প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] কমলনগরে বিশুদ্ধ পানি ও তীব্র গরমে ডায়রিয়ার রোগির সংখ্যা বৃদ্ধি

আমজাদ হোসেন: [২] লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে ডায়রিয়ার রোগির সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। তীব্র গরম ও বিশুদ্ধ পানি সংকটের প্রভাবে এমনটাই হচ্ছে বলে ধারণা করছে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের চিকিৎসকরা। এর মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি দেখাচ্ছে।

[৩] উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও এলাকা থেকে গত সাপ্তাহে প্রায় ২৫০ জনের মত ডায়রিয়া রোগি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৯৫ জন রোগি ভর্তি রয়েছে। রোগির চাহিদা এতটাই বেশি তাদের হাসপাতাল ফ্লোর বা মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে।

[৪] শনিবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ৯৫জন রোগি রেজিস্টারকৃত ভর্তি চিকিৎসা চলছে। রোগির চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় চিকিৎসা দিতে ডাক্তার ও নার্সরা হিমশিমে পড়ছে।

[৫] এছাড়াও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ক্লিনিকগুলোতে খবর নিয়ে জানা যায় প্রতিদিন ডাইরিয়ার রোগির সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ঔষধ সংকট দেখা দিচ্ছে। প্রতিদিন প্রতিটি ক্লিনিকে ৮-১০ জন ডায়রিয়া রোগি চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন।

[৬] এসময় মেডিক্যাল অফিসার ডাক্তার আকিল আল ইসলাম জানান, করোনাকালীন মুহুর্তে ডায়রিয়া রোগির সংখ্যা বেড়েই চলছে। এখন পর্যন্ত হাসপাতালে রেখে এসব রোগিদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

[৭] স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু তাহের পাটোয়ারী জানান, হঠাৎ করে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও এলাকা থেকে ডায়রিয়া রোগির সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। করোনাকালীন সময়ে ডায়রিয়া রোগির চিকিৎসা নিয়ে ডাক্তার এবং নার্সরা বিপাকে পড়ে। তবে সব কিছু ঠিক রেখে যথাযথ ভাবে এসব রোগিদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

[৮] তিনি আরও জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মাত্র ৫০ শয্যা বিশিষ্টি। গত কয়েক দিনে ডায়রিয়া রোগির সংখ্যা দাড়ায় ২৫০ জন থেকে ৩ শত জনের। এরমধ্যে বর্তমানে ভর্তি রয়েছে ৯৫ জন।

[৯] ডায়রিয়া রোগির সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি জানান, বিশুদ্ধ পানি ও তীব্র গরমের কারণে এমনটা হচ্ছে। তবে বাহিরের অস্বাস্থ্যকর খাদ্যের কারণেও হতে পারে। বাহিরের খাবার ত্যাগ ও বিশুদ্ধ পানি পান করলে এর সঠিক সমাধান হতে পারে। এছাড়াও সবাইকে করোনাকালীন সময়ে স্বাস্থ্য সচেতন হতে হবে।

[১০] আবু তাহের আরও জানান, হাসপাতালে আপাতত মেডিকেল ডাক্তার সংকট নেই। তবে ২০ জন নার্সের মধ্যে মাত্র ০৮ নার্স রয়েছে। এতে রোগিদের সেবা সংকট দেখা দিচ্ছে। রোগিদের মেডিসিন চাহিদা আপাতত সংকট নেই। তবে মেডিসিন চাহিদা পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও উপজেলার প্রতিটি বাজারে যেন অন্তত একটি ফার্মেসি ২৪ ঘন্টা খোলা থাকে। সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সম্পাদনা: সাদেক আলী

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত