শিরোনাম
◈ তেল-গ্যাসে মধ্যপ্রাচ্যের ওপর বাংলাদেশের নির্ভরতা কতটা ◈ যুদ্ধবিরতিতে রাজি ইরান, সামনে তিন শর্ত ◈ উত্তর ইসরায়েলে তীব্র হামলা: ইরান-হিজবুল্লাহর ১০০ রকেট নিক্ষেপের দাবি ◈ রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল কিনতে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি চেয়েছে বাংলাদেশ ◈ স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় র‌্যাবের ওপর হামলা ◈ নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন কে? নানা আলোচনা ◈ স্বাভাবিক হয়নি ভোজ্যতেলের বাজার ◈ সিঙ্গাপুর থেকে জ্বালানি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ‘লিয়ান হুয়ান হু’ ◈ সহ আ‌য়োজক যুক্তরা‌স্ট্রে ইরান বিশ্বকাপ খেলবে না, জানালেন ক্রীড়ামন্ত্রী ◈ বিদ্যুৎ–জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ব্যাংকের জন্য কঠোর নির্দেশনা জারি

প্রকাশিত : ১১ জুন, ২০২১, ০১:২১ রাত
আপডেট : ১১ জুন, ২০২১, ০১:২১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ : ভারতে শনাক্ত ডেল্টা ভ্যারাইটির করোনাভাইরাস আমাদের জন্য বড় ঝুঁকি

ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ : করোনা সংক্রমণ থেকে জীবন ও জীবিকা রক্ষার এতো কথা বলা হচ্ছে, অথচ সীমান্তবর্তী পশ্চিমাঞ্চলের নতুন করে উপদ্রুত জেলাগুলো থেকে ঢাকায় প্রতিদিন অসংখ্য যাত্রীবাহী বাস যাতায়াত করছে। একেই বলে বজ্র আঁটুনি ফসকা গেরো।

সম্প্রতি বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে অতি দ্রুত করোনা সংক্রমন ছড়িয়ে পড়েছে। ধারণা করা হচ্ছে এই সংক্রমণ ভারত থেকে এসেছে এবং এর মধ্যে ভারতে শনাক্ত ডেল্টা ভ্যারাইটির ভাইরাস থাকতে পারে, যা অনেক দ্রুত ছড়ায়। বাংলাদেশে সম্ভবত প্রথমবারের মতো সেসব উপদ্রুত অঞ্চলে সরকারি উদ্যোগে সংক্রমণের কমিনিউটি সারভ্যেইলেন্সের অংশ হিসাবে সীমিত আকারে হলেও এন্টিজেন টেস্ট করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে শতকরা ত্রিশ থেকে পঞ্চাশ শতাংশ মানুষের শরীরে সংক্রমণ পাওয়া গেছে। সরকার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রনের জন্য স্থানীয় প্রসাশনের মাধ্যমে সেসব অঞ্চলে অনেকগুলো ব্যবস্থা নিয়েছেন, যদিও সংক্রমণের হার এখনো বাড়ছে।

গতবছর করোনা সংক্রমনের শুরু থেকে এ পর্যন্ত সংক্রমণ ও মৃত্যুর সিংহভাগ হয়েছে ঢাকা এবং এরপর চট্টগ্রামে। ইতোমধ্যে ঢাকা সহ দেশের আন্যান্য স্থানে সংক্রমণের হার প্রায় নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছিল। এখন ভারতে শনাক্ত নতুন ভ্যারাইটি বাংলাদেশের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়লে তা বিশে^র সপ্তম জনবহুল দুই কোটি মানুষের ঢাকা মহানগরীকে অনেক বড়ো ঝুঁকির মুখে ফেলবে, যা সামলানোর সাধ্য আমদের  নেই। সীমান্তবর্তী পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলো থেকে এই সংক্রমণ যাতে ঢাকা না আসতে পারে সেটাই তো এখন সবচেয়ে বড় বিবেচনা হওয়া উচিত; এর জন্য বিশেষজ্ঞ হবার তো দরকার নাই। নতুন করে উপদ্রুত সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবশ্যই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগুলো এবং ত্রাণ কার্যক্রম চালু রাখতে হবে এবং সেখানে স্বাস্থ্যসেবাও জোরদার করা দরকার। তবে শুধু পণ্য পরিবহন ছাড়া ঢাকার সঙ্গে অনান্য যোগাযোগ সামায়িক বিছিন্ন রাখলে বড় কোনো ক্ষতি হবার কারণ নেই। সরকারের প্রণোদনা প্যাকেজের অংশ হিসাবে  এসব পরিবহনের শ্রমিকদের সামায়িক বেতনভাতার যোগান দেয়াও তেমন কোন ব্যাপার হবার কথা নয়। লেখক : অর্থনীতিবিদ। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়