শিরোনাম
◈ আজ সৌদিসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর ◈ শুধু ট্রাম্পই বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারেন: জাপানের প্রধানমন্ত্রী ◈ ট্রাম্পের অনুরোধে ইরানের সাউথ পার্সে আর হামলা নয়: নেতানিয়াহু ◈ কাতারের এলএনজি স্থাপনায় ক্ষতি: বিদ্যুৎ সংকটে পড়তে পারে বাংলাদেশসহ তিন দেশ ◈ শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর জাতির উদ্দেশে ভাষণের খবর সঠিক নয়: প্রেস উইং ◈ মধ্যপ্রাচ্য সংকট নিরসনে আইএমও’র বিশেষ অধিবেশনে বাংলাদেশ ◈ ইসরায়েলের শোধনাগারে আগুন, ইরানের হামলায় জ্বালানি স্থাপনায় নতুন শঙ্কা ◈ হামলা-পাল্টা হামলায় কাঁপছে জ্বালানি বাজার, তেলের দাম ১১৫ ডলার ছাড়াল ◈ ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কাতারের এলএনজি উৎপাদনের ১৭% ধ্বংস, পুনরুদ্ধারে লাগবে ৫ বছর ◈ পাকিস্তানের দীর্ঘ-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য হুমকি: মার্কিন জাতীয় গোয়েন্দা প্রধান

প্রকাশিত : ০৭ মে, ২০২১, ০২:৪১ রাত
আপডেট : ০৭ মে, ২০২১, ০২:৪১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অনলাইনে কেনাকাটায় প্রতারিত হলে যা করবেন

আতাউর অপু: চলমান করোনার এই মহামারিতে অনলাইনে কেনাকাটার প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে বহু মাত্রায়। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে প্রতারণার ফাঁদ। হরহামেশাই শোনা যায় ফেসবুক কিংবা কোন গ্রুপের পেইজে যে পণ্য অর্ডার দেওয়া হয়েছিলো হঠাৎই আগাম অর্থ নিয়ে উধাও হয়ে গেছে।

আবার অনেক সময় অনলাইনে যে মানের পণ্য অর্ডার দেওয়া হয়েছিলো তা হাতে পাওয়ার পর ক্রেতার চোখ একেবারেই চড়কগাছ! এমন ভোগান্তির ক্ষেত্রে নেওয়া যেতে পারে আইনি প্রতিকার। চলুন জেনে নেওয়া যাক অনলাইন কেনাকাটায় প্রতারিত হলে আইনি কি প্রতিকার পাওয়া যেতে পারে।

একজন বিবেকবান নাগরিক হিসেবে যে কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে সচেতনতাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা। আইনে ‘ক্রেতা সাবধানতা নীতি’ বা ক্যাভিয়েট এম্পটর একটা মতবাদ আছে। যেখানে ক্রেতাকে প্রতারণার শিকার হতে রক্ষার জন্য সচেতনতার উপর ব্যাপক গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

যদিও একজন অনলাইন কিংবা অফ লাইনের ক্রেতা হিসেবে কোনও প্রতারণার শিকার হোন তাহলে কয়েক ভাবে আইনের আশ্রয় নেওয়ার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। এই ক্ষেত্রে দেওয়ানি আদালতে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসহ ক্ষতিপূরণের মামলা করা যেতে পারে; ফৌজদারি আদালতে ৪২০ ধারার আওতায় প্রতারণার মামলা করা যেতে পারে; দ্যা সেলস অফ গুডস অ্যাক্টস এর আওতায় প্রতিকার পাওয়া যায়; চুক্তি আইনে প্রতিকার পাওয়া যায়। এমনকি প্রতিটি জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতিকার পাওয়া যেতে পারে।

তবে বর্তমান সামগ্রিক দিক পর্যালোচনায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরে অভিযোগ করাটাই সবচেয়ে কার্যকরী পন্থা। অনলাইনে প্রতারিত হলে সংশ্লিষ্ট সাইট বা গ্রুপের বিরুদ্ধে অভিযোগটি লিখিত আকারে ক্রয়ের রশিদ সহ যাবতীয় তথ্য সংযুক্ত করে ভোক্তা অধিকার কার্যালয়ের ফ্যাক্স বা ই-মেইলে দিতে হবে। ঢাকা ছাড়া অন্য বিভাগের ক্ষেত্রে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক বরাবর অভিযোগ করা যাবে। এ ক্ষেত্রে পণ্য কেনার তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের নিকট অভিযোগ জানাতে হবে।

অধিদফতরে অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার সত্যতা নিরূপণে দুই পক্ষ থেকে শুনানি শেষে সংশ্লিষ্ট অনলাইন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানার আদেশ দিবেন। অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে জরিমানার টাকা আদায় শেষে ২৫ শতাংশ আদায়কৃত টাকা ক্ষতিগ্রস্ত ভোক্তা বা ক্রেতাকে প্রদান করা হবে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৪৪ ধারা মতে ‘কোনও ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ক্রেতা সাধারণকে প্রতারিত করার উদ্দেশ্যে কোনও পণ্য বা সেবা বিক্রয়ের জন্য অসত্য বা মিথ্যা বিজ্ঞাপন দেন এক্ষেত্রে তাকে অনূর্ধ্ব ১ বছর কারাদণ্ড অনধিক দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়