শিরোনাম
◈ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী সমমর্যাদার উপদেষ্টা নিযুক্ত হলেন মিঠুন চক্রবর্তী ◈ এআই ও স্বয়ংক্রিয় বট ব্যবহার করে গান বানিয়ে ৮০ লাখ ডলারের স্ট্রিমিং জালিয়াতি! ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় ভারত: রণধীর জয়সওয়াল ◈ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ ১০ উড়োজাহাজ কিনতে এয়ারবাসের সঙ্গে বিমান বাংলাদেশের চুক্তি সই ◈ ফ্রান্সের শিক্ষার্থী বিক্ষোভে স্পষ্ট ঋণ ও বাজেট সংকট, যা ছড়িয়ে পড়তে পারে পুরো ইউরোপে ◈ ব্যাংকক সম্মেলনে বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি তুলে ধরবে সরকার ◈ চীন-ভারতের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেশি স্থিতিশীল, সামনে বড় সুযোগ ◈ শ্রমিকদের বিরোধিতার মধ্যেই ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ১৫ বছরের এনসিটি ইজারা দিচ্ছে বাংলাদেশ ◈ ইউরোপীয় পার্লামেন্টে নগ্ন সোনালি ট্রাম্পের ভাস্কর্য, নাম ‘অরেঞ্জ প্লেগ’

প্রকাশিত : ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৮:৫৮ সকাল
আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৮:৫৮ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বিদ্যুৎ প্রকল্পে পুলিশ পরিচয়ে সংঘবদ্ধ ডাকাতি, ২০ লাখ টাকার মালামাল লুট

মাজহারুল শিপলু: [২] টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানী অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) বিদ্যুৎ প্রকল্পের নিরাপত্তা প্রহরীর সাথে পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

[৩] বুুধবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পোষ্টকামুড়ী চরপাড়া এলাকায় নির্মানাধীন বিদ্যুৎ প্রকল্পে এই ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এতে প্রকল্পটির প্রায় ১৫-১৭ লাখ টাকার মালামাল ও নগদ ১ লাখ টাকার মতো ডাকাতি হয়েছে বলে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার দাবি।

[৪] প্রকল্পটির নিরাপত্তা কাজে নিয়োজিত ও প্রত্যক্ষদর্শী বাবুল হোসেন বলেন, বুধবার সন্ধ্যায় মির্জাপুর থানার পুলিশ পরিচয়ে একজন ব্যক্তি আমাদের সাইটে ঢুকে। এরপর তাকে নিয়ে আমি স্যারের রুমে গেলে দেখি আরো দুইজন লোক গেটে থাকা অন্য দুই নিরাপত্তা প্রহরীকে নিয়ে আসে। এক পর্যায়ে আমাদের পরেশ স্যারের ফোন আসলে ডাকাত দলের একজন রিভালবার বের করে আমাদের সবাইকে জিম্মি করে। স্যারকে লোহার পাইপ দিয়ে বেধম মারতে থাকে। প্রায় ৩০-৪০ মিনিটের মধ্যে ১০ থেকে ১৫ জন লোক সাইটে কর্মরত সবাইকে হাত মুখ বেঁধে প্রথমে একটি টিনের ঘরে ও পরে সাইটের অন্য একটি বিল্ডিং রুমে উল্টো করে শুইয়ে রাখে। আমাদের ফোন-ঘড়িসহ সঙ্গে থাকা সবকিছু নিয়ে নেয়। ডিউটি মোতাবেক সাইটে কর্মরত যারাই সাইটে ঢুকেছে একে একে সবাইকে হাত মুখ বেঁধে আটকে রেখেছে। কয়েকজনকে মারধরও করেছে। এরপর মধ্যরাতের দিকে সাইটে গাড়ি ঢুকিয়ে মালামাল লুট করেছে।

[৫] ডাকাতির ঘটনার পর পরিদর্শন করেছেন সহকারি পুলিশ সুপার (মির্জাপুর সার্কেল) দীপংকর ঘোষ।

[৬] সাইট সুপারভাইজার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ডাকাতির পর ছাড়া পেয়ে রুমে এসে দেখি ট্রাংকে থাকা ৯২ হাজার টাকা নাই। এছাড়া অন্য সবার যার কাছে যতো টাকা ছিল সবই নিয়ে গেছে।

[৭] সাইটটির ইঞ্জিনিয়ার সালমান হোসেন বলেন, ডাকাতরা আমাদের স্টোর রুমে থাকা গিয়ার কানেক্টর, জিবি ক্যাবল, ফিটিংস ও ওয়্যারিং ক্যাবল ইত্যাদি সরঞ্জাম নিয়ে গেছে। যেগুলোর ক্রয় মূল্য ১৫-১৭ লাখ টাকার উপরে হবে।

[৮] এ বিষয়ে মির্জাপুর থানা পরিদর্শক (তদন্ত) মো. গিয়াসউদ্দিন জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত চলছে। অভিযোগ পাওয়ার পর পরবর্তীতে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সম্পাদনা: হ্যাপি

  • সর্বশেষ