প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] চুক্তি অনুযায়ী সময়মতো টিকা পাবে বাংলাদেশ: বেক্সিমকো

মহসীন কবির, জেরিন: [২] বাংলাদেশ চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই করোনার টিকা পাবে বলে জানিয়েছে, সেরামের বাংলাদেশি অংশীদার বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস। সূত্র: ইনডিপেনডেন্ট টিভি

[৩] সোমবার প্রতিষ্ঠানটির চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) রাব্বুর রেজা জানান, বেক্সিমকো ও সেরাম ইনস্টিটিউটের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি হয়েছে। সেই চুক্তিতে উল্লেখ রয়েছে, স্থানীয় অনুমোদনের পর (বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদন) সেরাম ইনস্টিটিউট এক মাসের মধ্যেই প্রথম ধাপের টিকা সরবরাহ করবে।

[৪] তিনি বলেন, আমাদের সঙ্গে তাদের (সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইনডিয়া) নিয়মিত যোগাযোগ আছে। আজো বিষয়টি নিয়ে কথা হয়েছে। তারা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। আমরা নিশ্চিত, আমাদের সঙ্গে যেভাবে চুক্তি হয়েছে সে অনুযায়ী, সে সময়েই আমরা ভারত থেকে টিকা পাবো।

[৫] এসময় রাব্বুর রেজা আরো বলেন, আমরা ছয় মাসে তিন কোটি ডোজের চুক্তি করেছি। সেরাম ইতিমধ্যেই পাঁচ কোটি ডোজ বানিয়ে ফেলেছে। তাদের চাহিদার তুলনায় আমাদের চাহিদা সামান্য। সে ক্ষেত্রে টিকা প্রাপ্তিতে কোনো অসুবিধা হবে না।

[৬] যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ওষুধ কোম্পানি অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি করোনার টিকা ভারতে উৎপাদন করছে সেরাম ইনস্টিটিউট। অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার এই টিকা সেরাম তৈরি করবে ‘কোভিশিল্ড’ নামে। ওই টিকা কেনার জন্য সরকার গত ১৩ ডিসেম্বর সেরাম ইনস্টিটিউট ও বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের সঙ্গে চুক্তি করে। ওই চুক্তি অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে শুরু করে পরবর্তী ছয় মাসে ৫০ লাখ করে মোট তিন কোটি টিকা পাওয়ার কথা বাংলাদেশের।

[৭] ভারতের ড্রাগস কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়া (ডিসিজিআই) গতকাল রোববার সেরাম ইনস্টিটিউটের কোভিশিল্ড এবং ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিনের জরুরি ব্যবহারের অনুমোদনের দেয়। তবে গতকাল ও আজ রয়টার্স, এপিসহ বিভিন্ন বার্তা সংস্থা ও একাধিক ভারতীয় গণমাধ্যমে সেরামের প্রধান নির্বাহী আদর পুনাওয়ালার সাক্ষাৎকার প্রকাশের পর বাংলাদেশের দ্রুত টিকা পাওয়া নিয়ে সংশয় সৃষ্টি হয়।

[৮] ভারতে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনাভাইরাসের টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সেরাম ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, তাদের টিকা রপ্তানির ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। সেরাম ইনস্টিটিটের জনসংযোগ কর্মকর্তা মায়াঙ্ক সেন দিল্লিতে সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে জানান, টিকা রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞার যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তা পুরোপুরি সঠিক নয়। কারণ তাদের টিকা রপ্তানির ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই।

[৯] সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, নিষেধাজ্ঞার খবর আসার পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া তারা কথা বলেছেন ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের এদেশীয় এজেন্ট বেক্সিমকোর কর্মকর্তাদের সঙ্গে। তাদের সঙ্গে কথার পরিপ্রেক্ষিতে এবং টিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক চুক্তি থাকার কারণে কোনো সমস্যা হবে না।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত