প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] পরিবেশের ক্ষতি রোধে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে: পরিবেশ মন্ত্রী

স্বপন দেব: [২]  বৃহস্পতিবার (২৭ মে) দুপুরে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা পরিষদের মাসিক সভায় তাঁর মন্ত্রণালয়ের কার্যালয় থেকে ভার্চুয়ালী যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন এমপি।

[৩]  তিনি বলেন,  ‘আমার নির্বাচনী এলাকায় পরিবেশের যাতে কোনো ক্ষতি না হয় সে জন্য প্রশাসন, জনপ্রতিনিধিনসহ সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। কেউ যাতে পাহাড়, টিলা কাটতে না পরে, নদী ভরাট, দখল করতে না পারে, এসব বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। এছাড়া পরিবেশ বিনষ্টকারী পলিথিনের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করতে হবে।

[৪] জিরো টলারেন্সের কথা উল্লেখ করে পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, ‘সরকার মাদক, চোরাচালানের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। বড়লেখা সীমান্তবর্তী এলাকা। সীমান্ত দিয়ে কোনোভাবে যেন চোরাচালান না হয় সেদিকে বিজিবিসহ সবাইকে তৎপর থাকতে হবে। তাছাড়া সীমান্ত এলাকার জনপ্রতিনিধিদেরও তৎপর হতে হবে।’

[৫] মন্ত্রী বলেন, ‘এশিয়ার অন্যতম হাওর হচ্ছে হাকালুকি। এটিকে কীভাবে আরও দৃষ্টিনন্দন করা যায়, সে বিষয়ে কাজ করতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। পাশাপাশি মাধবকুন্ড ইকোপার্ককেও দৃষ্টিনন্দন করতে মন্ত্রণালয় থেকে নানা পরিকল্পণা গ্রহণ করা হয়েছে। এরমধ্যে অন্যতম হচ্ছে ক্যাবল কার স্থাপন। এছাড়া জুড়ীর লাঠিটিলায় বনবিভাগের সাড়ে ৫ হাজার হেক্টর এলাকায় সাফারি পার্ক স্থাপনের কার্যক্রম চলমান আছে। সরকারের এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে মৌলভীবাজার জেলায় পর্যটন শিল্পের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।’

[৬] তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশকে একটি উন্নত দেশে রুপান্তরীত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় বাংলাদেশের নাম লিপিবদ্ধ হয়েছে। বিশ্ববাসী তা গ্রহণ করেছে। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে। উন্নত দেশ গড়তে ২০৩০ সালে এসডিজির লক্ষ্যমাত্র অর্জন করতে চাই। সেই লক্ষ্যে আমাদের বড়লেখা ও জুড়ীকে এগিয়ে নিতে হবে। সে জন্য উপজেলা উন্নয়ন কমিটির সকলের সহযোগীতা কামনা করছি।’

[৭] এসময় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ। এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার মুদাচ্ছির বিন আলী, বড়লেখা পৌরসভার মেয়র আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান তাজ উদ্দিন, নারী ভাইস চেয়ারম্যান রাহেনা বেগম হাছনা, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্নদীপ বিশ্বাস, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার উপস্থিত ছিলেন। সম্পাদনা: হ্যাপি

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত