শিরোনাম
◈ এসএসসির ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করবেন যেভাবে ◈ সৌদিতে নিহতদের মরদেহ দেশে ফেরাতে ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কর্নেল অলি আহমদ প্রার্থী, মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করল ১১ দলীয় ঐক্য ◈ পরীক্ষায় ফেল বা খারাপ মানেই শেষ নয়, ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ এখনই ◈ পরীক্ষায় ফেল করেও যেভাবে বিশ্বজয় করলেন তারা! ◈ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক ◈ চলতি বছর এসএসসি ফলে ইংরেজি-গণিতে বেশি ফেল, আইসিটিতে সর্বোচ্চ পাস ◈ রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলের নাম প্রায়  চূড়ান্ত, বিএনপির নতুন মহাসচিব কে? ◈ সে‌প্টেম্ব‌রে ভারতীয় দল বাংলা‌দে‌শ সফর করতে মো‌দির কা‌ছে অনু‌মো‌তি চাইবে বি‌সি‌সিআই ◈ এক বছরে ৩০ বার বন্ধ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র, দেশে লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি

প্রকাশিত : ২১ এপ্রিল, ২০২১, ১২:২৫ দুপুর
আপডেট : ২১ এপ্রিল, ২০২১, ০৪:৫৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] করোনার দ্বিতীয় ঢেউ কেড়ে নিয়ে গেল কবি শঙ্খ ঘোষকে

মেহেদী হাসান: [২] চলে গেলেন শঙ্খ ঘোষ। শক্তি-সুনীল-শঙ্খ-উৎপল-বিনয়, জীবনানন্দ পরবর্তী বাংলা কবিতার এই পঞ্চপান্ডবের বাকি চার জন চলে গিয়েছিলেন আগেই। আজ চলে গেলেন শঙ্খ ঘোষ। বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর।করোনা আক্রান্ত ছিলেন তিনি। এমনিতেই বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন কবি, যা শারীরিক ভাবে দুর্বল করে দিয়েছিল তাঁকে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে এ বছর জানুয়ারি মাসে হাসপাতালেও ভর্তি করতে হয় তাঁকে।

[৩] পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে যে হাসপাতালে যাওয়ার ঘোর বিরোধী ছিলেন। সেই কারণে বাড়িতেই রাখা হয়েছিল তাঁকে। হোম আইসোলেশনে ছিলেন তিনি। চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবার শারীরিক অবস্থার বেশ অবনতি হয় তাঁর। বুধবার ভেন্টিলেশনে দেওয়া তাঁকে। বুধবার সকালের দিকে অবস্থার আরও অবনতি হয়। কিন্তু চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে চলে গেলেন কবি। বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ ভেন্টিলেটর খুলে নেওয়া হয়। আরও জানা গেছে যে এদিন সকাল আটটা নাগাদ মৃত্যু হয় তাঁর। ভোরের দিক থেকেই শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা অনেক কমে যায়। গত কয়েকদিন ধরেই অক্সিজেনের মাত্রা বেশ ওঠানামা করছিল। এদিন সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ খুলে নেওয়া হয় শঙ্খ ঘোষের ভেন্টিলেটর।

[৪] দীর্ঘ কর্মজীবনে নানা ভূমিকায় দেখা গিয়েছে শঙ্খ ঘোষকে। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্বভারতীর মতো প্রতিষ্ঠানে অধ্যাপনাও করেছেন। ইউনিভার্সিটি অব আইওয়ায় ‘রাইটার্স ওয়ার্কশপ’-এও শামিল হন। বছর দুয়েক আগে ‘মাটি’ নামের একটি কবিতায় কেন্দ্রীয় সরকারের সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধেও গর্জে উঠেছিলেন তিনি।

[৫] বাংলা কবিতার জগতে শঙ্খ ঘোষের অবদান কিংবদন্তিপ্রতিম। ‘দিনগুলি রাতগুলি’, ‘বাবরের প্রার্থনা’, ‘মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে’, ‘গান্ধর্ব কবিতাগুচ্ছ’ তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞ হিসেবেও তাঁর প্রসিদ্ধি সর্বজনবিদিত।

[৬] দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে একাধিক সম্মানে সম্মানিত হয়েছেন শঙ্খ ঘোষ। ১৯৭৭ সালে ‘বাবরের প্রার্থনা’ কাব্যগ্রন্থটির জন্য তিনি দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরস্কার সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার পান। ১৯৯৯ সালে কন্নড় ভাষা থেকে বাংলায় ‘রক্তকল্যাণ’ নাটকটি অনুবাদ করেও সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার পান তিনি। এ ছাড়াও রবীন্দ্র পুরস্কার, সরস্বতী সম্মান, জ্ঞানপীঠ পুরস্কার পেয়েছেন।
২০১১ সালে তাঁকে পদ্মভূষণে সম্মানিত করে তৎকালীন কেন্দ্রীয় সরকার। তাঁর প্রকৃত নাম চিত্তপ্রিয় ঘোষ। ১৯৩২ সালের ৫ ফেব্রæয়ারি তিনি বাংলাদেশের চাঁদপুরে জন্মগ্রহণ করেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়