শিরোনাম
◈ খাবার ও পানির সংকটে কঙ্কালসার ইউক্রেনীয় সেনারা, পদ হারালেন শীর্ষ কমান্ডার ◈ আজমির শরিফে শাহরুখকে নিয়ে কী ঘটেছিল, জানালেন দেহরক্ষী ◈ ডিজেলের বড় সরবরাহে স্বস্তি, চট্টগ্রাম বন্দরে ব্যস্ততা ◈ সংঘাত ও জলবায়ু সংকটে বাড়ছে খাদ্য দুর্ভোগ, তালিকায় বাংলাদেশসহ ১০ দেশ ◈ এশিয়ান গেমস বাছাইয়ে ঐতিহাসিক জয় পেল বাংলাদেশ ◈ মিলছে না রাজস্বের হিসাব, তবু বাড়ছে বাজেট! ◈ এবার যে জাতীয় দিবসের তারিখ পরিবর্তন করেছে সরকার ◈ ‘ভারত কেবল যুক্তরাষ্ট্রে আসে সন্তান জন্ম দিতে’, ট্রাম্পের কটাক্ষের কড়া জবাব দিল রণধীর জয়সওয়াল ◈ রাজশাহীর শিক্ষিকাকে জুতাপেটার ঘটনায় সেই বিএনপি নেতা বহিষ্কার ◈ যে কৌশলে ছাত্রীদের যৌন নিপীড়ন করতেন লম্পট জাকির!

প্রকাশিত : ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১০:১০ দুপুর
আপডেট : ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১০:১০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

টিপু সুলতান বলতেন, ভেড়া বা শিয়ালের মতো দু'শ বছর বাঁচার চেয়ে বাঘের মতো দু'দিন বেঁচে থাকাও ভালো

ফেসবুক থেকে: রাজ্যের প্রতীক ছিলো বাঘ। এই বাঘ ছিলো তার অনুপ্রেরণার মতো। তার রাজ্যের পতাকায় কানাড়ী ভাষায় লেখা ছিলো বাঘের কথা। তিনি সিংহাসনে বসে মাঝে মাঝেই বলতেন: 'ভেড়া বা শিয়ালের মতো দু'শ বছর বাঁচার চেয়ে বাঘের মতো দু'দিন বেঁচে থাকাও ভালো'।
টিপু সুলতানের সমস্ত পরিধেয় পোশাক ছিলো হলুদ-কালো রঙে ছাপানো আর বাঘের শরীরের মতো ডোরাকাটা। তিনি যে তলোয়ার ব্যবহার করতেন, তার গায়েও ছিলো ডোরা দাগ এবং হাতলে ছিলো খোদাই করা বাঘের মূর্তি। তার ব্যবহৃত রুমালও ছিলো বাঘের মতো ডোরাকাটা। তার রাজ্যের সমস্ত সৈনিকের পোশাকে থাকতো বাঘের ছবি। সৈন্যদের ব্যবহার্য তলোয়ার, বল্লম, বন্দুকগুলোর নল, কুদো, হ্যামারেও আঁকা থাকতো বিভিন্ন আকারের বাঘের প্রতিরূপ কিংবা মূর্তি। এমনকি তিনি তার রাজ্যের প্রধান প্রধান সড়কের পাশে, বাড়ির মালিকদেরকে বাড়ির দেয়ালে বাঘের ছবি আঁকার নির্দেশ জারি করেছিলেন। তখনও তার বাঘ পোষার বাতিক যায়নি এবং রাজবাড়িতে বেশ কয়েকটি পোষা বাঘ ছিলো। তার কয়েকটি আবার তার ঘরের দরজার সামনে বাঁধা থাকতো বলে কথিত আছে। ছোটবেলা থেকেই টিপু, বাঘের গল্প শুনতে ভালোবাসতেন। বাবাই তাকে বাঘের গল্প শোনাতেন। কিশোর বয়সে টিপু সুলতান বাঘ পুষতে শুরু করেন। বাঘ নিয়ে তার ব্যঘ্রতার শেষ ছিলো না।
শের-ই-মহীশূর এর ব্যাঘ্রাসন (Tiger throne)
বাবার মৃত্যুর পর তিনি যখন সিংহাসনে আরোহণ করলেন, তখন বাবার পুরোন সিংহাসনটি তিনি ঠিক পছন্দ করলেন না। তাই তিনি তৎকালীন শ্রেষ্ঠ কারিগর দিয়ে কাঠের ফ্রেমের উপর সোনার পাত বসিয়ে তার উপর মণিমুক্তা ও রত্নখচিত একটি সিংহাসন বানিয়ে নিলেন, যাকে বরং "ব্যাঘ্রাসন"ই (Tiger throne) বলা যায়। কারণ আট কোণা ঐ আসনটির ঠিক মাঝখানে ছিলো একটি বাঘের মূর্তি। ৮ ফুট চওড়া আসনটির রেলিংয়ের মাথায় বসানো ছিলো সম্পূর্ণ স্বর্ণে তৈরি দশটি বাঘের মাথা, আর উপরে উঠার জন্য ছিলো দুধারে, রূপার তৈরি সিঁড়ি। আর পুরো ব্যাঘ্রাসনটাই ছিলো বাঘের শরীরের মতো ডোরাকাটা।
লেখক: ড. মাহফুজ পারভেজ
বার্তা২৪.কম
দ্য সোর্ড অব টিপু সুলতান
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়