শিরোনাম
◈ নিউইয়র্কে অপ্রীতিকর ঘটনার পর এখন কেমন আছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস, যা জানালেন লামিয়া মোর্শেদ ◈ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি নীতিমালা প্রকাশ: প্রথম শ্রেণিতে লটারি, দ্বিতীয়-নবম শ্রেণিতে লিখিত পরীক্ষা ◈ সংবিধান সংশোধনে বিরোধী দলকে আবারও আলোচনায় আসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ◈ বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে দরপত্রের নথি কিনেছে ৩ বিদেশি কোম্পানি ◈ জমি জটিলতায় দুই বছরেও খনন হয়নি সিলেটের ২ গ্যাস কূপ, ঝুঁকিতে ৫৬ বিসিএফ গ্যাস উৎপাদন! ◈ ঢাকা-কুমিল্লা উড়াল রেলপথে ব্যয় ৮৪ হাজার কোটি টাকা, কমবে চট্টগ্রামের দূরত্ব ◈ এসএসসিতে দুই বিষয়ে ফেল করলেই ১৫ দিনের মধ্যে আবার পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী ◈ হামলার ভয়ে এক প্রাসাদ থেকে অন্য প্রাসাদে ছুটছেন সৌদি যুবরাজ ◈ জা‌র্সিতে থাকা সৌদি আরবের পতাকায় চুমু খেলেন ক্রিশ্চিয়া‌নো রোনালদো  ◈ সৌদি-হুথি সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বড় অর্থনৈতিক সংকটে পড়তে পারে বাংলাদেশ

প্রকাশিত : ২২ এপ্রিল, ২০২১, ০২:৩০ রাত
আপডেট : ২২ এপ্রিল, ২০২১, ০২:৩০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাঁশখালীতে এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন বিদ্যুৎকেন্দ্র পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ আরো এক শ্রমিকের মৃত্যু

রিয়াজুর রহমান : বুধবার (২১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ)তে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিমুল আহমেদ (২৩) শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জহিরুল হক ভূঁইয়া জানান, বাঁশখালিতে পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষে আহত শিমুল আহমেদ নামে একজন মারা গেছেন। তিনি পেটে গুলিবিদ্ধ ছিলেন।

যেদিন হাসপাতালে আনা হয়েছিল সে দিন প্রথমে ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি দেওয়া হয়। একই দিন অবস্থার অবনতি হলে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। আজ (২১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আইসিইউতে তার মৃত্যু হয়েছে। তার মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

তবে এ নিয়ে এখন পর্যন্ত গুলিবিদ্ধ ৬ জনের মৃত্যু হল বলে জানা গেছে।

নিহত শিমুল সিলেটের মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থানার জানাহুরা এলাকার আবদুল মালেকের ছেলে।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন বেসরকারী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এস এস পাওয়ার প্লান্টে কর্মরত বাঙ্গালী শ্রমিকদের বেতন ভাতা নিয়ে বিক্ষোভ চলছিল। গত (১৬ এপ্রিল) শুক্রবার থেকে শ্রমিকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এর জেরে পরদিন শনিবার সকালে প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন শ্রমিক নেতারা। বৈঠক চলার সময় দাবি-দাওয়া আদায় নিয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এক পর্যায়ে দুপুর পৌনে ১২টার দিকে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় পুলিশ গুলি ছুঁড়লে ঘটনাস্থলেই চারজন নিহত হন। আহত হন অন্তত ২৫জন। পরে বিকেলে চমেক হাসপাতালে মারা যান আরো একজন।

  • সর্বশেষ