শিরোনাম
◈ কপ-৩১ সম্মেলনে যোগ দিতে ১০ নভেম্বর তুরস্ক যাচ্ছেন তারেক রহমান, সফরে গুরুত্ব পাবে যেসব বিষয় ◈ উজানের পানিপ্রবাহ বন্ধ, অপরিকল্পিত সেতু ও খননে মৃতপ্রায় ভৈরব নদ; বাঁচাতে পদ্মার সঙ্গে পুনঃসংযোগের দাবি ◈ ইউপি নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু, ৩ হাজার ৯৮১ ইউনিয়নের তালিকা যাচাইয়ের নির্দেশ ইসির; তফসিল ১০ ডিসেম্বর ◈ যে ৫১ অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে পারবেন মালয়েশিয়াগামী কর্মীরা, ফি সর্বোচ্চ ৮ হাজার টাকা ◈ নরসিংদীতে স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যদের দিয়ে পর্ন ভিডিও তৈরি করে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে পর্নসাইটে বিক্রির অভিযোগ! ◈ কোস্ট গার্ডের ৪ জাহাজের নাম পরিবর্তন, দায়িত্ব পালনকালে শহীদ ৪ সদস্যের নামে নতুন নামকরণ ◈ খুলনায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দেয়ালচিত্রে কালি মাখাল দুর্বৃত্তরা, লিফলেটে ভারত ও রবীন্দ্রবিদ্বেষী বার্তা ◈ টেকনাফের পাহাড়ে যৌথ বাহিনীর অভিযান, তিনজনের মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে ◈ মৃত্যুর আগে রহস্যময় ১৫ মিনিটের হিসাব নেই, কী ঘটেছিল তখন তাহসিফের সঙ্গে ◈ ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০১:৫৮ রাত
আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০১:৫৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মুনমুন শারমিন শামস: আমার বন্ধুটা আবারও আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের যত্ন নিতে শুরু করেছে

মুনমুন শারমিন শামস : আমার খুব কাছের একজন বন্ধুর সঙ্গী মারা গেছেন কোভিডে। আমি সেই বন্ধুর বুকফাটা কান্না শুনেছি বহুবার। বহুদিন খারাপ থেকে সেই বন্ধুটি নিজেকে তার ছোট্ট সন্তানের জন্য আবারও শক্ত করে দাঁড় করিয়েছে। এখন সেই বাচ্চাটার বাবা মা দুই-ই। বাচ্চাটার জন্য শুধু নয়, নিজের জন্যও তার ঘুরে দাঁড়ানো খুব জরুরি। মা মানে তো রোবোট না। মাকেও তো বাঁচতে হবে। তো আমার সেই সাজগোজপ্রিয়, বিনয়ী, বুদ্ধিমান বন্ধুটি আবারও অফিস জয়েন করেছে। ধীরে ধীরে নিজের অন্য সব কাজও শুরু করেছে। তার পরিবার তাকে আনন্দে রাখার ভীষণ চেষ্টা করে। ভাই বোন, মা-বাবা মিলে তাকে বাইরে নিয়ে যায়। হ্যাঙ আউট করে।

আমার বন্ধুটা আবারও আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে একটু যত্ন নিতে শুরু করেছে। কিন্তু এসব কিছুর ভেতরেই হঠাৎ হঠাৎ আমি তার ফোন পাই। সেই ফোন ধরলে কোনো কথা শোনা যায় না। শুধু বুকফাটা কান্না ছাড়া আর কিছুই শুনি না। আমার এই বন্ধুটিকে নিয়ে, জ্বি, এই সদ্য সঙ্গী হারানো শোক কাটিয়ে উঠবার যুদ্ধে রক্তাত্ত ও লড়াইরত বন্ধুটিকে নিয়ে সমাজের কিছু ‘বিচ’ এর চুলকানি শুরু হয়ে গেছে। তারা তাকে নিয়ে জঘন্য সব কথা বলতেছে। তারা ভেবেই পাচ্ছে না, কেন সঙ্গী মারা গেলে সব বাদ দিয়ে মেয়েটি বসে বসে চুল ছিঁড়ছে না। কেন কেঁদে কেঁদে মরে যাচ্ছে না। কেন চোখে পিচুটি আর নাকে সর্দি ঝরিয়ে পাগলের মতো রাস্তায় বেরিয়ে যাচ্ছে না!

কেন সে অফিস যাচ্ছে! কেন সে হাসে? কেন সে চুল আঁচরায়? কেন সে লিপিস্টিক দেয়? কেন সে বাচ্চাকে নিয়ে চিলড্রেন রাইডে ওঠে? কেন সে ভাই বোনের সঙ্গে ঘুরতে যায়? এসবের মানে কী? তার মানে মেয়েটা চরিত্রহীন। তার মানে মেয়েটা খারাপ। তার মানে মেয়েটা আবার বিয়ে বসবে। অবাক হয়েছেন পড়ে? অবাক হবেন না। আমি শুধু আমার বন্ধুকে বলেছি, জাস্ট ঠাসস করে দুটো লাথি মেরে সামনের দিকে হাঁটতে আর খুব খুব বেয়াদপ আর দজ্জাল হয়ে যেতে, যেন ভয়ে কেউ ওর ছায়াও না মারায়! ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ