শিরোনাম
◈ অ্যাপস ভিত্তিক রাইড পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ গ্রাহকের তথ্য চুরির দাবি, মুক্তিপণ চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ডলার ◈ শক্তিশালী হচ্ছে এল নিনো, ডিসেম্বরে চূড়ায় উঠতে পারে; প্রভাব থাকতে পারে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ◈ ‘বাবা, তারা আমাকে আটকে রেখেছে উদ্ধার করো, না হলে ওরা মেরে ফেলবে’—শেষ ফোনের কয়েক ঘণ্টা পর স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার ◈ বিশ্বের সেরা দুই শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় বাকৃবির ১৬ গবেষক ◈ ১০ অক্টোবরের বিক্ষোভের আগে ভারতজুড়ে কর্মী-সমর্থকদের আটক করা হচ্ছে, ‘আরও মানুষ রাজপথে নামবে’: অভিজিৎ দীপকে ◈ বাংলাদেশে ফ্রি ট্রেড জোন ও রেলভিত্তিক আইসিডিতে ডিপি ওয়ার্ল্ডকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ◈ বাংলাদেশে স্টারলিংকের মোবাইল সেবা চালু নিয়ে উচ্ছ্বাস ইলন মাস্কের, ক্ষোভ ঝারলেন ভারতের ওপর ◈ রূপপুরের প্রথম ইউনিটে ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটির অনুমোদন, গ্রিডে বিদ্যুৎ আসতে আরও দুই ধাপ ◈ ফ্রান্সে উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি ভাষা ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনের আহ্বান বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ◈ জানুয়ারি থেকে ইউপি নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সোমবার

প্রকাশিত : ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১০:০৫ দুপুর
আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১০:০৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অনির্বাণ আরিফ : আল-জাজিরা হচ্ছে নিজেই একটি মাফিয়া, তারা আবার মাফিয়া ডকুমেন্টারি করে কীভাবে?

অনির্বাণ আরিফ : যেকোনো ধরনের অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা হতে হয় জনগণের অধিকারের পক্ষে, জনগণকে সচেতন করে তোলার জন্য। কিন্তু যদি এমন কোনো অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা হয় যেখানে রাজনৈতিক পক্ষপাত থাকে, রাজনৈতিক দর্শন থাকে, একটি পক্ষকে সত্য-মিথ্যা ট্যাগ দিয়ে ব্লেইম দেওয়ার উদ্দেশ্য থাকে তবে সেটা আর অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা থাকে না, সেটা হয়ে যায় ষড়যন্ত্রমূলক অপতৎপরতা। বাংলাদেশ নিয়ে আল-জাজিরা সেই ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক অপতৎপরতাই করছে।

আল- জাজিরাতে দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারকে ক্রিমিনাল বানানোর জন্য একটি প্রজেক্ট চালু রয়েছে যে প্রজেক্টের দেশীয় এজেন্ট ইউনূস-কামাল-শহিদুল আলম এবং কিছু চায়নিজ বাম গংরা আল-জাজিরার নিজস্ব এজেন্ট হিসেবে রয়েছে বার্গম্যান-তাসনিম খলিল গংরা। এবারের ডকুমেন্টারিটিতে এই দুই টাইপের গংদের যৌথ অপতৎপরতা দেখা গেলো। আমি কীভাবে এতো নিশ্চিত করে বলছি এটা অপতৎপরতা তাই তো?
প্রথমত শোনেন তারা যদি অনুসন্ধানী রিপোর্ট করার লক্ষ্য নিয়ে থাকতো তবে শিরোনামে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ‘প্রধানমন্ত্রীকে’ জড়াতো না।

দ্বিতীয়ত, তাদের লক্ষ্য ছিলো ‘শান্তিমিশন’ এ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করে মিশনে বাংলাদেশকে ব্যান করা। কিন্তু তাদের দুটি অপতৎপরতাই ফ্লপ খেলো। প্রথমটাতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই মাফিয়াদের কোনো যোগসাজশে পাওয়া যায়নি, এমনকি প্রধানমন্ত্রীর পরিবারেও কারও নাম নেই। দ্বিতীয়ত, সেনাবাহিনীর ব্যবহৃত সরঞ্জাম নিয়ে আল-জাজিরার ষড়যন্ত্রমূলক মেন্যু জাতিসংঘ খায়নি। সুতরাং দুটিই লস প্রজেক্ট হয়ে গেলো। বিএনপি- জামায়াত ২০০৯ সাল থেকেই আন্তর্জাতিক দুনিয়াতে আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্রিমিনাল বানাতে গিয়ে নিজেরা ক্রিমিনাল হলো। সবশেষে হলো বামাতিরা। এবার বাকি আছে হেফাতিরা।

কিন্তু তাদের প্রজেক্ট দাঁড় করানোই সম্ভব না। কারণ হেফাতিদের আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আগ থেকেই দৌড়ের উপ্রে রাখছে। হ্যাঁ, সেনাবাহিনী, সরকার, সরকারি দল, বিরোধী দল এবং রাষ্ট্রে মাফিয়া আছে তবে সেটি সৎ চিন্তা নিয়ে জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে আর সে কাজটি বিবিসির মতো চ্যানেল করলে বিষয়টি গ্রহণযোগ্যতা পাবে। আল-জাজিরা হচ্ছে নিজেই একটি মাফিয়া। তারা আবার মাফিয়া ডকুমেন্টারি করে কীভাবে? ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ