প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

হেফাজতের তাণ্ডবে নিহত মুহিবুল্লাহ হত্যাকারীদের ছাড় দেয়া হবে না: তথ্যমন্ত্রী

আশিক এলাহী: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, “যারা উল্টা পাল্টা মিছিল করে হামলা চালিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা মুহিবুল্লাহকে হত্যা করেছে তাদের প্রত্যেকের দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করতে আমরা বদ্ধপরিকর। একই সাথে যারা নিরপরাদ, এই মামলায় তাদের আসামী করা হলেও তদন্ত সাপেক্ষে তাদের চার্জশীট থেকে নাম বাদ দেওয়া হবে।

পক্ষান্তরে মামলায় যাদের নাম নেই কিন্তু তদন্তে যদি দেখা যায়, তারাও এই ঘটনায় ছিল, তবে তাদেরও অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে। আমি প্রশাসনকেও বলেছি, যারা প্রকৃত অপরাধী তারাই মামলার আসামী হবে। আওয়ামী লীগ নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যাকারীদের ছাড় দেয়া হবে না।”
হেফাজত নেতা মামুনুল হক কান্ডে বিএনপি-জামায়াতের তাৎক্ষণিক মিছিল থেকে হামলায় নিহত আওয়ামী লীগ নেতা মুহিবুল্লাহ’ হত্যাকান্ড প্রসঙ্গে প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শনিবার (৮ মে) দুপুরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার কোদালা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তথ্যমন্ত্রীর পারিবারিক প্রতিষ্ঠান এনএনকে ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে লকডাউনের কারনে কর্মহীন পড়া পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

সাধারণ মানুষের কাছে মুহিবুল্লাহ’র হত্যার বিচার চেয়ে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, “আগে এই কোদালা সড়ক দিয়ে হাটা যেতো না, পেন্ট তুলে কাদা
মাড়িয়ে হাটতে হতো। এতগুলো নদীর ঘাট হয়নি, নদী ভাঙন রক্ষায় ব্লক হয়নি। লম্বা লম্বা কথা বলে মিছিল করবেন, আবার সেই মিছিল থেকে আমাদের কর্মীদের হত্যা করবেন। তা হতে পারে না। আমি জনগণের কাছেও এই হত্যাকান্ডের বিচার দিলাম।

পুলিশের বিচার পুলিশ করবে। আমরা আপনাদেরও বিচার দিলাম।” কোদালা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি বদিউল আলম মাস্টারের সভাপতিত্বে
তথ্যমন্ত্রীর পারিবারিক দাতব্য প্রতিষ্ঠান এনএনকে ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ৪শ’ দরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।

এর আগে মন্ত্রী নিহত মুহিবুল্লাহ’র কবর জেয়ারত করেন এবং তার পরিবারের কাছে একটি সিএনজি অটোরিক্সা উপহার দেন। এসময় তিনি নিহত মুহিবুল্লাহ’র স্বজনদের সাথেও একান্তে কথা বলেন।

প্রসঙ্গত, গত ৩ এপ্রিল রাত ৮ টার দিকে নারায়নগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে একটি রিসোর্টে নারীসহ হেফাজত ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে অবরুদ্ধ করার খবর ছড়িয়ে পড়লে রাঙ্গুনিয়ার কোদালায় একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন হেফাজত ইসলামসহ স্থানীয় বিএনপি- জামায়াতের নেতা-কর্মীরা। সেখান থেকে হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয় আওয়ামী লীগ নেতা মুহিবুল্লাহকে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত