প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নাজনীন মুন্নী: ষোলো বছরের কিশোরের প্রেমে পড়েন ৪০ বছর বয়সীর নারীর

নাজনীন মুন্নী: ষোলো বছরের এক কিশোর প্রেমে পড়েন ৪০ বছর বয়সী এক নারীর, যিনি ছিলেন তিন সন্তানের জননী। নারীটি ছিলেন সেই কিশোরের স্কুল শিক্ষিকা। স্কুলছাড়ার পর কিশোর তার শিক্ষকের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ রাখতে থাকে এবং বোঝাতে থাকে তার দ্বিগুনের বেশি বয়সের নারীটিকে তিনি কী পরিমাণ ভালোবাসেন! এই ঘোর কাটাতে কিশোরের বাবা-মা তাকে প্যারিস পাঠিয়ে দেয়। ১৭ বছর বয়সে কিশোর তার প্রাক্তন শিক্ষিকাকে জানায় যাই ঘটুক যেখানেই থাকুক, তাকেই বিয়ে করবে সে।

২০০৭ সালে বিয়ে করেন তারা। তখন কিশোরের বয়স ২৬ আর নারীর বয়স ৫০। এখানে যার কথা বলা হচ্ছে তিনি হলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রন। তার স্ত্রী বিজিতের। মি. ম্যাক্রনের বর্তমান বয়স ৩৯ এবং তাঁর স্ত্রী ব্রিজিথ তোনিয়ো’র বয়স এখন ৬৪ বছর। কম বয়সের পাগলামী যে সেটা ছিলো না … ম্যাক্রন প্রমাণ করেছেন। ১৩ বছর ধরে বিবাহিত অবস্থাতেই আছেন তারা। মি. ম্যাক্রন যখন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য মনস্থির করেন, তখন তারা অনেক বেশি জনসম্মুখে আসেন। অসম বিয়ে নিয়ে অস্বস্তি দেখাননি ম্যাক্রন। তাদের দুজনের বয়সের ব্যবধান নিয়ে অনেক কথা শুনতে হয়েছে ম্যাক্রন এবং ব্রিজিথকে। মাঝেমধ্যে এসব সমালোচনার জবাবও দিয়েছেন মি. ম্যাক্রন।

একবার তিনি বলেছিলেন, ‘বয়সের ব্যবধানটা যদি উল্টো হতো অর্থাৎ আমি যদি আমার স্ত্রীর চেয়ে ২৪ বছরের বড় হতাম, তাহলে বিষয়টিকে কেউ অস্বাভাবিক বলতো না।’ অনেকে বলছেন মি. ম্যাক্রনের প্রেম এবং বিয়ে তাঁর জীবনে ‘আত্মবিশ্বাস’ তৈরিতে একটি প্রভাব ফেলেছে। ফরাসি একজন সাংবাদিক সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, মি. ম্যাক্রন যদি তার চেয়ে ২৪ বছরের বড় এবং তিন সন্তানের এক জননীকে আকর্ষণ করতে পারেন, তাহলে একই উপায়ে তিনি ফ্রান্সকেও জয় করতে পারবেন। তার কথা ঠিক হয়েছে। ম্যাক্রন মানুষের মন জয় করে প্রেসিডেন্ট হয়েছেন! শানে নুযুল : ঘটনা জেনে আমি বেকুব হয়ে আছি… এই দেশে এমন হলে ম্যাক্রন কী কী শুনতো বলেন তো দেখি ? ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত