শিরোনাম
◈ ৩৪০ বাংলাদেশি হজযাত্রীর চিকিৎসা ব্যয়ের নামে আটকে রাখা ১০ কোটি টাকা ফেরত দিল সৌদি আরব ◈ ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ ◈ ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবির মধ্যেই পোশাক শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি বোর্ড গঠন ◈ ডিসেম্বর ঘিরে আওয়ামী লীগের তৎপরতা, শেখ হাসিনার ফেরা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা প্রশ্ন ◈ কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে ৮৭ প্রজাতির প্রজাপতি শনাক্ত, গবেষণায় উঠে এলো ১০৩ পোষক উদ্ভিদের গুরুত্ব ◈ ভারতীয়দের গোমূত্র পান নিয়ে উপহাস ইসরায়েলি পণ্ডিতের! (ভিডিও) ◈ গাজীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ থেকে দুই পুলিশ বক্সে আগুন, মহাসড়ক অবরোধ ◈ বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধার মামলায় জামিন পেলেন জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান ◈ ম্যান সিটিকে হারিয়ে কারাবাও কাপের হারের প্রতিশোধ ব্রাইটনের ◈ ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে ফের মিরপুর-১০ অবরোধ, যান চলাচল ব্যাহত

প্রকাশিত : ২৮ আগস্ট, ২০২১, ০৬:৪৫ বিকাল
আপডেট : ২৮ আগস্ট, ২০২১, ০৬:৪৫ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়াতে স্থাপিত হচ্ছে ৭ বর্ডার ট্রেড সেন্টার

মাছুম বিল্লাহ : [২] ভারতের উত্তর-পূর্বের সাত আট রাজ্যের সঙ্গে বাণিজ্য ও কানেকটিভিটি বাড়াতে স্থাপন করা হচ্ছে সাতটি বর্ডার ট্রেড সেন্টার। বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা বলছেন, ভারতের ‘সেভেন সিস্টার্স’ খ্যাত রাজ্যগুলোর সঙ্গে বর্ডার ট্রেড সেন্টারগুলো ব্যবসা-বাণিজ্য এবং যোগাযোগ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা রাখবে।

[৩] স্থলবন্দর কর্মকর্তাদের মতে, এই বর্ডার ট্রেড সেন্টারগুলো নির্মাণের ফলে, কেবলমাত্র বাণিজ্যের পরিমাণই দ্রুত বৃদ্ধি পাবে না, বর্তমান বাণিজ্যের পরিমাণ একটি সরকারি পরিধির আওতায় আনা হবে। শুধু তাই নয়, সিলেটের মতো দেশের কিছু অংশের স্থানীয় অর্থনীতিও উল্লেখযোগ্য উন্নতি পাবে।

[৪] কর্মকর্তারা বলছেন, দেশের অনেক বিক্রেতা তাদের দোকান চালানোর জন্য এই জায়গাগুলি থেকে অবৈধভাবে পাচারকৃত পণ্যের উপর নির্ভর করে। একবার এই ট্রেড সেন্টারগুলো পুরোপুরি চালু হয়ে গেলে, এটি আর হবে না।

[৫] বর্তমানে ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলের রাজ্য আসামের সঙ্গে দুটি স্থলবন্দর রয়েছে। এগুলো হল শেওলা ও সোনাহাট। মেঘালয়ের সঙ্গে রয়েছে তামাবিল ও নকুগাঁও। ত্রিপুরার সঙ্গে রয়েছে আখাউড়া এবং বিবিরবাজার।

[৬] ঢাকা ট্রিবিউনকে গত বৃহস্পতিবার নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘এই ট্রেড সেন্টারগুলো আমাদের আঞ্চলিক যোগাযোগ, ব্যবসা -বাণিজ্য বৃদ্ধি করবে।’

[৭] তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০১ সালে প্রথম মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ গঠন করেন। এর আগে আমাদের আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো স্থলবন্দর ছিল না, আমাদের কেবল কিছু শুল্ক সংগ্রহের স্টেশন ছিল। আমাদের লক্ষ্য প্রতিবেশী দেশগুলির সাথে নিরাপদ এবং শৃঙ্খলাবদ্ধ ব্যবসা বাড়ানো। এই ট্রেড সেন্টারগুলো নির্মাণ কাজ শেষ হলে এটি আমাদের জাতীয় অর্থনীতির বিকাশে সহায়তা করবে।

[৮] মন্ত্রী বলেন, ‘ভারতও এই বর্ডার ট্রেড সেন্টারগুলো থেকে উপকৃত হবে। এছাড়াও, এই এগুলো প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বকে আরও শক্তিশালী করবে।’

[৯] নতুন বর্ডার ট্রেড সেন্টারগুলো ভারতকে খুব উপকৃত করবে কারণ ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ভৌগোলিকভাবে অন্যান্য ভারতীয় রাজ্যের কাছে পৌঁছানো কঠিন। সুতরাং, যদি ভবিষ্যতে ভারত বাংলাদেশ থেকে এই বর্ডার ট্রেড সেন্টারগুলো মাধ্যমে ট্রান্সশিপমেন্ট পায়, তা ভারতের সেভেন সিস্টার্স রাজ্যের উন্নয়নে সহায়ক হবে। বাংলাদেশও এই স্থলবন্দরগুলো থেকে দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও পণ্য রপ্তানি করে লাভবান হবে।

  • সর্বশেষ