প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ঢাকা-টাঙ্গাইল রাস্তায় দীর্ঘ যানজট, ভোগান্তিতে ঘরমুখো মানুষ

আতিকুর রহমান,ফজলুল হক: [২] যানজট আর বৃষ্টিকে সঙ্গী করেই প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ করতে গ্রামে যাচ্ছেন হাজারও মানুষ। গত কয়েক দিনের মতো আজও মহাসড়কে রয়েছে ঘরমুখো মানুষের ভিড়। এতে ভোগান্তিতে পরেছে ঘরমুখো মানুষ।

[৩] মঙ্গলবার (২০ জুলাই) সকালে গাজীপুরের ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দেখা যায় যানবাহনের চাপ। বিশেষ করে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় উত্তরবঙ্গের শত শত মানুষ এখনও রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছেন।

[৪] জানা যায়, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক। এটি রাজধানীর হতে উত্তর বঙ্গে যোগাযোগের এক মাত্র সড়ক । এ মহাসড়ক দিয়ে উত্তরাঞ্চলে ১৬টি জেলার যানবাহন চলাচল করে। পাশাপাশি গাজীপুরের শিল্প এলাকার শত শত যানবাহন ও হাজার হাজার লোক যাতায়াত করেন এ মহাসড়কে।

[৫] এ মহাসড়কের সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন পয়েন্ট হচ্ছে কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা ত্রিমোড়। রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে উত্তরাঞ্চলে যেতে হলে চন্দ্রা ত্রিমোড় হয়েই যেতে হয়। ঢাকার সঙ্গে উত্তর বঙ্গে যাওয়ার একমাত্র পথ হওয়ায় ঈদের ছুটিতে এ মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পায়।

[৬] যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঈদের পর আবারও লকডাউনের কারণে পোশাক কারখানা বন্ধ থাকবে। এ কারণে শেষ মুহূর্তে অনেকেই গ্রামে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বেশিরভাগ মানুষ পরিবারের সব সদস্যদের নিয়ে রওনা হয়েছেন। ভাড়া বেশি হওয়ার স্বল্প আয়ের এসব মানুষ গাদাগাদি করে ট্রাক ও পিকআপে করে রওনা দিয়েছেন।

[৭] রংপুরের উদ্দেশ্য রওনা দিয়েছেন তিন বন্ধু সাত্তার, সোহেল ও মারুফ। তারা বলেন, গতকাল অফিস ছুটি হয়েছে। ভেবেছিলাম আজ রাস্তা ফাঁকা থাকবে। কিন্তু সকাল থেকে যানজটে আটকে থেকে মাত্র চন্দ্রা আসলাম। এরমধ্যেই বৃষ্টি। এখন কী হবে আল্লাহই জানে।’

[৮] পরিবার নিয়ে নাটোরের বনপাড়া যাবেন আসাদুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘গার্মেন্টস ছুটি দিয়েছে ৬ দিন। তাই ভেবেছিলাম, করোনার এমন পরিস্থিতির মধ্যে আর বাড়ি যাবো না। কিন্তু রাতে খবরে শুনলাম ৫ তারিখ পর্যন্ত লকডাউন। তাই পরিবার নিয়ে ট্রাকে করে বাড়ি যাচ্ছি।’

[৯] সালনা (কোনাবাড়ি) হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর গোলাম ফারুক বলেন, ‘রাস্তায় হাজার হাজার মানুষ। এর মধ্যে বৃষ্টি। জিরানী থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত যানজট আছে। বৃষ্টি শেষ হলে এই সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত