প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শওগাত আলী সাগর : বোঝা যাচ্ছে, আল-জাজিরার খবর মার্কিন সেনাবাহিনীকে তাদের অঙ্গীকার থেকে সরাতে পারেনি

শওগাত আলী সাগর : বাংলাদেশের সেনাবাহিনী প্রধানকে জড়িয়ে আল-জাজিরায় প্রতিবেদনটি এমন সময় প্রচারিত হয়েছে যখন সেনা প্রধান ওয়াশিংটনে। মার্কিন সেনাবাহিনী এবং প্রতিরক্ষা বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে তার বৈঠক নির্ধারিত রযেছে। অনেকের প্রত্যাশা ছিলো আল-জাজিরার প্রতিবেদনটির পর মার্কিন কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের সেনা প্রধানের সঙ্গে বৈঠকটি বাতিল করে দেবে।

এই ধরনের একটি গুঞ্জন ছড়ানোর চেষ্টাও ছিলো। তবে মার্কিন সেনাবাহিনীর মুখপাত্র লে, কর্ণেল মেরি রিকস জানিয়েছেন, নির্ধারিত সভা বাতিল করা হয়নি। বাংলাদেশের সেনাবাহিনী প্রধানের সফর এবং নির্ধারিত কর্মসূচি সম্পর্কে জানতে চেয়ে ইমেইল পাঠানোর এক ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যেই জবাব দেন  মার্কিন সেনা বাহিনীর  মুখপাত্র লে, কর্ণেল মেরি রিকস।

ফিরতি ইমেইলে তিনি জানান,  ‘The meetings have not been cancelled. As part of our ongoing defense and security cooperation, we host visitors from partner nation armies. The U.S. and Bangladesh Armies share a close partnership, characterized by regular combined training exercises, education and training exchanges, and support to U.N. Peace Keeping Operations. Both of our countries share a commitment to ensuring peace and stability in the region’.

বাংলাদেশ এবং আমেরিকান সেনাবাহিনীর মধ্যকার ঘণিষ্ঠ অংশীদারিত্বের কথা উল্লেখ করে মেরি রিকস বলেন, এই অঞ্চলে শান্তি এবং স্থিতিশীলতা রক্ষায় দুটি দেশই অঙ্গীকারাবদ্ধ। বোঝা যাচ্ছে, আল-জাজিরার খবর মার্কিন সেনাবাহিনীকে তাদের অঙ্গীকার থেকে সরাতে পারেনি।

[২] পুরো বিষয়টি একটি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে। সেটির শিরোনাম ‘প্রাইম মিনিস্টার্স মেন’ হলো কীভাবে? প্রাইম মিনিস্টারের সংশ্লিষ্টতা তো কোথাও দেখানো হয়নি। ফোকাসের বাইরে গিয়ে শিরোনামটাই কি তা হলে প্রতিবেদনের মূল লক্ষ্য? ২. ইয়েস, একটা দেশের সবকিছুই প্রাইম মিনিস্টারের, বাংলাদেশের প্রেক্ষিত বিবেচনায় নিলে বেগম খালেদা জিয়া বা তার দলও প্রাইম মিনিস্টারের। অল অব দেম আর প্রাইম মিনিস্টারস মেন। সংবাদ মাধ্যমে প্রচারিত কোনো গুরুতর অভিযোগের বয়ান দিতে গিয়ে প্রমাণহীনভাবে ‘প্রাইম মিনিস্টারস মেন’টার্মটা ব্যবহার করা মন্দ সাংবাদিকতাই কেবল নয় ইউটিউব সাংবাদিকতা।

৩. মিডিয়ায় কারো ছবি ব্যবহারের একটা নীতিমালা আছে। কেউ একজন বিমানে চড়ে বসলো, গাড়িতে কোথায় যাচ্ছে সেই ভিডিওচিত্র খবরে ব্যবহার করা যায় কি? যদি না লোকটি সেই সময়ে কোনো অপরাধ প্রবণতায় লিপ্ত থাকে। এই যে লোকটি  বিমানে  চড়ে বসলো, তার পর বিদেশে কোথায় যাচ্ছে তার গাড়ি দেখানো- এগুলো ছাড়াও এটি একটি চমৎকার রিপোর্ট হয়ে উঠতে পারতো। এখন বরং মিডিয়ার নৈতিকতা মানদণ্ডে এগুলোর ব্যবহার নিয়ে আলোচনার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

৪. যারা এটিকে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার বিশাল দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখতে চান- তাদের সঙ্গে আমি বাড়তি একটু যুক্ত করতে চাই। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য,পক্ষপাত কিভাবে একটি চমৎকার অনুসন্ধানকে কলুষিত করে ফেলে তারও উৎকৃষ্ট উদাহরণ এটি। পরিবেশন এবং উপস্থাপনায় নির্মোহ হতে না পারলে  সংবাদ এবং সাংবাদিকতা প্রোপাগান্ডায় পরিণত হয়।

৫.বাই দ্য ওয়ে, যারা বলছেন, নেটফ্লিক্সের বদলে ভুল করে আলজাজিরায় রিলিজ হয়েছে- তাদের সঙ্গেও আমি একমত নই। ফেসবুক থেকে

সর্বাধিক পঠিত