শিরোনাম
◈ ইনোভেশন কনসাল্টিংয়ের জরিপ: ৪৭% মানুষের মতে তারেক রহমানই ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী ◈ জাতিসংঘ শান্তি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত বাংলাদেশ ◈ সংবিধান সংস্কার পরিষদ কী, সরকারের ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে বিতর্ক কেন? ◈ হুমকি, হয়রানি ও নিরাপত্তাহীনতায় নির্বাচনী প্রচারণা থেকে বিরতি নিচ্ছেন মেঘনা আলম ◈ রাজধানী থেকে অপহৃত ৩ বছরের শিশুকে ২৪ ঘণ্টায় উদ্ধার, মূল হোতা গ্রেপ্তার ◈ ঘুম থেকে উঠে মানুষ আল্লাহর নাম নেয়, একজন আছে জেগেই আমার নাম নেন : মির্জা আব্বাস ◈ নির্বাচনে নিষিদ্ধ, হাসিনা পলাতক, আওয়ামী লীগ কি টিকবে?: আল জাজিরার বিশ্লেষণ ◈ আল্লাহ সুযোগ দিলে দেশ ও মানুষের সেবায় নিয়োজিত হতে চাই—তারেক রহমান ◈ ম‌্যান‌চেস্টার সি‌টির কোচ পেপ গা‌র্দিওলা ফিলিস্তিন ইস্যুতে বিশ্ব নেতাদের ‘কাপুরুষ’ বললেন  ◈ আদানির সঙ্গে বিদ্যুৎ–কয়লার দাম নিয়ে বিরোধ: ব্রিটিশ আইনি প্রতিষ্ঠান নিয়োগ বাংলাদেশের

প্রকাশিত : ১২ জুন, ২০২১, ০২:০৯ রাত
আপডেট : ১২ জুন, ২০২১, ০২:০৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জান্নাতুন নাঈম প্রীতি : যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগিং হিসেবে সিটিং, ব্যাচকল হাবিজাবি শাস্তি দেয়, তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে

জান্নাতুন নাঈম প্রীতি : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিভাগ একটা ইন্টারেস্টিং বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিভাগের কেউ বিভাগ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে কিছু বলতে পারবে না, তাতে বিভাগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হতে পারে। প্রায় এই একই ঘটনা আজ থেকে প্রায় সাড়ে ৪ বছর আগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েও ঘটেছিলো। ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ থেকে আমাকে বলা হয়েছিলো, আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছি।

কারণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগিংয়ের মতো ঘটনা ঘটে বলে আমি একটা অভিযোগ জানাইছি। আমাকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি তার রুমে ডাকলেন এবং ডেকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি সোশ্যাল মিডিয়াতে বিশ্ববিদ্যালয় কী হচ্ছে তা নিয়ে লিখেছো কেন?

আমি তাকে খুবই নির্বিকারভাবে বললাম, কারণ আপনাদের ওপর ভরসা পাইনি। আপনারা কি জানেন না এখানে সিটিং, ব্যাচকল হয়? জেনেও চুপ করে ছিলেন কেন? এরপর ওই সভায় উপস্থিত আমার হলের প্রভোস্ট মিনমিন করে জানালেন, তাকে নাকি আমি অভিযোগ করিনি। তখন আমি তাকে বললাম, স্যার, আপনার জ্ঞাতার্থে জানিয়ে রাখি, অভিযোগ করার সময় উপস্থিত থাকা অন্তত পাঁচজনকে আমি উপস্থিত করতে পারবো। আপনি কি দেখতে চান?

আপনারা জানতে চাইতে পারেন এরপর কী হইছিলো? র‌্যাগিং দূর হয়ে গেছিলো? রাতারাতি বিশ্ববিদ্যালয় ফুলের মতো পবিত্র হয়ে গেছিলো? আপনাদের জ্ঞাতার্থে জানিয়ে রাখি, এরপর একটা তদন্ত কমিটি গঠন করা হইছিলো। সেই ঢিলা তদন্ত কমিটি সাড়ে চার বছরেও একটা তদন্ত প্রতিবেদন দিতে পারেনি। ভবিষ্যতে দিতে পারবে সেই আশাও করি না। যাদের বিরুদ্ধে আমি অভিযোগ এনেছিলাম, তারা সবাই পাস করে বের হয়ে গেছে। পাশাপাশি আমার বিরুদ্ধে আবার ওই সময় মানববন্ধন করে স্লোগানও দেওয়া হইছিলো ‘একদফা এক দাবি, প্রীতি তুই কবে’ যাবি।

চোরের মায়ের বড় গলা হওয়ার কী চমৎকার উদাহরণ না? এরপর বুয়েটের আবরারকে মারা হইলো, বুয়েটের সনিকে অনেক আগেই মারা হইছে। তারা মইরাও সম্ভবত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে। আর যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগিং হিসেবে সিটিং, ব্যাচকল হাবিজাবি শাস্তি দেয়, তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে।

শেষ কথা হিসেবে বলে রাখি, র‌্যাগিং নামের ব্যাচকল শেষে আমাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বড়ভাই জিজ্ঞেস করছিলেন, তুই আমারে সালাম দিস না ক্যান? তোর সমস্যা কী? আমি তারে উত্তর দিছিলাম, সালাম আসে মন থেকে, সম্মান থেকে। এখন আপনি চাইলে সালাম দিতেই পারি, কিন্তু জোর করে সালাম চাইলে মনে মনে তেত্রিশবার কুত্তার বাচ্চা বলে গালি দেবো। এখন বলেন ভাই, আপনাকে কি সালাম দেবো? ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়