প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] দেশে ৪৬ কেন্দ্রে ৫২৮৭ জনকে করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে

শাহীন খন্দকার: [২] দেশের ৪৬ টি টিকা কেন্দ্রের মধ্যে ঢাকায় ২৩টি কেন্দ্রে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো টিকা সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা যায়। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ২৫৯০ জন। এখন পর্যন্ত দেশে ১ কোটি ২ লাখ ডোজ টিকা এসেছে। সেই হিসাবে এই মুহূর্তে মজুত আছে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৯২০১ ডোজ টিকা। দেশে এখন পর্যন্ত ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ৫৮ লাখ ২০ হাজার ১৫ জনকে। আর দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৪২ লাখ ৩৪হাজার ২৮জন।

[৩] দুটি মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৫৯ হাজার ৩৩০ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। এগুলো পুরোটাই দেওয়া হয়েছে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ফর্মূলায় ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন। প্রথম ডোজ নেওয়া ১৪ লাখের বেশি মানুষের দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে সংকট। এদেরকে অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকারই দ্বিতীয় ডোজ দিতে হবে। কেননা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এখনও দুই কোম্পানির দুই ডোজের টিকা গ্রহণের কোনও সিদ্ধান্ত দেয়নি।

[৪] এদিকে জেলা প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যে জানা যায়, বিভিন্ন জেলার সিভিল সার্জনরা জানিয়েছে, টিকার স্টক ফুরিয়ে যাওয়ার কারণে এই কার্যক্রম বন্ধ আছে। মৌলভীবাজারের সিভিল সার্জন ডা. চৌধুরী জালাল উদ্দিন মুরশেদ জানান, ৩০ মে তারিখ থেকেই ভ্যাকসিন কার্যক্রম বন্ধ আছে। চীন থেকে সিনোফার্মের যে টিকা এসেছে তা সিভিল সার্জনের মাধ্যমে মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের দেওয়ার নির্দেশনা আছে।

[৫] এ ছাড়া যারা দ্বিতীয় ডোজ পায়নি তাদের ধৈর্য্য ধরার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। আমার জেলার নিবন্ধন করা প্রায় ৮১ শতাংশ মানুষই ভ্যাকসিন পেয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আগেই জানিয়েছে, পরবর্তী টিকার চালান না আসা পর্যন্ত ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে। সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। রাশিয়া, চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য থেকে করোনার দ্বিতীয় ডোজের টিকা সংগ্রহের চেষ্টা করছে সরকার। তাদের কাছে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার যে বাড়তি টিকার মজুত রয়েছে, তা বিভিন্নভাবে সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব ব্যাপারে কূটনৈতিক আলোচনা চলছে।

[৬] দেশে গত ৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয়ভাবে করোনার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। টিকা সংকট দেখা দেওয়ায় ২৬ এপ্রিল থেকে প্রথম ডোজ দেওয়া বন্ধ ঘোষণা করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং ২ মে’র পর থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয় টিকার জন্য নিবন্ধন। সম্পাদনা: মেহেদী হাসান

সর্বাধিক পঠিত