শিরোনাম
◈ মি‌ডিয়ার বিরু‌দ্ধে এমন সিদ্ধান্ত কে‌নো? বিসিবির কোন নিরাপত্তা ব্যাহত হয়েছে, জানতে চান সাংবাদিকেরা  ◈ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নির্বাচনের ৩ দিন আগে শুল্ক চুক্তি করবে অন্তর্বর্তী সরকার ◈ রাজশাহীতে মাদকাসক্ত ছেলের হাতে মায়ের নৃশংস হত্যাকাণ্ড ◈ কুখ্যাত এপস্টেইন নথিতে বাংলাদেশের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ◈ নির্বাচনের আগে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা কেন শঙ্কিত? ◈ জানুয়ারিতে রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড, এলো ৩.১৭ বিলিয়ন ডলার ◈ কুৎসা রটিয়ে, বিভ্রান্তি ছড়িয়ে এবং ধাপ্পা দিয়ে জনগণের ভোট নেওয়া যায় না : মির্জা আব্বাস  ◈ প্রতারক চক্রের ফোনকলে সাড়া না দিতে নির্বাচন কমিশনের আহ্বান ◈ কিশোরগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে দালালচক্রের বিরুদ্ধে র‍্যাবের অভিযান, ২০ জনের কারাদণ্ড ◈ নোয়াখালীতে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর

প্রকাশিত : ৩১ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৯:৫৬ সকাল
আপডেট : ৩১ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৯:৫৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাজেকুজ্জামান রতন: সুপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা না থাকলে বিপরীত কিছু দেখা যেতে পারে

রাজেকুজ্জামান রতন: সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন আরও বলেন, যেকোনো সেতু মানেই মানুষের উন্নয়নের সংযোগ ঘটানো। মানুষের সুযোগ-সুবিধার সংযোগ বৃদ্ধি করা। অর্থাৎ সেতু তৈরির সাথে সাথে মানুষের সামগ্রিকভাবে অর্র্থনীতির উন্নতি হয়। জনগণের পরিবহনের মাধ্যমে সংযোগ তৈরি হবে। শিল্পকারখানার মাধ্যমে জগণের মধ্য সংযোগ তৈরি হবে। কৃষিখাতে সংযোগ তৈরি হবে। কৃষি পণ্য উৎপাদন এবং কৃষি পণ্য খালাসে সংযোগ তৈরি করবে। আমাদের দেশের অর্থনীতি সম্ভাবনায়। পদ্ধাসেতু আমাদের অর্জন সেটাতে কোনো সন্দেহ নেই। সেতুর র্নিমাণে ইকিবাচক ও নেতিবাচক দিক থাকতে পারে। এমনকি আমাদের প্রকল্পগুলোতেও বিভিন্ন ধরনের অসংগতি দেখা যায়। পদ্ধাসেতুর ইতিবাচক দিক আমাদের অর্থনীতির উন্নয়ন সম্ভাবনা রয়েছে অনেক।

[১] তবে জনগণের প্রশ্ন হচ্ছে সেতুর টোল আদায় কেমন হবে, সেটা জনগণের সহায়ক হবে কিনা সেটা দেখার বিষয়। [২] পদ্ধাসেতু নির্মাণে যে পরিমাণ অর্থব্যয় হয়েছে সেটা স্বচ্ছতার সাথে হয়েছে কিনা সেটাও দেখার বিষয়। [৩] সেতু রক্ষণাবেক্ষণ কেমন হবে সেটার পরিকল্পনা কেমন হবে সেটা উপযুক্ত কিনা সেটা দেখার বিষয়। কেননা আমরা দেখেছি যমুনা সেতুর রক্ষণাবেক্ষণ ঠিক মতো করা হয়নি। নদীর শাসন পক্রিয়া সঠিকভাবে না হওয়ার কারণে সিরাজগঞ্জ নদী ভাঙ্গনের মুখে পড়েছে বার বার। পদ্ধাসেতুতে যেন নদীর শাসন প্রক্রিয়া যথার্থ হয় সেটা নিশ্চিত রাখা জরুরি। অন্যথায় পদ্ধাসেতুর সার্বিক সফলতা থেকে জনগণ বঞ্চিত হবে, ভাঙানের মুখে পড়তে হবে।

নদীর দুইপাড় সংযোগ হলো ঠিক, একই সাথে দেখতে হবে ধনী এবং গরিরের মাঝে যেন বৈষম্য সৃষ্টি নাহয়। তা না হলে সেতুর বড় অবকাঠামো দৃশ্যমান হবে ঠিকই, আমাদের দৃষ্টি আর্কষণ হবে সেই আকর্ষণের কারণে যেন শ্রমজীবী মানুষ দৃষ্টির আড়ালে না পড়ে। পদ্ধাসেতু হয়ে যাবে মানেই দক্ষিণাঞ্চলে অর্থনীতির বন্যা বয়ে যাবে না, ওখানের উন্নতি করতে হলে শিল্পকারখানা গড়ে তোলার জন্য পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত গ্যাস সংযোগের সুযোগ থাকতে হবে, সেক্ষেত্রে সরকারের বা রাষ্ট্রয় পলিসি দ্বারাই তা র্নিধারিত হবে। দেখার বিষয় সরকারে পলিসি কেমন হবে। সেটা কী ঢাকার মতো একক শহর কেন্দ্রিক শহর হবে, না দ্বিকেন্দ্রীক শহর হবে। সেটা যদি নাহয় সেতুর সুযোগ সুবিধার ফলে মানুষ আরও ঢাকামুখি হবে। তাহলে ঢাকায় আরও মানুষের চাপ সৃষ্টি হবে।

পরিচিতি : কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, বাসদ।

সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে লেখাটি লিখেছেন মাসুদ হাসান

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়