প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রংপুরে স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করায় ১০টি গাড়ি আটক

আফরোজা সরকার: করোনার সংক্রমণ ঝুঁকি এড়াতে শর্তসাপেক্ষে গণপরিবহন চালু করা হলেও সরকারি বিধিনিষেধ মানছেন না পরিবহন মালিক ও শ্রমিকেরা। দেশের অন্যান্য জেলার মতো রংপুরেও স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করে চলছে গাদাগাদি করে যাত্রী পরিবহন। সঙ্গে কিছু অসাধু পরিবহন শ্রমিকদের দৌরত্বে থ্রি-হুইলার, মাইক্রোবাস ও অ্যাম্বুলেন্সেও বেড়েছে যাত্রীদের উঠানামা। পরিস্থিতি সামাল দিতে রংপুরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তার জন্য মাঠে নেমেছে জেলা মটর মালিক সমিতি।

সোমবার (৩১ মে) দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর নগরীর বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে সরকারি বিধিনিষেধ অমান্য করার অভিযোগে ১০টি গাড়ি আটক করে থানায় দিয়েছেন সমিতির নেতৃৃবৃন্দ।

নগরীর সাতমাথা, মর্ডাণ মোড়, মেডিকেল মোড়, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। এতে নেতৃত্ব দেন সমিতির সাবেক সহসভাপতি একেএম মোজাম্মেল হক।

এ ব্যাপারে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে আমরা খেয়াল করছি সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে একটি মহল পরিবহন সেক্টরকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে কিছু পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সিএনজি, মাইক্রোবাস ও অ্যাম্বুলেন্সে গাদাগাদি করে যাত্রী পরিবহন করছে। আবার কেউ কেউ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ফাঁকি দিতে মাইক্রোবাসে ও প্রাইভেটকারে সরকারি স্টিকার লাগিয়ে চলাচল করছে। আমরা এই অসাধু মহলটিকে সনাক্ত করতে মাঠে নেমেছি।

তিনি আরও বলেন, করোনাক্রান্তিতে সরকারের নির্দেশ মেনে বাস বন্ধ রাখায় মালিকেরা বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্থ। তারপরও আমরা দেশের মানুষের স্বার্থে এবং করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারি বিধিনিষেধ মেনে চলার চেষ্টা করছি। কিন্তু কিছু পরিবহন মালিক ও শ্রমিকের কারণে করোনার ঝুঁকি বাড়ছে। আমরা চাই সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে মানুষ গণপরিবহনে যাতায়াত করবে। এতে করে স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমবে এবং সকলে সুরক্ষিত থাকবে। অভিযানের প্রথম দিনে ১০টি গাড়ি আটক করে সংশ্লিষ্ট এলাকার থানায় পুলিশকে সোপর্দ করা হয়েছে বলেও জানান মোজাম্মেল হক।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত