শিরোনাম
◈ সরকারি দপ্তরে ঘুষ-খরচ কমলে শ্রমিকদের ৩০-৪০ হাজার টাকা বেতন দেওয়া সম্ভব: মাসুদুজ্জামান ◈ দুই দশকের বেশি সময়েও থামেনি রাজনৈতিক সহিংসতা, সরকার বদলালেও বদলায়নি সংঘাতের চিত্র ◈ সাধারণ লবণের বদলে পটাশিয়ামসমৃদ্ধ লবণ ব্যবহারে বছরে ৩০ লাখ মৃত্যু ঠেকানো সম্ভব: গবেষণা ◈ হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি উৎস হিসেবে বিশ্ববাজারে গুরুত্ব বাড়ছে আফ্রিকার, বাড়ছে বিনিয়োগ! ◈ গাজীপুরের শ্রীপুর সাফারি পার্কে বিলুপ্তপ্রায় নীলগাইয়ের ঘরে একসঙ্গে ৪ শাবকের জন্ম, বেড়ে সংখ্যা ১৩ ◈ প্রবাসীর টাকায় পড়াশোনা করে সরকারি চাকরি, সহকর্মীকে বিয়ের পর কারাগারে শিক্ষিকা-প্রেমিক ◈ দেশে আমদানি নির্ভরতা কমাতে ভোলা-চট্টগ্রাম-নরসিংদীতে ৩ নতুন সার কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ সরকারের ◈ ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা কি সত্যিই সম্ভব, প্রত্যর্পণ ও ট্রাভেল পাস নিয়ে যত জটিলতা ◈ সিঙ্গাপুর হংকং লন্ডন নিউইয়র্কের বাজারে ১ বিলিয়ন ডলারের সার্বভৌম বন্ড ছাড়ছে বাংলাদেশ, দায়িত্বে জেপি মরগান চেজ ◈ নোংরা মোজায় লুকিয়ে জার্মানিতে পাচার হচ্ছিল ৩০০০ মাকড়সা, মূল্য ১৫ লাখ ইউরো

প্রকাশিত : ১৫ এপ্রিল, ২০২১, ০৫:৪৫ বিকাল
আপডেট : ১৫ এপ্রিল, ২০২১, ০৫:৪৫ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] সিলেটে চালের বাজারে নেই সরকারি নজরদারি , ইচ্ছে মত দামে চাল বেচা কেনা

আবুল কাশেম : [২] বাজারে চালের কোনো সংকট না থাকলেও বিক্রি হচ্ছে চওড়া দামে। সিলেটের চাল ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে চালের দাম বাড়ানোর অভিযোগ উঠেছে।

[৩] এদিকে সিলেটের চাল ব্যবসায়ীরা জানান, রাজধানী সহ চালের মোকাম খ্যাত নওগাঁ, নাটোর,দিনাজপুর,কুষ্টিয়া ও জয়পুরহাটে আড়তে দাম বড়লে তার প্রভাব সারা দেশ সহ সিলেটে পড়ে। তারা উল্লেখ্য করেন, কমিশনের বিনিময়ে সিলেটের চাল ব্যবসায়ীরা বিক্রি করেন। চালের দাম বাড়লে তাদের কোন লাভ নেই।

[৪] খুচরা ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, গত সপ্তাহে লকডাউন ঘোষণায় চালের বিক্রিতে চাপ বেড়েছে। হুট করে বাড়তি চাহিদা দেখা দেয় সিলেটে। এ সময় নানা মুখী গুজব ও ছড়ায় চারদিকে। তাই তারাও বাড়তি দামে চাল ক্রয় করতে হয়েছে। বিক্রি ও করছেন বেশি দামে।

[৫] বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) সিলেটের বিভিন্ন বাজারে ঘুরে দেখা যায়, দাম বাড়ার এই তালিকায় রয়েছে মাঝারি মানের পাইজাম, লতা ও মোটাচাল। এখন মাঝারি মানের চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৬ থেকে ৬০ টাকা, যার আগে দাম ছিল ৫৪ থেকে ৫৬ টাকা। মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে বর্তমান বাজারে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, যার আগের দাম ছিল ৪৫ থেকে ৫২ টাকা। মিনিকেট ও নাজিরশাইল বিক্রি হচ্ছে ৬৬ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে। বিধিনিষেধ ঘোষণার আগে ছিল ৬৪ থেকে ৬৬ টাকা কেজি।

[৬] টিসিবির তথ্যমতে,বাজারে মিনিকেট ও নাজিরশাইল বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা কেজি দরে। যদিও এই দরে দেশের কোথাও নাজিরশাইল বা মিনিকেট চালা পাওয়া যায় না। টিসিবি বলছে, এক মাসের ব্যবধানে মোটা চালের দাম ২ দশমিক শূণ্য ৮ শতাংশ বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ৪৬ থেকে ৫২ টাকা দরে। মাঝারি মানের চাল ১ দশমিক ৮২ শতাংশ বেড়ে কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫২ থেকে ৬০ টাকায়।

[৭] এদিকে লকডাউন অপর দিকে রমজান মাস থাকায় সাধারণ মানুষের উপর চাপ বেড়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি চাপের মুখে মধ্যত্তরা ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা।

[৮] খদ্য মন্ত্রণালয় বিভিন্ন শর্তে দেখা যায় বেসরকারি পর্যায়ে ৩২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ১০ লাখ ১৪ হাজার ৫০০ টন চাল আমদানি অনুমুতি দিয়েছে। যা দেশের বাজারে প্রবেশের প্রক্রিয়ায় আছে। তবে চালের বাজারে এই মুহুর্তে কোন সংকট নেই । তারপর নানা অজুহাত দেখিয়ে সিলেটের ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিয়েছে চালের বাজারে।

  • সর্বশেষ