শিরোনাম
◈ ইমরান খা‌নের দুই ছে‌লের বিস্ফোরক মন্তব‌্য, বাবাকে স্পষ্ট হত্যা করার চেষ্টা চল‌ছে ◈ অবশেষে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় উন্মুক্ত হচ্ছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার ◈ ইংল‌্যা‌ন্ডের মা‌ঠে ইমরান খানের দুই  ছেলের সাক্ষাৎকার প্রচার করায় ম্যাচ বয়কটের হুমকি পিসিবির! ◈ আজ থেকে নারী এশিয়া কাপ শুরু, বাংলাদেশের প্রথম ম‌্যাচ সোমবার ইন্দো‌নে‌শিয়ার বিরু‌দ্ধে ◈ ফেলে দেওয়া মাছের আঁশ থেকে বছরে কোটি টাকার রফতানি, বদলাচ্ছে বহু মানুষের জীবন ◈ কিলিং স্কোয়াডের শুটার ‘গলাকাটা মোবারক’, ৪ অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ◈ ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা ◈ ভারতের বিদ্যুৎ করিডরের জন্য বাংলাদেশের ভূমি, দিল্লিকে ৪ শর্ত ঢাকার ◈ পাঁচ বছরেই বদলে যাবে অর্থনীতির চিত্র, মালয়েশিয়া-ভিয়েতনামকে ছাড়াবে বাংলাদেশ: আইএমএফ ◈ শিক্ষা থেকে কর্মসংস্থান: বাংলাদেশ-চীনের কারিগরি সহযোগিতায় নতুন অধ্যায়

প্রকাশিত : ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০১:৫৮ রাত
আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০১:৫৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মুনমুন শারমিন শামস: আমার বন্ধুটা আবারও আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের যত্ন নিতে শুরু করেছে

মুনমুন শারমিন শামস : আমার খুব কাছের একজন বন্ধুর সঙ্গী মারা গেছেন কোভিডে। আমি সেই বন্ধুর বুকফাটা কান্না শুনেছি বহুবার। বহুদিন খারাপ থেকে সেই বন্ধুটি নিজেকে তার ছোট্ট সন্তানের জন্য আবারও শক্ত করে দাঁড় করিয়েছে। এখন সেই বাচ্চাটার বাবা মা দুই-ই। বাচ্চাটার জন্য শুধু নয়, নিজের জন্যও তার ঘুরে দাঁড়ানো খুব জরুরি। মা মানে তো রোবোট না। মাকেও তো বাঁচতে হবে। তো আমার সেই সাজগোজপ্রিয়, বিনয়ী, বুদ্ধিমান বন্ধুটি আবারও অফিস জয়েন করেছে। ধীরে ধীরে নিজের অন্য সব কাজও শুরু করেছে। তার পরিবার তাকে আনন্দে রাখার ভীষণ চেষ্টা করে। ভাই বোন, মা-বাবা মিলে তাকে বাইরে নিয়ে যায়। হ্যাঙ আউট করে।

আমার বন্ধুটা আবারও আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে একটু যত্ন নিতে শুরু করেছে। কিন্তু এসব কিছুর ভেতরেই হঠাৎ হঠাৎ আমি তার ফোন পাই। সেই ফোন ধরলে কোনো কথা শোনা যায় না। শুধু বুকফাটা কান্না ছাড়া আর কিছুই শুনি না। আমার এই বন্ধুটিকে নিয়ে, জ্বি, এই সদ্য সঙ্গী হারানো শোক কাটিয়ে উঠবার যুদ্ধে রক্তাত্ত ও লড়াইরত বন্ধুটিকে নিয়ে সমাজের কিছু ‘বিচ’ এর চুলকানি শুরু হয়ে গেছে। তারা তাকে নিয়ে জঘন্য সব কথা বলতেছে। তারা ভেবেই পাচ্ছে না, কেন সঙ্গী মারা গেলে সব বাদ দিয়ে মেয়েটি বসে বসে চুল ছিঁড়ছে না। কেন কেঁদে কেঁদে মরে যাচ্ছে না। কেন চোখে পিচুটি আর নাকে সর্দি ঝরিয়ে পাগলের মতো রাস্তায় বেরিয়ে যাচ্ছে না!

কেন সে অফিস যাচ্ছে! কেন সে হাসে? কেন সে চুল আঁচরায়? কেন সে লিপিস্টিক দেয়? কেন সে বাচ্চাকে নিয়ে চিলড্রেন রাইডে ওঠে? কেন সে ভাই বোনের সঙ্গে ঘুরতে যায়? এসবের মানে কী? তার মানে মেয়েটা চরিত্রহীন। তার মানে মেয়েটা খারাপ। তার মানে মেয়েটা আবার বিয়ে বসবে। অবাক হয়েছেন পড়ে? অবাক হবেন না। আমি শুধু আমার বন্ধুকে বলেছি, জাস্ট ঠাসস করে দুটো লাথি মেরে সামনের দিকে হাঁটতে আর খুব খুব বেয়াদপ আর দজ্জাল হয়ে যেতে, যেন ভয়ে কেউ ওর ছায়াও না মারায়! ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ