প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] স্বাস্থ্যবিধি মেনে রাউজান চারাবটতলে জমে উঠেছে কোরবানি পশুর হাট

শাহাদাত হোসেন: [২] স্বাস্থ্যবিধি মেনে পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে রাউজানে বিভিন্ন হাট-বাজারে জমে উঠেছে কোরবানি গরু-ছাগলের হাট। ​হাট ছাড়াও রাউজানে প্রায় ৪’শ ৫১টি ডেইরি ফার্ম রয়েছে।এসব ডেইরি ফার্মে প্রচুর গরু রয়েছে। তার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা গরু ও মহিষ সংগ্রহ করে বিভিন্নস্থানে তাম্ব টেকে অস্থায়ী গোয়ালঘর তৈরি করে মজুদ রেখেছে। স্থানীয় কোরবানি জন্য ডেইরি ফার্ম ও মৌসুমী ব্যবসায়ীদের মজুদ করে রাখা অস্থায়ী গোয়ালঘর থেকে গরু- মহিষ ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছেন।

[৩] ক্রেতারা হাটে গরু, ছাগল, মহিষ উঠলেও বেচাকেনা ছিল কম। তবে বাজারে বড় গরুর দাম একটু কম হলেও ছোট ও মাঝারি সাইজের গরুর দাম বেশি বলে জানান ক্রেতারা।

[৪] ক্রেতারা জানান, ৫০ হাজার টাকা দামের গরু ৭০- ৮০ হাজার টাকা দাম দিচ্ছেন। ব্যবসায়ীরা কম দামে গরু ছাড়ছেন না।

[৫] গরু ব্যবসায়ীরা জানান, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে গরু সংগ্রহ করে আনতে খরচ বেশি পড়ছে। তাই কম দামে ছাড়তে পারছি না।

[৬] বুধবার বিকেলে রাউজান পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের চারাবটতল বাজার, হলদিয়া আমিরহাট ভট্টপাড়া মাঠের অস্থায়ী বাজার, বাগোয়ানে লাম্বুর হাট বাজার পরিদর্শনে দেখা যায়, এসব বাজারে প্রচুর গরু-মহিষ ও ছাগল বিক্রি করার জন্য নিয়ে আসছেন বিক্রেতারা। এই বাজারে বিক্রেতারা দুই-তিন লাখ টাকা দামের গরু এনেছে। ছোট ও মাঝারি সাইজের গরু এসেছে প্রচুর।

[৭] বাজার কমিটি জানান, এই বাজারে প্রচুর গরু, মহিষ ও ছাগল বিক্রির জন্য নিয়ে আসা হলেও ক্রেতা- বিক্রেতা দর কষাকষিতে বিক্রি হয়েছে কম।

[৮] রাউজান পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও বাজার কমিটির পরিচালক জসিম উদ্দিন চৌধুরী জানান, চারাবটতল বাজারে প্রতি বছর ঈদুল আযহার সময়ে বিশার মাঠ জুড়ে প্রচুর গরু- মহিষ ও ছাগলের বাজার বসে। এই বাজারে বেচাকেনা হয়ও প্রচুর পরিমান। এবার করোনার কারণে স্বাস্থ্য বিধি মেনে কোরবানির পশুর হাট বসানো হয়েছে। কোরবানীর পশুর হাটে পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করতেও দেখা যায়। তারা বাজার ঘুরে ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার দিকনির্দেশনা দেন।

[৯] রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল্ হারুন বলেন, রাউজানের বিভিন্ন কোরবানি পশুর হাটে স্বাস্থ্যববিধি মেনে গরু-ছাগল বেচাকেনা করতে মাঠে দেখে কাজ করে যাচ্ছি। তবে কোরবানির পরে গরুর বজ্য নিজ নিজ দায়িত্বে মাটির নিচে পুতে ফেলতে হবে। সম্পাদনা: হ্যাপি

সর্বাধিক পঠিত