প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] কিশোরগঞ্জে হেফাজত-বিএনপির বিরুদ্ধে ৫ মামলায় সাড়ে ৮ হাজার আসামি

তন্ময় আলমগীর: [২] বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় চারটি ও কটিয়াদী মডেল থানায় একটি মামলা করা হয়। এই মামলাগুলোতে এখন পর্যন্ত ১৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

[৩] এছাড়া একইদিন আওয়ামী লীগ অফিসে হেফাজতের হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় জেলা আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক আহমেদ উল্লাহ বাদী হয়ে মামলা করেন। এতে এক হাজার অজ্ঞাতনামাকে আসামি করা হয়।

[৪] পুলিশ জানায়, হরতালের দিন শহরের বিভিন্ন স্থানে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় মডেল থানায় পুলিশ বাদী হয়ে তিনটি দায়ের করে। এই মামলাগুলোতে হেফাজত-বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মীর নামসহ প্রায় সাড়ে চার হাজার জনকে আসামি করা হয়।

[৫] এর আগে গত রোববার (২৮ মার্চ) কিশোরগঞ্জ শহরের পুরান থানা, বড়বাজার, গৌরাঙ্গবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় গত সোমবার (২৯ মার্চ) কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় দু’টি মামলা হয়। বড় বাজার পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক সোহরাব হোসেন বাদী হয়ে দায়েরকৃত মামলায় ২৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আড়াই হাজার জনকে আসামি করা হয়।

[৬] একইদিন কিশোরগঞ্জ মডেল থানার পরিদর্শক জয়নাল আবেদীন বাদী হয়ে ৩৮ জনের নামসহ অজ্ঞাত ২৫০ জনের নামে মামলা করেন।

[৭] শহরের একরামপুর ও পুরান থানা এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাদের ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনায় বুধবার (৩১ মার্চ) কিশোরগঞ্জ মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) পল্লব সরকার বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। এ মামলায় ৫৪ জনের নাম উল্লেখসহ ১৮০০ অজ্ঞাতনামা লোকজনকে আসামি করা হয়। এসব মামলায় অন্তত ২৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

[৮] পুলিশ সুপার মাশরুকুর রহমান খালেদ জানান, হেফাজত ও বিএনপির নেতাকর্মীরা বিনা উস্কানিতে পুলিশের ওপর হামলা করে। জেলা আওয়ামী লীগ অফিসসহ কয়েকটি স্থানে ব্যাপক তাণ্ডব চালায় তারা। এসব ঘটনায় পাঁচটি মামলা হয়েছে। আরও দু’টি মামলা হবে।

[৯] এসব মামলার আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। তবে বর্তমানে শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত