শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই ◈ ক্যাশলেস অর্থনীতির পথে বাংলাদেশ, ১ জুলাই থেকে বাধ্যতামূলক বাংলা কিউআর ◈ চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শুরু, ১৫ সমঝোতা স্মারকে সই করবে বাংলাদেশ ◈ চীনা কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে তাদের ভ্যালুচেইন সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ৪ কোটি লিটার তেল ও ২২ হাজার ৫০০ টন ডাল কিনবে সরকার ◈ জুলাইয়ে চালু হচ্ছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার ◈ চীনা বিনিয়োগ আকর্ষণে নতুন উদ্যোগ, ১৫ দিনেই মিলবে ব্যবসার লাইসেন্স ◈ খেলা দেখাই চাকরি, বিশ্বকাপে ৫০ হাজার ডলার পাচ্ছেন দুই ফুটবলপ্রেমী, ভাইরাল দুই সমর্থকের গল্প ◈ ভেনেজুয়েলায় জরুরি অবস্থা জারি, বন্ধ স্কুল-বিমানবন্দর ও রেল চলাচল স্থগিত ◈ চীনে খুলছে বাংলাদেশের প্রথম বিনিয়োগ অফিস, বাড়বে শিল্প সহযোগিতা, কোম্পানিগুলোকে অংশীদার হওয়ার আহ্বান তারেক রহমানের

প্রকাশিত : ২১ এপ্রিল, ২০২১, ১২:২৫ দুপুর
আপডেট : ২১ এপ্রিল, ২০২১, ০৪:৫৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] করোনার দ্বিতীয় ঢেউ কেড়ে নিয়ে গেল কবি শঙ্খ ঘোষকে

মেহেদী হাসান: [২] চলে গেলেন শঙ্খ ঘোষ। শক্তি-সুনীল-শঙ্খ-উৎপল-বিনয়, জীবনানন্দ পরবর্তী বাংলা কবিতার এই পঞ্চপান্ডবের বাকি চার জন চলে গিয়েছিলেন আগেই। আজ চলে গেলেন শঙ্খ ঘোষ। বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর।করোনা আক্রান্ত ছিলেন তিনি। এমনিতেই বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন কবি, যা শারীরিক ভাবে দুর্বল করে দিয়েছিল তাঁকে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে এ বছর জানুয়ারি মাসে হাসপাতালেও ভর্তি করতে হয় তাঁকে।

[৩] পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে যে হাসপাতালে যাওয়ার ঘোর বিরোধী ছিলেন। সেই কারণে বাড়িতেই রাখা হয়েছিল তাঁকে। হোম আইসোলেশনে ছিলেন তিনি। চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবার শারীরিক অবস্থার বেশ অবনতি হয় তাঁর। বুধবার ভেন্টিলেশনে দেওয়া তাঁকে। বুধবার সকালের দিকে অবস্থার আরও অবনতি হয়। কিন্তু চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে চলে গেলেন কবি। বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ ভেন্টিলেটর খুলে নেওয়া হয়। আরও জানা গেছে যে এদিন সকাল আটটা নাগাদ মৃত্যু হয় তাঁর। ভোরের দিক থেকেই শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা অনেক কমে যায়। গত কয়েকদিন ধরেই অক্সিজেনের মাত্রা বেশ ওঠানামা করছিল। এদিন সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ খুলে নেওয়া হয় শঙ্খ ঘোষের ভেন্টিলেটর।

[৪] দীর্ঘ কর্মজীবনে নানা ভূমিকায় দেখা গিয়েছে শঙ্খ ঘোষকে। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্বভারতীর মতো প্রতিষ্ঠানে অধ্যাপনাও করেছেন। ইউনিভার্সিটি অব আইওয়ায় ‘রাইটার্স ওয়ার্কশপ’-এও শামিল হন। বছর দুয়েক আগে ‘মাটি’ নামের একটি কবিতায় কেন্দ্রীয় সরকারের সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধেও গর্জে উঠেছিলেন তিনি।

[৫] বাংলা কবিতার জগতে শঙ্খ ঘোষের অবদান কিংবদন্তিপ্রতিম। ‘দিনগুলি রাতগুলি’, ‘বাবরের প্রার্থনা’, ‘মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে’, ‘গান্ধর্ব কবিতাগুচ্ছ’ তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞ হিসেবেও তাঁর প্রসিদ্ধি সর্বজনবিদিত।

[৬] দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে একাধিক সম্মানে সম্মানিত হয়েছেন শঙ্খ ঘোষ। ১৯৭৭ সালে ‘বাবরের প্রার্থনা’ কাব্যগ্রন্থটির জন্য তিনি দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরস্কার সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার পান। ১৯৯৯ সালে কন্নড় ভাষা থেকে বাংলায় ‘রক্তকল্যাণ’ নাটকটি অনুবাদ করেও সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার পান তিনি। এ ছাড়াও রবীন্দ্র পুরস্কার, সরস্বতী সম্মান, জ্ঞানপীঠ পুরস্কার পেয়েছেন।
২০১১ সালে তাঁকে পদ্মভূষণে সম্মানিত করে তৎকালীন কেন্দ্রীয় সরকার। তাঁর প্রকৃত নাম চিত্তপ্রিয় ঘোষ। ১৯৩২ সালের ৫ ফেব্রæয়ারি তিনি বাংলাদেশের চাঁদপুরে জন্মগ্রহণ করেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়