শিরোনাম
◈ হাসিনার ইস্যু ও প্রধানমন্ত্রীর সফর স্থগিত, তবু বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক চায় ভারত : এনডিটিভির প্রতিবেদন ◈ গ্রিসে ৭৭ জন অভিবাসী নিয়ে নৌকা ডুবি ◈ গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় বড় পরিকল্পনা: ১৫০ কূপ খনন, বাড়ছে এলএনজি সক্ষমতা ◈ মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিদের প্রয়োজনীয় নথিপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ দূতাবাসের ◈ দ্বিতীয় গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতে ইতিহাস গড়লেন জার্মা‌নির আ‌লেকজান্ডার জভেরেভ ◈ ইংল‌্যা‌ন্ডে ভরাডুবির পর জোড়া শাস্তিও পেলো পাকিস্তান ক্রিকেট দল ◈ ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত ◈ আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতায় ১,২৭৬ কোটি টাকার প্রকল্প ◈ নতুন পে-স্কেলের গেজেট নিয়ে উদ্বেগ, খসড়া এখনো আইন মন্ত্রণালয়ে যায়নি ◈ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৮ মৃত্যু, চলতি বছরে প্রাণ গেল ১৫৭ জনের

প্রকাশিত : ২৮ জুন, ২০২১, ১১:৫১ রাত
আপডেট : ২৮ জুন, ২০২১, ১১:৫১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] মোবাইলে প্রেম, বিয়ের চাপ দেয়ায় হত্যা

নুরনবী সরকার: [২] লালমনিরহাটের সদর উপজেলার গোকুন্ডা ইউনিয়নের রতিপুর বসুনিয়াটারী এলাকার জুলেখা বেগম (৩০) হত্যাকান্ডের রহস্য বের করেছে পুলিশ। বিয়ের চাপ দেয়ায় তাকে হত্যা করে প্রেমিক বিধান চন্দ্র বর্মন। লাশ একদিন ঘরে রেখে পরে পাটক্ষেতে ফেলে দেয় প্রেমিক বিধান ও তার সহযোগি সুকুমার চন্দ্র বর্মন। এ ঘটনায় বিধান চন্দ্র বর্মন ও সুকুমার চন্দ্র বর্মণকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

[৩] গত ২৪ জুন রতিপুর বসুনিয়াটারী এলাকায় পাটক্ষেত থেকে জুলেখা বেগমের লাশ উদ্ধার করেন সদর থানা পুলিশ। জুলেখা বেগম ওই এলাকার দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে বলে জানা গেছে। সোমবার বিকালে লালমনিরহাট সদর থানার ওসি শাহ আলম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

[৪] পুলিশ সুত্রে জানা যায়, জুলেখা বেগম (৩০) প্রথম স্বামীর সাথে বিয়ে বিচ্ছেদ হলে পাশ্ববর্তী জেলা কুড়িগ্রামে তার ২য় বিয়ে হয়। জুলেখা বেগম বিয়ের পর জানতে পারে তার ২য় স্বামীর তিনি ৬ষ্ঠ স্ত্রী। পরে জুলেখা বেগম মায়ের বাড়িতে থাকা শুরু করেন। এ সময় পাশ্ববর্তী রতিপুর মন্ডল পাড়া এলাকার দীনেশ চন্দ্র বর্মনের পুত্র বিধান চন্দ্র বর্মন (২৬)’র সাথে মোবাইল ফোনে পরিচয়ের সুত্র ধরে প্রেমের সৃষ্টি হয়। বিধানের স্ত্রী বাড়িতে না থাকায় গত ২১ জুন রাতে জুলেখা বেগম বিধান চন্দ্র বর্মনের বাড়ি আসে এবং রাত্রী যাপন করেন।

[৫] পরের দিন ২২ জুনও জুলেখা বেগম বিধান চন্দ্র বর্মনের বাড়ি এসে রাত্রী যাপন করেন এবং ভোর বেলা বিধানকে ঘুম থেকে ডেকে বিয়ের চাপ দেয়। বিধান চন্দ্র বিয়ে করতে রাজি না হলে দুই জনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পযার্য়ে বিধান চন্দ্র জুলেখা বেগমকে হত্যা করে লাশ খাটের নিচে লুকিয়ে রাখেন। ২৩ জুন রাতে বিধান তার কর্মচারী সুকুমার চন্দ্র বর্মণকে বাড়িতে ডেকে এনে তার সহযোগিতায় জুলেখা বেগমের লাশ পাশ্ববর্তী পাটক্ষেতে লুকিয়ে রাখে। ২৪ জুন স্থানীয় লোকজন ক্ষেতে কাজ করতে গিয়ে জুলেখা বেগমের লাশ দেখে পুলিশে খবর দেয়।

[৬] লালমনিরহাট সদর থানার ওসি শাহ আলম জানান, লাশ উদ্ধারের পর থেকে আমরা নানা ভাবে তদন্ত শুরু করি। সন্দেহ জনক ভাবে আমরা জুলেখার প্রেমিক বিধান চন্দ্র ও তার কর্মচারী সুকুমার চন্দ্রকে গ্রেফতার করলে ঘটনার ৪৮ ঘটনার মধ্যেই এ হত্যাকান্ডের রহস্য বের করতে সক্ষম হয়েছি।

  • সর্বশেষ