শিরোনাম
◈ রাজধানীতে ব্রিটিশ নাগরিকদের চলাচলে সতর্কতা জারি ◈ গরিবের জন্য ইনসুলিন নিশ্চিত করতে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর ◈ বিএনপি কিছু রাজনীতি শিখেছে আমাদের সাথে যৌথ আন্দোলন করে: প্রধানমন্ত্রী ◈ ব্যারিস্টার খোকনসহ ৩৪ জনের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা ◈ করোনার সময় ছাত্রলীগ নিঃস্বার্থভাবে কাজ করেছে : জয় ◈ আমাদের শক্তি জনগণ, পেটুয়া বাহিনী লাগে না: প্রধানমন্ত্রী ◈ কাল থেকে সারাদেশে সতর্ক পাহাড়ায় থাকবে আওয়ামী লীগ: কাদের ◈ ছাত্রলীগের সম্মেলন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ নারায়ণগঞ্জে জাপানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ গাইবান্ধা-৫ আসনের উপ-নির্বাচনে ভোট গ্রহণ ৪ জানুয়ারি

প্রকাশিত : ০৭ জুলাই, ২০২১, ০৪:২০ সকাল
আপডেট : ০৭ জুলাই, ২০২১, ০৪:২০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফিরোজ আহমেদ: মোহাম্মদ বিন তোঘলক কেবল মাত্র বাংলাদেশের আমলাতন্ত্রের প্রতি তুলনা হতে পারেন!

ফিরোজ আহমেদ: মোহাম্মদ বিন তোঘলক কেবল মাত্র বাংলাদেশের আমলাতন্ত্রের প্রতি তুলনা হতে পারেন। আমলারা আপাতদৃষ্টে প্রতিভাবান (অন্তত মেনে নিন, না হলেও একক ক্ষমতাবান এটুকু তো স্বীকার করবেন!), কিন্তু সংশ্লিষ্ট বিষয়টা নিয়ে তারা হয়তো আদৌ জানেন না। ফলাফল? প্রথম আলোর এই সংবাদ শিরোনাম ‘চট্টগ্রাম মেডিকেল থেকে একযোগে ১১৪ চিকিৎসককে বদলি’। এটা তো খুবই সত্যি যে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোকে শক্তিশালী করা দরকার। কিন্তু সেটা মনে আসলো মহামারীর একদম মাঝখানে? এখন আসলেই স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ের সাধ্য আছে এই চিকিৎসকদের জেলা/উপজেলা পর্যায়ে পাঠাবার? কাগজে-কলমে যদি পাঠাতেও পারেন, তাদের দিয়ে কাজ করাবার সাধ্য হবে? তাদের সেখানে উপস্থিতিটাকে সেবায় রূপান্তর করা সম্ভব হবে?

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কী দশা হবে এই পরিমাণ চিকিৎসককে সরিয়ে নিলে, যেটা চট্টগ্রাম বিভাগে চিকিৎসার মেরুদণ্ড? সেখানকার পরিচালক নিজেও এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবগত ছিলেন না বা তার সঙ্গে পরামর্শ করা হয়নি।

সরকারের এই কাজকে আতঙ্কপ্রসূত হুড়মুড় ছাড়া অন্য কোনোভাবে দেখা সম্ভব, যদি না এর অন্য কোনো গূঢ় তাৎপর্য থেকে থাকে? অথচ এই দেড় বছরে কোভিড মোকাবেলায় চিকিৎসক, নার্স থেকে শুরু করে এমনকি স্বেচ্ছাসেবী পর্যন্ত প্রশিক্ষত করা সম্ভব ছিলো পুরো প্রক্রিয়াটাকে যেটুকু সামর্থ্য আছে, সেটুকু দিয়েই যথাসাধ্য শুশ্রুষা দেয়ার জন্য। প্রয়োজন ছিলো বড় আকারের ফিল্ড হাসপাতাল, যেখানে বিপুল সংখ্যক রোগীকে চিকিৎসা দেয়া যাবে। যেমন একটা হাসপাতাল করা এবং ভেঙে ফেলার দুর্নীতি আমরা দেখলাম বসুন্ধরা এলাকায়। অ্যামবুলেনস তৈরি রাখা, অক্সিজেন তৈরি রাখা- এই সবই কর্তব্য ছিলো।

ওদিকে বহু হাসপাতালে যে রসদ ফুরিয়ে যাচ্ছে, কেন্দ্রীয় ভাণ্ডারে যে রসদও আর বাকি নেই, সেই সব বিষয়ে এই তোঘলকরা কী করবেন, কেউ জানে কি না, জানি না।

[মোহাম্মদ বিন তোঘলক দৌলতাবাদ নামের নতুন রাজধানী করেছিলেন, জায়গাটা উত্তর ভারত আর দাক্ষিণ্যাত্য উভয়কে নিয়ন্ত্রণের জন্য কৌশলগতভাগে গুরুত্বপূর্ণ। দিল্লিবাসীকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো জোর করে। পথেই বহু মানুষের মৃত্যু হয়। দৌলতাবাদের সবই ঠিক ছিলো, খালি সমস্যা ছিলো একটাই, পানি ছিলো না জায়গাটাতে। ফলে কয়েক বছরের মাথায় এই বিপুল মানুষকে আবারও দিল্লিতে ফিরে যেতে হয় এবং আরও বহু মানুষের মৃত্যু। (আরও কিছু কাজের সাথে) এই বিবেচনাহীন নতুন রাজধানী বানাবার কাণ্ডের কারণেই হিন্দুস্তানের সবগুলো ভাষায় ‘তুঘলকি’ শব্দটার জন্ম হয়েছে]। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়