শিরোনাম
◈ হুথিদের হামলা বন্ধে ১০০ কোটি ডলারের প্রস্তাব সৌদি আরবের, ইরানের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ ◈ বাংলাদেশে ১ লাখ কোটি ইয়েন বিনিয়োগ করবে জাপান, ৫ বছরে ২ লাখ কর্মসংস্থানের লক্ষ্য ◈ চীনকে মোকাবিলায় মেগা বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা ভারতের, যে কারণে প্রতিবাদ করছে অরুণাচলের তরুণ প্রজন্ম ◈ সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচন: বিএনপির প্রার্থী এলিজা জামানের মনোনয়নপত্র বৈধ, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে ◈ নতুন বেতনকাঠামো: ১ নভেম্বর বকেয়াসহ বেতন পাবেন যারা, বঞ্চিত হবেন অনেকেই ◈ ইশরাকের আলোচিত মাদকবিরোধী অভিযানের পর গেন্ডারিয়ার ঘুন্টিঘরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ◈ মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধা, আইজিপির বক্তব্য ও অস্বাস্থ্যকর খাবার নিয়ে যা বললেন তথ্য উপদেষ্টা (ভিডিও) ◈ পুতিনের প্রাসাদ ঘিরে নতুন ১৫টি আকাশ প্রতিরক্ষা টাওয়ার, নিরাপত্তায় ৫০ স্থাপনা ◈ ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎ বিদ্যুৎ বিপর্যয়, কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা ◈ ফসফরিক অ্যাসিড সংকটে ৪ মাস ধরে বন্ধ ডিএপি সার কারখানা, মাসে লোকসান ১৫ কোটি টাকা

প্রকাশিত : ৩১ ডিসেম্বর, ২০২০, ১০:১৫ দুপুর
আপডেট : ৩১ ডিসেম্বর, ২০২০, ১০:১৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মাসুদা ভাট্টি : মানুষ জনমে বছর শেষ মানে আরেক বছরের অনিশ্চয়তায় প্রবেশ, সেখানে কী আছে কে জানে?

মাসুদা ভাট্টি : বছর শেষ নিয়ে কোনোকালেই উত্তেজিত হতে পারিনি, সময় চলে যাওয়ার চেয়ে ক্ষতি আর কী হতে পারে? শিশুকাল থেকে বারবার এই ক্ষতির কথা শুনতে শুনতে বছরশেষে সবাই যখন পার্টির জন্য তৈরি হতো তখন আমার মনে হতো, আহারে কতো বড় ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে তা হয়তো বুঝতেই পারিনি সেভাবে! বিশ্বিবদ্যালয়ে বহুভাষী আর বহু সংস্কৃতির ছাত্রছাত্রীদের এই নতুন বছর উদযাপনের তোড়জোড়ে নিজেরে আমার একটু ‘খ্যাত’ই মনে হতো। লন্ডনের রাস্তায় থার্টিফার্স্ট উদযাপন এক দারুণ ব্যাপার, যারাই করেছেন তারাই নিজেদের স্মৃতিভারে সেটা জমিয়ে রেখেছেন, আড্ডায় সেটা টুক করে তুলে ধরে থাকেন প্রায়ই তারা। অথচ আমি যে ক’বার গেছি সে কবারই আমার বছর শুরুটা হয়েছে হয় ঠান্ডা শর্দি দিয়ে নয় ভাঙা বোতলের কাঁচে পা রক্তাক্ত করে! তবু মানুষের আনন্দ দেখে আমি উদ্বেলিত হই, বছরকার গ্লানি মানুষ ভুলে যেতে চায় শেষ দিনের উদযাপনে নতুনকে আবাহনে।

এবারও এই ঘোর অণুজীব-আক্রমণকালেও মানুষের নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর তোড়জোড় দেখে মনে হয়, জীবনতো আসলে এমনই, কোথাও বা কোনোকিছুই তাকে থামাতে পারবে না কোনোদিন। মৃত্যুর মতন অমোঘ নিয়তিও জীবনকে দমাতে পারে না, তো করোনাতো কোন্ ছার! আর মাত্র একদিন, পাঁচ বছরের শিশুও বলে, মামণি আমরা বছরের শেষ দিনে কিছুই করবো না, ঠিক আছে? অত ছোট বাচ্চাকেতো আর বলা যায় না, তাই এখানেই বলি, কী করি আমরা? কিছুই কি করি? করে কী হয়? কী করে কী হয়? উফ আবার বছরশেষের মনখারাপ করা দর্শন হচ্ছে! মানুষ জনমে বছর শেষ মানে আরেক বছরের অনিশ্চয়তায় প্রবেশ, সেখানে কী আছে কে জানে? এ যেন সেই সুখ যার কেউ দ্যাখা পায়নি... আমি যে সেই দিকে তাকিয়ে যাই দূরে হারিয়ে!

  • সর্বশেষ