শিরোনাম
◈ বাংলাদেশে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা সতর্কতার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে না ইইউ ◈ সৌদি আরবে মাটির নিচে ২৪৪ টন সোনার খনির সন্ধান! ◈ ব্যালটের ডিজাইনে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে ◈ শিক্ষার্থীদের প্রতি বছর নতুন করে ভর্তি ফি নেওয়ার প্রথা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রতিবাদ শুরু ◈ ঢাকায় পরিত্যক্ত মার্কেট থেকে ভেসে আসছিল দুর্গন্ধ, অতঃপর... ◈ উত্তরায় এলিট ফোর্স সদস্যের শটগান ছিনতাই ◈ অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২ঢাকার ৪ থানায় অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৯ ◈ পুরস্কারের অর্থের কী হবে? ব্যাখ্যা দি‌লো নরওয়ের কমিটি ◈ ক্রিকেটার সূর্যকুমারকে নিয়ে মন্তব্য করে বিপদে খুশি মুখোপাধ্যায়, অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা ◈ যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়া ক্ষমতা দেখানোর প্রতিযোগিতায় নেমেছে

প্রকাশিত : ২৮ এপ্রিল, ২০২১, ০২:০৪ রাত
আপডেট : ২৮ এপ্রিল, ২০২১, ০২:৫৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অ্যাম্বুল্যান্স নাই, বাইকে করোনা রোগীর মৃতদেহ নিয়ে শ্মশানে

ডেস্ক রিপোর্ট : করোনার উপসর্গ দেখা দিতেই পরীক্ষা করিয়েছিলেন। তবে সে রিপোর্ট হাতে আসার আগেই মারা যান ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের এক মহিলা। কিন্তু অ্যাম্বুল্যান্স জোগাড় করতে না পেরে মোটরবাইকে করে ওই মহিলার দেহ নিয়ে শ্মশানে পৌঁছলেন পরিবারের লোকজন। মঙ্গলবার অন্ধ্রপ্রদেশের এই ছবিতেই ফুটে উঠেছে ওই রাজ্যের করোনা পরিস্থিতির বাস্তব চেহারা।

পুলিশ সূত্রে খবর, অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীকুলম জেলার মন্দাসা মণ্ডল গ্রামে কোভিডে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় ওই মহিলার। বেশ কিছুদিন ধরেই করোনার নানা উপসর্গ দেখা দিয়েছিল তাঁর। এর পর কোভিড পরীক্ষা করান তিনি। তবে নিজের কোভিড রিপোর্ট আর দেখে যেতে পারেননি। তার আগেই মহিলার শারীরিক অবস্থার অবনিত হতে থাকে। শেষমেশ মৃত্যু হয় মহিলার। এর পর মহিলার দেহ সৎকারের জন্য বিভিন্ন হাসপাতালে অ্যাম্বুল্যান্সের খোঁজ শুরু হয় পরিবারের। তবে কোনও ভাবেই তা জোগাড় করে উঠতে পারেননি পরিবারের সদস্যরা। এমনকি, অন্য কোনও গাড়ির মাধ্যমে দেহ শ্মশানের নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা যায়নি। অগত্যা ওই মহিলার দেহ বাইকে করে শ্মশানে নিয়ে যান মৃতার ছেলে এবং জামাই। মঙ্গলবার নেটমাধ্যমে এই ছবি ছড়িয়ে পড়েছে।

করোনার গ্রাসে দেশের অন্যান্য রাজ্যের মতোই রীতিমতো ধুঁকছে অন্ধ্রপ্রদেশ। মঙ্গলবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য় মন্ত্রক জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ওই রাজ্যে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ৯৮১ জন। ওই সময়ের মধ্যে মারা গিয়েছেন ৫১ জন কোভিড রোগী। রাজ্য প্রশাসন সূত্রে খবর, গত বছর করোনা মোকাবিলায় ১ হাজার ৮৮টি অ্যাম্বুল্যান্স-সহ ১০৪টি মোবাইল ইউনিটের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। চলতি বছরেও কোভিড রোগীদের চিকিৎসা পরিষেবার দেওয়ার যথাসম্ভব চেষ্টা করা হচ্ছে। তা সত্ত্বেও যে পরিস্থিতি কোনও ভাবেই আয়ত্তে আনা যাচ্ছে না, তা ফের এক বার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল এই ছবি।
সূত্র- আনন্দবাজার

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়