শিরোনাম
◈ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী সমমর্যাদার উপদেষ্টা নিযুক্ত হলেন মিঠুন চক্রবর্তী ◈ এআই ও স্বয়ংক্রিয় বট ব্যবহার করে গান বানিয়ে ৮০ লাখ ডলারের স্ট্রিমিং জালিয়াতি! ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় ভারত: রণধীর জয়সওয়াল ◈ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ ১০ উড়োজাহাজ কিনতে এয়ারবাসের সঙ্গে বিমান বাংলাদেশের চুক্তি সই ◈ ফ্রান্সের শিক্ষার্থী বিক্ষোভে স্পষ্ট ঋণ ও বাজেট সংকট, যা ছড়িয়ে পড়তে পারে পুরো ইউরোপে ◈ ব্যাংকক সম্মেলনে বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি তুলে ধরবে সরকার ◈ চীন-ভারতের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেশি স্থিতিশীল, সামনে বড় সুযোগ ◈ শ্রমিকদের বিরোধিতার মধ্যেই ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ১৫ বছরের এনসিটি ইজারা দিচ্ছে বাংলাদেশ ◈ ইউরোপীয় পার্লামেন্টে নগ্ন সোনালি ট্রাম্পের ভাস্কর্য, নাম ‘অরেঞ্জ প্লেগ’

প্রকাশিত : ২৫ আগস্ট, ২০২১, ০৩:০৮ দুপুর
আপডেট : ২৫ আগস্ট, ২০২১, ০৩:০৮ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১]আসামি পলায়ন, সোনাইমুড়ী থানার ইনস্পেক্টরকে প্রত্যাহার

অহিদ মুুকুল : [২] কর্তব্যে চরম অবহেলা ও গাফিলতির অভিযোগ নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জিসান আহমেদকে প্রত্যাহার করেছেন বাংলাদেশ পুলিশ ইন্সপেক্টর জেনারেল ড. বেনজির আহমেদ।

[৩] মঙ্গলবার রাতে বাংলাদেশ পুলিশ ইন্সপেক্টর জেনারেলের এক আদেশে তাকে বরিশাল রেঞ্জে ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়।

[৪] নোয়াখালীর এসপি শহীদুল ইসলাম বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন।

[৫] এর আগে, ১৮ আগস্ট বিকেলে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানার ধর্ষণ মামলার দুই আসামি পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানা এলাকার হাইওয়ে রোডের আল মদিনা হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট থেকে পালিয়ে যায়।

[৬] ওই দিন আদালতে নির্দেশে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য ধর্ষণ মামলার দুই আসামি ও ভিকটিমকে ঢাকার মালিবাগ সিআইডিতে নিয়ে যায় সোনাইমুড়ী থানা পরিদর্শক (তদন্ত) সহ একদল পুলিশ।

[৭] ফেরার পথে বিকেল পৌনে ৪টার দিকে মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া এলাকার হাইওয়ে এলাকায় আল মদিনা হোটেলে তারা দুপুরের খাবার খেতে যাত্রা বিরতি দেয়। একপর্যায়ে আসামিরা পুলিশ পাহারায় টয়লেটে প্রবেশ করে। পরে দুই আসামি টয়লেটের জানালা ভেঙে পালিয়ে যায় বলে দাবি করছে পুলিশ।

[৮] পালিয়ে যাওয়া আসামিরা হলো, সোনাইমুড়ীর বাট্টা গ্রামের মুজামিয়া বেপারী বাড়ির চাঁন মিয়ার ছেলে মো. জুয়েল ও বগাদিয়া গ্রামের সওদাগর বাড়ির মো. আবদুল লতিফের ছেলে মো. দেলোয়ার হোসেন। পরে পুলিশ পুনরায় পালিয়ে যাওয়া এক আসামিকে গ্রেফতার করে।

[৯] এ ঘটনায় ওই দিনই তাৎক্ষণিক তিন পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়। তারা হলেন, নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানার এসআই ফারুক হোসেন, কনস্টেবল আব্দুল কুদ্দুস ও নারী কনস্টেবল আসমা আক্তার। এছাড়া পরিদর্শক (তদন্ত) জিসান আহমেদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চট্টগ্রাম রেঞ্জ অফিসকে অবহিত করা হয়েছে।

  • সর্বশেষ