শিরোনাম
◈ আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ◈ বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা পুনঃতদন্ত করতে নতুন করে কমিশন গঠন করবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সরকার ৪ ধরনের শিক্ষার্থীকে ভাতা দেবে: কারা পাবেন, কীভাবে আবেদন করবেন? ◈ সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে প্রবেশের নির্দেশ, বিনা অনুমতিতে বাইরে নয়: আইন মন্ত্রণালয় ◈ ১২ মার্চ সকাল ১১ টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ◈ বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫ পাচ্ছেন যাঁরা ◈ ঢাকা দক্ষিণ থেকে সিটি নির্বাচন করব : ইশরাক হোসেন ◈ সংস্কার, বাণিজ্য ও অভিবাসন: ইইউর সঙ্গে নতুন সম্পর্কের সুযোগ বাংলাদেশের ◈ বাংলাদেশ তার সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবে, অন্য দেশের হস্তক্ষেপ চাই না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পুলিশের কাজে কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ২৩ ডিসেম্বর, ২০২০, ১০:৪৩ দুপুর
আপডেট : ২৩ ডিসেম্বর, ২০২০, ১০:৪৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পাকিস্তানে ২০,০০০ বর্গ ফুট জুড়ে তৈরি হচ্ছে কৃষ্ণ মন্দির

ডেস্ক রিপোর্ট : ধর্ম বিশ্বাসে আঘাত করার ঘটনা প্রায়শই ঘটে থাকে পাকিস্তানে। আর এবার সেই পাকিস্তানেই হিন্দু মন্দির তৈরির অনুমোদন দেওয়া হল।

চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলির রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই ইসলামাবাদে হিন্দু মন্দির নির্মাণের অনুমতি দিল পাকিস্তান সরকার। মাস ছয়েক আগে কট্টরপন্থীদের রক্তচক্ষুতে শ্রীকৃষ্ণের একটি মন্দিরের নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

সোমবার পাকিস্তানের রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। শুধু ওই মন্দিরই নয়, ওই মন্দিরটিকে কেন্দ্র করে থাকা শ্মশানের চারপাশে প্রাচীর নির্মাণের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। ওই প্রাচীরের উচ্চতা হতে হবে ৭ ফুট।

গত জুলাই মাসে ইসলামাবাদের কিছু কট্টরপন্থী আলেম মন্দির নির্মাণ বন্ধ করার জন্য রীতিমত হুমকি দিয়ছিল ইমরান খান সরকারকে। সেইসময় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষও আইনি জটিলতার দোহাই দিয়ে মন্দির ও শ্মশানের জন্য নির্ধারিত জমির চারদিকে প্রাচীর তৈরির কাজ বন্ধ করে দিয়েছিল।

পাকিস্তানের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী পীর নূরুল হক কাদরী এই বিষয়ে পরামর্শের জন্য পাকিস্তানের কাউন্সিল অব ইসলামিক ইডিওলজি বা সিআইআই-এর কাছে বিষয়টি পাঠিয়েছিলেন। এই কাউন্সিলই সরকারকে বিভিন্ন ধর্মীয় বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে থাকে।

গত অক্টোবরে, সিআইআই জানিয়েছিল ইসলামাবাদ বা পাকিস্তানের কোনও জায়গায় মন্দির নির্মাণে কোনও সাংবিধানিক বা শরিয়তের বিধিনিষেধ নেই। পরিষদের ১৪ জন সদস্যই এই বিষয়ে একমত হয়েছিলেন। তাঁরা আরও জানিয়েছিলেন, দেশের অন্যান্য ধর্মীয় গোষ্ঠীর মতোই হিন্দুদেরও তাদের বিশ্বাস অনুসারে শেষকৃত্যের জন্য একটি বিশেষ স্থান পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে। এই মন্দির ও শ্মশান নির্মাণের জন্য ইমরান সরকার-কে ১০০ কোটি টাকার তহবিল দেওয়ার বিষয়েও অনুমোদন দিয়েছে সিআইআই। পরিকল্পনা অনুসারে, ২০,০০০ বর্গফুট জমির উপর তৈরি হবে কৃষ্ণ মন্দিরটি।

সূত্র- কলকাতা২৪

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়