প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] সুপরিকল্পিতভাবে নতুন প্রজন্মকে ভ্রান্ত ইতিহাস জানানো হচ্ছে: মির্জা ফখরুল

শিমুল মাহমুদ: [২] বিএনপি মহাসচিব বলেছেন, আওয়ামী লীগ কী করেছে? আওয়ামী লীগ অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে এই নতুন প্রজন্মকে সেই ইতিহাস থেকে বঞ্চিত করে তাদেরকে ভ্রান্ত ইতিহাস দিচ্ছে। ধারণা দিচ্ছে যে, একটি মাত্র দল, একজনই মাত্র ব্যক্তি আর একটি গোষ্ঠী যারা এদেশের সব কিছু এনে দিয়েছে। স্বাধীনতা এনে দিয়েছে, উন্নয়ন এনে দিয়েছে, মানুষের অধিকারগুলো এনে দিয়েছে।

[৩] মিথ্যা ইতিহাস দিয়ে তারা প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করছে। আমরা সেই ধারণা, সেই সত্যটা তুলে ধরতে চাই। তাদের বক্তব্যের কোথাও.. এই তোফায়েল আহমেদের কথা খুঁজে পাবেন না। আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী নাম একবারও উচ্চারণ করে না। এমনকি যুদ্ধের যে সর্বাধিনায়ক এমএজি ওসমানি ছিলেন তার নাম একবারও উচ্চারণ করে না। এমনকি যুদ্ধকালীন সময়ে যে প্রবাসী সরকার যিনি নেতৃত্ব দিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ তার নাম একবারও উচ্চারণ করে না। এতো সংকীর্ণ এরা। কত ভয়ংকর যে, শুধুমাত্র ব্যক্তিগত স্বার্থে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য, নিজেকে মহিমান্বিত করবার জন্য, একজন মানুষকে মহিমান্বিত করবার জন্য, একটি পরিবারকে মহিমান্বিত করবার জন্য তারা শুধুমাত্র মিথ্যা ইতিহাস এদেশের মানুষকে চাপিয়ে দিতে চায়।

[৪] রোববার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বিএনপির স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন জাতীয় কমিটির উদ্যোগে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ দিবস উপলক্ষে এই আলোচনা সভা হয়। আলোচনা সভার ব্যানারে লেখা আছে ৭ মার্চ উপলক্ষে আলোচনা সভা।ব্যানারের একদিকে ওই সময়ে উতোলিত মানচিত্র সম্বলিত লাল-সবুজ জাতীয় এবং অন্যদিকে জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানে ছবি।

[৫] মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগের একমাত্র কাজ হচ্ছে সকলের যে অবদান আছে তা থেকে দূরে সরিয়ে নেয়া, ৭১ সাল থেকে একমাত্র শ্লোগান-‘এক নেতা এক দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’, ‘আমরা এক নেতা অদ্বিতীয়া, একজন ছাড়া কেউ থাকবে না’ উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এখনো তারা একই কাজ হয়েছে। এখন কিছুর দায়ভার পড়ে শেখ হাসিনার ওপরে।

[৬] আজকে অস্বীকার করার উপায় নেই সুপরিকল্পিতভাবে, সচেতনভাবে তারা স্বাধীনতার সাথে সবচেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। এই দেশের মানুষ যে আশা-আকাংখা, ৩০ লক্ষ মানুষের যে আত্মহুতি সবকিছুর সাথে বেঈমানী করে তারা গণতন্ত্রকে কেড়ে নিয়েছে। কোথায় আমাদের অধিকার আছে?

[৭] এদেশের মানুষ পাকিস্তানিদের যে বৈষ্যমমূলক চিন্তাভাবনা, তাদের যে পজিশন, বাংলাদেশের মানুষকে অভাবি করবার সম্পূর্ণভাবে যে উদ্যোগ তার বিরুদ্ধে এই দেশের মানুষ রুখে দাঁড়িয়েছিলো। সবই আমাদের ছাত্ররা করে গেছে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। এভাবে প্রতিটি মুহুর্তে প্রতিটি সময়ে এই দেশে ছাত্র-ছাত্রীরা, তরুনরা-যুবকরা তাদের দেশের স্বাধীনতাকে আনবার জন্যে, তাদের অধিকারকে রক্ষা করবার জন্যে একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা নির্মাণ করবার জন্যে তারা লড়াই করেছে, যুদ্ধ করেছে, বুকের তাজা রক্ত দিয়ে দিয়েছে।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত