শিরোনাম
◈ ধর্ষণের ক্ষেত্রে দ্বিচারিতা চলতে পারে না, সব অপরাধেরই বিচার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সরকারি ব্যয় ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে সংশোধিত ও সম্পূরক বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী ◈ বি‌পিএলের দুরাবস্থা, ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের র‍্যাঙ্কিংয়ে সবার নিচে  ◈ সায়েদাবাদ, গুলিস্তান ও মহাখালী বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত, কোনটি কোথায় যাবে ◈ চীনা অর্থায়নে দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতুসহ ২০ মেগা প্রকল্পের পরিকল্পনা ◈ আধুনিক প্রযুক্তির লড়াইয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের রেকর্ড ভাঙল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ◈ ‘আমি মন্ত্রীর পিছে টাকা নিয়ে ঘুরিনি’: আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ◈ ব্রা‌জি‌লের বিরু‌দ্ধে মর‌ক্কো দ‌লের একাদশে ১১ জনই ছি‌লো জন্মসূত্রে বিদেশি, বিশ্বকাপে অনন্য কীর্তি ◈ অক্সফোর্ডে অনুষ্ঠান শেষে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের স্লোগান, পাল্টা হাসনাত আবদুল্লাহর ‘মিডল ফিঙ্গার’ প্রদর্শন ◈ রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে দ্রুত এআই ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ২২ এপ্রিল, ২০২১, ০২:৩০ রাত
আপডেট : ২২ এপ্রিল, ২০২১, ০২:৩০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাঁশখালীতে এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন বিদ্যুৎকেন্দ্র পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ আরো এক শ্রমিকের মৃত্যু

রিয়াজুর রহমান : বুধবার (২১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ)তে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিমুল আহমেদ (২৩) শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জহিরুল হক ভূঁইয়া জানান, বাঁশখালিতে পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষে আহত শিমুল আহমেদ নামে একজন মারা গেছেন। তিনি পেটে গুলিবিদ্ধ ছিলেন।

যেদিন হাসপাতালে আনা হয়েছিল সে দিন প্রথমে ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি দেওয়া হয়। একই দিন অবস্থার অবনতি হলে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। আজ (২১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আইসিইউতে তার মৃত্যু হয়েছে। তার মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

তবে এ নিয়ে এখন পর্যন্ত গুলিবিদ্ধ ৬ জনের মৃত্যু হল বলে জানা গেছে।

নিহত শিমুল সিলেটের মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থানার জানাহুরা এলাকার আবদুল মালেকের ছেলে।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন বেসরকারী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এস এস পাওয়ার প্লান্টে কর্মরত বাঙ্গালী শ্রমিকদের বেতন ভাতা নিয়ে বিক্ষোভ চলছিল। গত (১৬ এপ্রিল) শুক্রবার থেকে শ্রমিকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এর জেরে পরদিন শনিবার সকালে প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন শ্রমিক নেতারা। বৈঠক চলার সময় দাবি-দাওয়া আদায় নিয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এক পর্যায়ে দুপুর পৌনে ১২টার দিকে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় পুলিশ গুলি ছুঁড়লে ঘটনাস্থলেই চারজন নিহত হন। আহত হন অন্তত ২৫জন। পরে বিকেলে চমেক হাসপাতালে মারা যান আরো একজন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়