প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১]আসামি পলায়ন, সোনাইমুড়ী থানার ইনস্পেক্টরকে প্রত্যাহার

অহিদ মুুকুল : [২] কর্তব্যে চরম অবহেলা ও গাফিলতির অভিযোগ নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জিসান আহমেদকে প্রত্যাহার করেছেন বাংলাদেশ পুলিশ ইন্সপেক্টর জেনারেল ড. বেনজির আহমেদ।

[৩] মঙ্গলবার রাতে বাংলাদেশ পুলিশ ইন্সপেক্টর জেনারেলের এক আদেশে তাকে বরিশাল রেঞ্জে ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়।

[৪] নোয়াখালীর এসপি শহীদুল ইসলাম বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন।

[৫] এর আগে, ১৮ আগস্ট বিকেলে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানার ধর্ষণ মামলার দুই আসামি পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানা এলাকার হাইওয়ে রোডের আল মদিনা হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট থেকে পালিয়ে যায়।

[৬] ওই দিন আদালতে নির্দেশে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য ধর্ষণ মামলার দুই আসামি ও ভিকটিমকে ঢাকার মালিবাগ সিআইডিতে নিয়ে যায় সোনাইমুড়ী থানা পরিদর্শক (তদন্ত) সহ একদল পুলিশ।

[৭] ফেরার পথে বিকেল পৌনে ৪টার দিকে মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া এলাকার হাইওয়ে এলাকায় আল মদিনা হোটেলে তারা দুপুরের খাবার খেতে যাত্রা বিরতি দেয়। একপর্যায়ে আসামিরা পুলিশ পাহারায় টয়লেটে প্রবেশ করে। পরে দুই আসামি টয়লেটের জানালা ভেঙে পালিয়ে যায় বলে দাবি করছে পুলিশ।

[৮] পালিয়ে যাওয়া আসামিরা হলো, সোনাইমুড়ীর বাট্টা গ্রামের মুজামিয়া বেপারী বাড়ির চাঁন মিয়ার ছেলে মো. জুয়েল ও বগাদিয়া গ্রামের সওদাগর বাড়ির মো. আবদুল লতিফের ছেলে মো. দেলোয়ার হোসেন। পরে পুলিশ পুনরায় পালিয়ে যাওয়া এক আসামিকে গ্রেফতার করে।

[৯] এ ঘটনায় ওই দিনই তাৎক্ষণিক তিন পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়। তারা হলেন, নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানার এসআই ফারুক হোসেন, কনস্টেবল আব্দুল কুদ্দুস ও নারী কনস্টেবল আসমা আক্তার। এছাড়া পরিদর্শক (তদন্ত) জিসান আহমেদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চট্টগ্রাম রেঞ্জ অফিসকে অবহিত করা হয়েছে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত