শিরোনাম
◈ নতুন সরকারের সামনে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ, পোশাক খাতে শঙ্কা: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের বিশ্লেষণ ◈ পদত্যাগ করলেন ঢাবি ভিসি অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান ◈ বগুড়া ও শেরপুরের উপনির্বাচন কবে নাগাদ, জানালো ইসি ◈ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল বিষয়ে সভা ◈ জামায়াত আমিরের স্ত্রীসহ সংরক্ষিত মহিলা আসনে আলোচনায় যারা ◈ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ ◈ নগদে বিনিয়োগে আগ্রহী জামায়াতের এমপি ব্যারিস্টার আরমান! ◈ মদকাণ্ডে আটকের খবরে তোলপাড়, যা বললেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী! ◈ গ্রোসারি শপ, চা-পান চটপটি-ফুচকাসহ দেশি খাবারের সমাহার, প্রাচীন সভ্যতার দেশে যেন এক টুকরো বাংলাদেশ! ◈ ইরানে শোক র‍্যালিতে শিক্ষার্থীদের সরকারবিরোধী বিক্ষোভ

প্রকাশিত : ১৯ এপ্রিল, ২০২১, ১১:৫৮ রাত
আপডেট : ১৯ এপ্রিল, ২০২১, ১১:৫৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চট্টগ্রামে বিএনপি- পুলিশ সংঘর্ষে ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত নগর মহিলা দলের পাঁচ নেত্রী জামিনে মুক্তি

রিয়াজুর রহমান: সোমবার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগর মহানগর মহিলা দলের সভানেত্রী মনোয়ারা বেগম মনি (৫২), আঁখি সুলতানা (৪২), দেওয়ান মাহমুদা আক্তার লিটা (৩৫), রিনা বেগম (৪০) ও ফাতিমা কাজল (৩৫), চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ বলেন, সোমবার (১৯ এপ্রিল) সন্ধার পর চট্টগ্রাম মহানগর  মহিলা দলের সভানেত্রী মোনোয়ারা বেগম মণিসহ পাঁচ নেত্রী কারাগার  থেকে মুক্তি পেয়েছেন।

এর আগে দুপুরে চট্টগ্রামের মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শফি উদ্দিন ভার্চুয়াল আদালতে আসামীদের জামিনের আদেশ দেন।

দুপুরে আসামিদের আইনজীবী বদরুল আনোয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, করোনার কারণে আসামিদের কারাগারে রেখেই আমরা ভার্চুয়ালি শুনানি করেছি। কোতোয়ালী থানার ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মামলায় ডা. শাহাদাত হোসেনসহ মহিলা দলের পাঁচ নেত্রীর শুনানি শেষে প্রত্যেকের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। তবে শাহাদাতের আরও দুই মামলার জামিন শুনানি হয়নি।

উল্লেখ্য, গত ২৯ মার্চ দুপুর তিন টায় চট্টগ্রাম নগর বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশে পুলিশের সাথে বিএনপি নেতাকর্মীদের ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে নগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাতসহ ১৭ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ওই দিন গভীর রাতে সংঘর্ষের ঘটনায় দু'টি মামলা দায়ের করে পুলিশ। একটি কোতোয়ালী থানা পুলিশের পক্ষ থেকে অন্যটি ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে। প্রত্যেক মামলাতেই নগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন, দক্ষিণ জেলার আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান ও নগর কমিটির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর, নগর যুবদলের সভাপতি-সেক্রেটারি, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি-সেক্রেটারি, ছাত্রদলের সভাপতি-সেক্রেটারিসহ নগর বিএনপির শীর্ষ ৫৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়