শিরোনাম
◈ বোয়িং থেকে পরমাণু সহযোগিতা, তারেক রহমানের জাতিসংঘ সফরে কী কী অর্জন হলো? ◈ বেদখল জমি ৩ মাসে ফেরত, সুফল পাচ্ছেন ভুক্তভোগীরা ◈ কোটি টাকার রাজস্বেও নাগরিক সুবিধাহীন শালবাহান হাট : টয়লেট-পানির সংকট, ময়লায় নাকাল ক্রেতা-বিক্রেতা ◈ নয়াদিল্লির বাইরে নতুন রূপরেখায় বহুমাত্রিক পররাষ্ট্রনীতি সাজাচ্ছে বাংলাদেশ ◈ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশ সরকারের ◈ বিদেশে যাওয়ার আগে দক্ষতা প্রশিক্ষণ নেই দুই-তৃতীয়াংশ বাংলাদেশি কর্মীর, বেতন-বৈষম্যে পিছিয়ে ◈ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে নিয়োগপত্র না পাওয়া নিয়ে বিভ্রান্তি, দ্রুতই দেওয়া হবে: প্রার্থীদের আশ্বস্ত করলেন শিক্ষামন্ত্রী ◈ খুঁটির সঙ্গে বাঁধা বাবা, রুটি-চা এনে নিজের হাতে খাওয়াল ছোট্ট মেয়ে ◈ জাসদ কার্যালয়ে গোপন বৈঠক থেকে আ.লীগের শতাধিক নেতাকর্মী আটক ◈ গণমাধ্যমের সঙ্গে সংঘাতে জড়ানো গণতান্ত্রিক সরকারের পথ নয়: তথ্য উপদেষ্টা

প্রকাশিত : ১৬ এপ্রিল, ২০২১, ১১:৩৩ দুপুর
আপডেট : ১৬ এপ্রিল, ২০২১, ১১:৩৮ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রমজানে জুমার ফজিলত

ডেস্ক রিপোর্ট: রমজান মাসে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজসহ তারাবি, তাহাজ্জুদ, সুন্নত ও নফল নামাজ আদায়ের গুরুত্ব অনেক বেশি। আর রমজান মাসের জুমাবার মুসলমানদের জন্য আরো বেশি গুরুত্ব ও ফজিলতপূর্ণ একটি দিন।

ইসলামের দৃষ্টিতে জুমার দিনটি অনেক বরকতময় ও তাৎপর্যপূর্ণ। মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালা এ দিনকে অন্যান্য দিনের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন।

পবিত্র রমজানের জুমার দিন হওয়ায় এর ফজিলত ও গুরুত্ব আরো অনেকগুণ বেশি। পবিত্র কোরআন ও হাদীসে জুমার দিনের বহু ফজিলত বর্ণিত হয়েছে।

আল্লাহ তায়ালা এই দিনের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে কোরআনে ইরশাদ করেন, ‘মুমিনগণ! জুমার দিনে যখন নামাজের আজান দেওয়া হয়, তখন তোমরা আল্লাহর ইবাদতের জন্য দ্রুত যাও এবং বেচাকেনা বন্ধ করো। এটা তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা বোঝ।’ সূরা জুমা: ০৯।

হাদিসে বলা হয়েছে, আব্দুল্লাহ্ ইবনে ইউসুফ (রা.) ও আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন জানাবত (ফরজ) গোসলের মত গোসল করে সালাতের জন্য আগমণ করে, সে যেন একটি উট কুরবানী করল।

যে ব্যক্তি দ্বিতীয় পর্যায়ে আগমণ করে, সে যেন একটি গাভী কুরবানী করল। যে ব্যক্তি তৃতীয় পর্যায়ে যে আগমণ করে, সে যেন একটি শিং বিশিষ্ট দুম্বা কুরবানী করল। চতুর্থ পর্যায়ে যে আগমণ করে সে যেন একটি মুরগী কুরবানী করল।

পঞ্চম পর্যায়ে যে আগমণ করল সে যেন একটি ডিম কুরবানী করল। পরে ইমাম যখন খুতবা প্রদানের জন্য বের হয় তখন ফেরেশতাগণ জিকির শোনার জন্য হাজির হয়ে থাকেন।

ইসলামি শরিয়তের বিধানে জুমার দিনের মাহাত্ম্য সীমাহীন। এই দিন মানব জাতির আদি পিতা- হজরত আদম (আ.) এর দেহের বিভিন্ন অংশ সংযোজিত বা জমা করা হয়েছিল বলেই দিনটির নাম জুমা রাখা হয়েছে।

জুমার দিনকে আল্লাহ তায়ালা সীমাহীন বরকত দ্বারা সমৃদ্ধ করেছেন। এটি সপ্তাহের সেরা দিন। হাদিস শরিফের বর্ণনা অনুযায়ী এই বরকতময় দিনটি আল্লাহ তায়ালা বিশেষভাবে উম্মতে মুহাম্মদিকে (সা.) দান করেছেন।

নবি করিম (সা.) ইরশাদ করেন, সর্বাপেক্ষা উত্তম ও বরকতময় দিন হচ্ছে জুমার দিন। এই পবিত্র দিনে হজরত আদম (আ.) কে সৃষ্টি করা হয়েছিল এবং এই দিনে তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়। (মুসলিম শরিফ)

এছাড়াও হাদিস শরিফে জুমার দিনকে সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলে ঘোষণা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, জুমা তোমাদের পারস্পরিক দেখা সাক্ষাত ও সাপ্তাহিক ঈদের দিন। তাই এই দিনটি রোজার জন্য নির্ধারিত করা সমীচীন নয়।

জুমার আগের রাত্রিটিও বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। হাদিস শরিফে বলা হয়েছে, জুমার পূর্ববর্তী রাতে বনি আদমের সমস্ত আমল মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে পেশ করা হয়। (বুখারি, আহমদ)

সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল

 

  • সর্বশেষ