শিরোনাম
◈ ঈদে চন্দ্রা টার্মিনালে ঘরমুখী মানুষের চাপ, ১০ কিমি দীর্ঘ যানজট ◈ শিলাবৃষ্টি ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ না ফেরার দেশে অভিনেতা শামস সুমন ◈ ইরান-ইসরাইল-মার্কিন যুদ্ধে ভারতের ওপর ৫০ বিলিয়ন ডলারের ধাক্কা ◈ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে বরফ গলছে! ◈ যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নাকচ, কঠোর অবস্থানে মোজতবা খামেনি ◈ এক দশকে বাংলাদেশের অর্ধেক তরুণ চাকরি পাননি: বিশ্বব্যাংক ◈ নববর্ষে চালু হচ্ছে কৃষক কার্ড, প্রথম ধাপে ২১ হাজার কৃষক পাচ্ছেন সহায়তা ◈ ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা লারিজানিকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের ◈ মশক নিধনে ঢাকার দুই সিটিকে কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দেশীয় প্রযুক্তিতে জোর

প্রকাশিত : ২৭ মার্চ, ২০২১, ০২:১৭ রাত
আপডেট : ২৭ মার্চ, ২০২১, ০২:১৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আবু রুশদ: মুক্তিযুদ্ধে প্রথম শহীদ সেনা কর্মকর্তা-লে.কর্নেল এম আর চৌধুরী

আবু রুশদ: লে.কর্নেল এম আর চৌধুরী। ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কর্মকর্তা। চট্টগ্রাম সেনানিবাসে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টারে কর্মরত ছিলেন ১৯৭১ সালে। তিনি ছিলেন জেনারেল জিয়ার সিনিয়র। তাই তার নেতৃত্বেই বাঙালি অফিসারদের মধ্যে সেখানে যতো কথা,আলোচনা ও পরিকল্পনা হতো। পাকসেনা গোয়েন্দারা তার ওপর রাখছিলো সতর্ক নজর। পূর্ব পাকিস্তানে কুখ্যাত অপারেশন সার্চ লাইট শুরু হলে মধ্যরাতে পাকিস্তানি সেনারা লে.কর্নেল এম আর চৌধুরীকে অফিসার মেসে তার রুম থেকে ধরে নিয়ে হত্যা করে। শহীদ কর্নেল চৌধুরীর মরদেহের কোনো সন্ধান আর পাওয়া যায়নি। পাকিস্তানিরা তাকে বাঙালি অফিসার ও সৈনিকদের যেকোনো পরিকল্পনার মূল ‘ষড়যন্ত্রকারী’ হিসাবে মনে করতো। তাই কোনো সুযোগ না দিয়ে তাকে সিম্পলি গায়েব করে দেয়। বলা যায় মুক্তিযুদ্ধের প্রথম শহীদ সেনা কর্মকর্তা তিনি। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় সিনিয়র ছিলেন তদানিন্তন মেজর জিয়া। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর লে. কর্নেল এম আর চৌধুরীর বড় ছেলে মাহমুদুর রহমান চৌধুরীও সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। অত্যন্ত মেধাবী হিসেবে তিনি সেনাবাহিনীতে পরিচিত ছিলেন।

কর্নেল পদে অবসরে যান বহু বছর আগে, ২০০০ সালে।

[১] লে.কর্নেল এম আর চৌধুরী-ডানে দাঁড়ানো, তার ব্যাটালিয়নের বড় খানায়। তার ডান পাশে লে. জে. খাজা ওয়াসীউদ্দিন।

[২] তার বড় ছেলে কর্নেল মাহমুদুর রহমান চৌধুরী, লে. কর্নেল থাকাকালীন পার্বত্য চট্টগ্রামে যুদ্ধরত-বামে মাচার ওপর বসা অবস্থায়। ছবিগুলো কর্নেল মাহমুদুর রহমান চৌধুরীর সৌজন্যে প্রাপ্ত। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়