঝাতে থাকে তার দ্বিগুনের বেশি বয়সের নারীটিকে তিনি কী পরিমাণ ভালোবাসেন! এই ঘোর কাটাতে কিশোরের বাবা-মা তাকে প্যারিস পাঠিয়ে দেয়। ১৭ বছর বয়সে কিশোর তার প্রাক্তন শিক্ষিকাকে জানায় যাই ঘটুক যেখানেই থাকুক, তাকেই বিয়ে করবে সে।

২০০৭ সালে বিয়ে করেন তারা। তখন কিশোরের বয়স ২৬ আর নারীর বয়স ৫০। এখানে যার কথা বলা হচ্ছে তিনি হলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রন। তার স্ত্রী বিজিতের। মি. ম্যাক্রনের বর্তমান বয়স ৩৯ এবং তাঁর স্ত্রী ব্রিজিথ তোনিয়ো’র বয়স এখন ৬৪ বছর। কম বয়সের পাগলামী যে সেটা ছিলো না ... ম্যাক্রন প্রমাণ করেছেন। ১৩ বছর ধরে বিবাহিত অবস্থাতেই আছেন তারা। মি. ম্যাক্রন যখন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য মনস্থির করেন, তখন তারা অনেক বেশি জনসম্মুখে আসেন। অসম বিয়ে নিয়ে অস্বস্তি দেখাননি ম্যাক্রন। তাদের দুজনের বয়সের ব্যবধান নিয়ে অনেক কথা শুনতে হয়েছে ম্যাক্রন এবং ব্রিজিথকে। মাঝেমধ্যে এসব সমালোচনার জবাবও দিয়েছেন মি. ম্যাক্রন।

একবার তিনি বলেছিলেন, ‘বয়সের ব্যবধানটা যদি উল্টো হতো অর্থাৎ আমি যদি আমার স্ত্রীর চেয়ে ২৪ বছরের বড় হতাম, তাহলে বিষয়টিকে কেউ অস্বাভাবিক বলতো না।’ অনেকে বলছেন মি. ম্যাক্রনের প্রেম এবং বিয়ে তাঁর জীবনে ‘আত্মবিশ্বাস’ তৈরিতে একটি প্রভাব ফেলেছে। ফরাসি একজন সাংবাদিক সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, মি. ম্যাক্রন যদি তার চেয়ে ২৪ বছরের বড় এবং তিন সন্তানের এক জননীকে আকর্ষণ করতে পারেন, তাহলে একই উপায়ে তিনি ফ্রান্সকেও জয় করতে পারবেন। তার কথা ঠিক হয়েছে। ম্যাক্রন মানুষের মন জয় করে প্রেসিডেন্ট হয়েছেন! শানে নুযুল : ঘটনা জেনে আমি বেকুব হয়ে আছি... এই দেশে এমন হলে ম্যাক্রন কী কী শুনতো বলেন তো দেখি ? ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ