শিরোনাম
◈ একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপ থেকে ছিটকে পড়ল ১ লাখ ২৭ হাজার শিক্ষার্থী ◈ অটোরিকশার সঙ্গে সংঘর্ষের পর খাদে বাস, পটুয়াখালীতে প্রাণ গেল ৩ জনের ◈ শিগগিরই ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়ার কথা ভাবছে সরকার: অর্থমন্ত্রী ◈ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ফিরতে ইরানের ৩ শর্ত, মানলেই যুদ্ধ বন্ধ ◈ পরিবহন মালিক সমিতির জরুরি নির্দেশনা ◈ এবার কমলাপুর রেলস্টেশনে ককটেল বিস্ফোরণ ◈ অবশেষে আটক তুহিনের বাড়ি থেকে অপ্রতিমের আইফোন উদ্ধার: পুলিশ ◈ হিমবাহ ধস ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি, বাংলাদেশসহ ৮ দেশকে সতর্ক করলেন গবেষকরা ◈ তারেক রহমানকে চলতি বছরেই সফরে নিতে চায় ভারত! ◈ রাজধানীতে সন্ধ্যার পর ৩ বাসে আগুন, যাত্রাবাড়ীতে ককটেল বিস্ফোরণ

প্রকাশিত : ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১০:০৫ দুপুর
আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১০:০৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অনির্বাণ আরিফ : আল-জাজিরা হচ্ছে নিজেই একটি মাফিয়া, তারা আবার মাফিয়া ডকুমেন্টারি করে কীভাবে?

অনির্বাণ আরিফ : যেকোনো ধরনের অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা হতে হয় জনগণের অধিকারের পক্ষে, জনগণকে সচেতন করে তোলার জন্য। কিন্তু যদি এমন কোনো অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা হয় যেখানে রাজনৈতিক পক্ষপাত থাকে, রাজনৈতিক দর্শন থাকে, একটি পক্ষকে সত্য-মিথ্যা ট্যাগ দিয়ে ব্লেইম দেওয়ার উদ্দেশ্য থাকে তবে সেটা আর অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা থাকে না, সেটা হয়ে যায় ষড়যন্ত্রমূলক অপতৎপরতা। বাংলাদেশ নিয়ে আল-জাজিরা সেই ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক অপতৎপরতাই করছে।

আল- জাজিরাতে দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারকে ক্রিমিনাল বানানোর জন্য একটি প্রজেক্ট চালু রয়েছে যে প্রজেক্টের দেশীয় এজেন্ট ইউনূস-কামাল-শহিদুল আলম এবং কিছু চায়নিজ বাম গংরা আল-জাজিরার নিজস্ব এজেন্ট হিসেবে রয়েছে বার্গম্যান-তাসনিম খলিল গংরা। এবারের ডকুমেন্টারিটিতে এই দুই টাইপের গংদের যৌথ অপতৎপরতা দেখা গেলো। আমি কীভাবে এতো নিশ্চিত করে বলছি এটা অপতৎপরতা তাই তো?
প্রথমত শোনেন তারা যদি অনুসন্ধানী রিপোর্ট করার লক্ষ্য নিয়ে থাকতো তবে শিরোনামে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ‘প্রধানমন্ত্রীকে’ জড়াতো না।

দ্বিতীয়ত, তাদের লক্ষ্য ছিলো ‘শান্তিমিশন’ এ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করে মিশনে বাংলাদেশকে ব্যান করা। কিন্তু তাদের দুটি অপতৎপরতাই ফ্লপ খেলো। প্রথমটাতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই মাফিয়াদের কোনো যোগসাজশে পাওয়া যায়নি, এমনকি প্রধানমন্ত্রীর পরিবারেও কারও নাম নেই। দ্বিতীয়ত, সেনাবাহিনীর ব্যবহৃত সরঞ্জাম নিয়ে আল-জাজিরার ষড়যন্ত্রমূলক মেন্যু জাতিসংঘ খায়নি। সুতরাং দুটিই লস প্রজেক্ট হয়ে গেলো। বিএনপি- জামায়াত ২০০৯ সাল থেকেই আন্তর্জাতিক দুনিয়াতে আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্রিমিনাল বানাতে গিয়ে নিজেরা ক্রিমিনাল হলো। সবশেষে হলো বামাতিরা। এবার বাকি আছে হেফাতিরা।

কিন্তু তাদের প্রজেক্ট দাঁড় করানোই সম্ভব না। কারণ হেফাতিদের আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আগ থেকেই দৌড়ের উপ্রে রাখছে। হ্যাঁ, সেনাবাহিনী, সরকার, সরকারি দল, বিরোধী দল এবং রাষ্ট্রে মাফিয়া আছে তবে সেটি সৎ চিন্তা নিয়ে জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে আর সে কাজটি বিবিসির মতো চ্যানেল করলে বিষয়টি গ্রহণযোগ্যতা পাবে। আল-জাজিরা হচ্ছে নিজেই একটি মাফিয়া। তারা আবার মাফিয়া ডকুমেন্টারি করে কীভাবে? ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ