শিরোনাম
◈ দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় বিএনপি: নতুন সরকারের অগ্রাধিকার হতে পারে যেসব বিষয় ◈ ফাঁসির দণ্ডাদেশ থেকে খালাস পেয়ে সংসদের পথে বাবর, পিন্টু ও আজহারুল ইসলাম ◈ ‌‌টি-‌টো‌য়ে‌ন্টি বিশ্বকা‌পে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হওয়া নিয়ে শঙ্কা! ◈ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জিতে যাওয়ায় যেসব পরিবর্তন আসতে পারে ◈ কতটা ক্ষমতাধর একজন এমপি, তিনি কী কী কাজ করেন? ◈ অনেকেই ধারণা করছেন নির্বাচন শেষ হলে আমি যুক্তরাজ্যে ফিরে যাব: তাসনিম জারা ◈ অর্থনীতি সচল করাই আগামী সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ: ফখরুল ইসলাম ◈ গণতান্ত্রিক অধিকারের জন্য বিএনপি সব সময় লড়াই করেছে তারই বহিঃপ্রকাশ এই বিজয়: মির্জা ফখরুল ◈ মন্ত্রিসভা নিয়ে যা বললেন সালাহউদ্দিন ◈ ভোটে জিতেই আওয়ামী লীগের অফিস খুলে দিলেন বিএনপি নেতা (ভিডিও)

প্রকাশিত : ১৩ জানুয়ারী, ২০২১, ০১:২৪ রাত
আপডেট : ১৩ জানুয়ারী, ২০২১, ০১:২৪ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘দারোয়ান দেখেন রক্তাক্ত আনুশকাকে সোফায় শুইয়ে রাখা হয়েছে’

ডেস্ক রিপোর্ট: মাস্টারমাইন্ড স্কুলের ‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থী আনুশকা নূর আমিনকে ধর্ষণ ও খুনের দায়ে অভিযুক্ত ইফতেখার ফারদিন দিহানের বাসার দারোয়ান দুলালকে আদালতে নিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) তাকে আদালতে নেয়া হয়।

কলাবাগান থানার পরিদর্শক (অপারেশন) ঠাকুর দাস আজ গণমাধ্যমে বলেন বলেন, সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি রেকর্ড করার জন্য দুলালকে আদালতে নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, দুলাল এই মামলার আসামি নন। তাকে গতকাল সোমবার পুলিশ হেফাজতে নিয়ে প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তিনি যতটুকু জানেন, আমরা ততটুকু জানার চেষ্টা করেছি। সকালে তাকে আদালতে নেয়া হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে লিখিত জবানবন্দি দেয়ার পর তাকে ছেড়ে দেয়া হবে।

মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা দুলালের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমকে বলেন, দুলাল আমাদের বলেন, দিহান ওই ছাত্রীকে বাসায় নিয়ে গেলে দারোয়ান তাকে কিছু বলেননি। এর এক ঘণ্টা পর দিহান ইন্টারকমে তাকে ফোন কেরে উপরে উঠতে বলেন। উপরে গিয়ে দারোয়ান দেখেন, মেয়েটিকে সোফায় শুইয়ে রাখা হয়েছে। ওই সময় সোফায় রক্ত লেগে ছিল। পরে হাসপাতালে নেয়ার জন্য তাদের গাড়িতে তুলে দেন দুলাল। এরপর প্রায় এক ঘণ্টা পর তিনি বাসা থেকে পালিয়ে যান।

এদিকে মামলার এজাহারেও এখন পর্যন্ত মামলার তদন্তে এ ঘটনায় শুধুমাত্র দিহান জড়িত থাকার বিষয়টি উল্লেখ থাকলেও আনুশকার বাবা দাবি করছেন ঘটনা একা ঘটায়নি দিহান। আনুশকাকে যেভাবে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে এতে আরও কেউ জড়িত রয়েছে বলেও অভিযোগ তার।

উল্লেখ্য, গেল ৭ জানুয়ারি দুপুরে ধানমন্ডিতে আনোয়ার খান মর্ডান হাসপাতাল থেকে ওই শিক্ষার্থীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ঢামেক) মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়। ময়নাতদন্ত শেষে চিকিৎসকরা জানান, ধর্ষণ ও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মেয়েটি মারা যায়। পরে নিহত ওই শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে কলাবাগান থানায় মামলা করেন। ঘটনার পর পরই গ্রেপ্তার করা হয় দিহানকে। তিনি আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। সূত্র: আরটিভি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়