শিরোনাম
◈ সাঈদীর পক্ষে সাক্ষ্য দিতে এসে নিখোঁজ: সুখরঞ্জন বালী মামলায় পুলিশ কর্মকর্তা এএসপি ফজলুর রহমান গ্রেপ্তার ◈ বাংলাদেশি পর্যটকদের ঠকানো হবে না, ক্রেতাদের আস্থা ফেরাতে ন্যায্য দামের অঙ্গীকার কলকাতার ব্যবসায়ীদের! ◈ ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানা উৎপাদন শুরুর প্রথম বছরেই ২৩৩ কোটি টাকা মুনাফা করেছে ◈ শুধু আর্জেন্টিনা আর ব্রাজিল নিয়ে পড়ে থাকলে হবে না, উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতার দিকে মনোযোগ দিতে হবে: তরুণদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল ◈ গ্যাস সংকট, অর্ডার কমে যাওয়া ও লোকসানে শিল্পনগরী গাজীপুরে একের পর এক কারখানা বন্ধ, অনিশ্চয়তায় শ্রমিকদের জীবন ◈ বিশ্বকা‌পে আন‌ন্দের মা‌ঝে বেদনার সুর, শাস্তির মু‌খে মেক্সিকো  ◈ চীনের অর্থনৈতিক করিডোরে যুক্ত হতে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ কোথায় ◈ হরমুজ প্রণালী বি‌দে‌শি‌দের খেলার মাঠ নয়,যুক্তরা‌স্ট্রের হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরান সামরিক সদরদপ্তরের ◈ ডেঙ্গুর থাবায় চট্টগ্রাম, চার গুণ বেড়েছে রোগী ◈ সবুজ জ্বালানিতে বড় বিনিয়োগ টানতে নতুন কৌশল নিচ্ছে সরকার

প্রকাশিত : ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৭:৫৮ বিকাল
আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০১:৩৪ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] উচ্চ বেতনের লোভ দেখিয়ে বিভিন্ন পেশায় দক্ষ নারীদের ইরাকে পাচার: র‌্যাব

মাসুদ আলম ও মিনহাজুল আবেদীন: [২] র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- চক্রের মূলহোতা লিটন মিয়া ওরফে কথিত ডা. লিটন ও আজাদ রহমান খান। শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মিরপুর ও উত্তরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে দু’জনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-৪। তাদের কাছ থেকে প্রাইভেটকার, পাসপোর্ট, বিভিন্ন ব্যাংকের চেকবই, ল্যাপটপ, ৪০৭ ইয়াবা, ১২ ক্যান বিয়ার, নগদ টাকা ও বৈদেশিক মুদ্রা উদ্ধার করা হয়েছে।

[৩] মঈন বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক একটি সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্রের কর্ণধার। চক্রে দেশে-বিদেশে ১৫ থেকে ২০ জন সদস্য রয়েছে। চক্রটি বিভিন্ন প্রতারণামূলক ফাঁদে ফেলে উচ্চ বেতনের লোভনীয় চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ইরাকসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মানব পাচার করে। পুরুষদের পাশাপাশি চক্রটি নারীদেরও পাচার করে থাকে।

[৪] তিনি বলেন, বিভিন্ন পেশায় দক্ষ নারী যেমন নার্স, পার্লার ও বিক্রয় কর্মীদের টার্গেট করে এই চক্রটি। চক্রটি মূলত মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন হাসপাতাল, ক্লিনিক, মার্কেট, সুপারশপ, বিউটি পার্লারসহ বিভিন্ন চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ভিকটিমদের আকৃষ্ট করতো। তাদের মলূ টার্গেট ছিলো বিদেশে চাকরিচ্ছুক দক্ষ নারীদের প্রলব্ধু করা। প্রতারণার কৌশল হিসেবে লিটন নিজেকে ঢাকা মেডিকেল থেকে পাস করা এমবিবিএস ডাক্তার হিসেবে পরিচয় দিতেন। বলতো ইরাকের বাগদাদে একটি স্বনামধন্য হাসপাতালে কর্মরত। অপর সহযোগী গ্রেপ্তার আজাদ একটি এজেন্সির আড়ালে নারী পাচারের সঙ্গে যুক্ত।

[৫] তিনি আরও বলেন, চক্রটি বিদেশে পাচারের পর ভিকটিমদের অনৈতিক কাজের জন্য বিক্রি করে দিতো। ভিকটিমদের প্রথমে বাংলাদেশ থেকে ট্যুরিস্ট ভিসায় মধ্য প্রাচ্যের একটি দেশে নেওয়া হতো। এরপর ওই দেশে ১-২ দিন অপেক্ষা করিয়ে ভিজিট বা ট্যুরিস্ট ভিসায় ইরাকসহ অন্যান্য দেশে পাচার করতো। যাতায়াতের জন্য ভিকটিমদের কাছ থেকে ৩-৪ লাখ টাকা করে নেওয়া হতো। আবার তাদের প্রায় বাংলাদেশি সমমূল্যের তিন লাখের বেশি টাকায় বিক্রি করা হতো। এ চক্রটি ২০০-২৫০ জন মানব পাচার করেছে। এর মধ্যে ৩৫-৪০ জন নারী রয়েছে। লিটন বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিদেশে নিয়ে নারীদের পাচার করতেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়