প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘আগে যে এফডিসিকে দেখেছি, সেটাই মাথায় থাকুক’

ইমরুল শাহেদ: প্রচণ্ড অভিমান নিয়েই এ কথা বলেছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন নায়িকা ববিতা। তিনি এফডিসির ভেতরের ভাঙচুর নিয়ে কথা বলছিলেন। এই প্রতিষ্ঠানটির তিন ও চার নাম্বার ফ্লোর ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। সেখানে নির্মিত হচ্ছে শপিং মল। তাতে দুটি ফ্লোর এবং সিনেপ্লেক্সও থাকবে। এ দুটি ফ্লোর ঘিরে পুরনো তারকাদের অনেক স্মৃতি জড়িত। ফ্লোর দুটি ভেঙ্গে ফেলার কিছুদিন আগেও ববিতা চার নাম্বার ফ্লোরে কাজ করে গেছেন। ববিতার ক্যারিয়ারও শুরু হয়েছে ঘুরেফিরে এসব ফ্লোরগুলো থেকেই।

তিনি বলেন, ‘এসব ভাঙচুরের মধ্যে আর যেতে চাই না।’ তাহলে ববিতা কি ক্যারিয়ার থেকে বিদায় নিচ্ছেন? সে রকম কিছু নয়। এ দুটি ফ্লোর ভাঙ্গা নিয়ে তার মধ্যে কাজ করছে প্রচণ্ড একটা আবেগ, ক্ষোভ এবং অভিমান। তিনি বলেছেন, ছবিতে কাজ করতে গেলে এফডিসিতেই করতে হবে এমন কোনো কথা নেই। তবে সেই রকম চ্যালেঞ্জিং চরিত্র পেলেই কাজ করব। কয়েকজন নির্মাতার সঙ্গে কথা হচ্ছে নতুন ছবি নিয়ে। তাদের কাছে ছবির পান্ডুলিপি চেয়েছি। গল্প এবং চরিত্র ভালো লাগলে অবশ্যই করব। তবে পরিস্থিতি বুঝে। করোনার মধ্যে আমি এমনিতেই ঘর থেকে বের হই না। যখন বুঝব কাজ করতে গেলে আমাকে সংক্রমিত হতে হবে না। তখন আমি কাজ করতে বের হব।’

ববিতার চলচ্চিত্র জীবন শুরু হয় বড়বোন সুচন্দার অনুপ্রেরণায়। বড়বোন সুচন্দা অভিনীত জহির রায়হানের সংসার চলচ্চিত্রে কিশোরী হিসেবে ববিতার আত্মপ্রকাশ ঘটে ১৯৬৮ সালে। এই চলচ্চিত্রে তিনি রাজ্জাক-সুচন্দার মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেন। চলচ্চিত্র জগতে তার প্রাথমিক নাম ছিলো ‘সুবর্ণা’। তিনি কলম নামের একটি টেলিভিশন নাটকে অভিনয় করেছিলেন সে সময়। জহির রায়হানের জ্বলতে সুরুজ কি নিচে চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে গিয়েই তার নাম “ববিতা” হয়ে যায়। ১৯৬৯ সালে শেষ পর্যন্ত চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন প্রথম নায়িকা চরিত্রে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত