শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-ইউনান বাণিজ্য সম্প্রসারণে নতুন সম্ভাবনা, বাড়ছে বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক সংযোগ ◈ স্থানীয় নির্বাচন: ৪ হাজার ৫৮০ ইউপির ভোট সামনে রেখে ১৩২ কোটি টাকার কেনাকাটা ◈ রিজার্ভ ৩৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল, বাড়ছে রেমিট্যান্সও ◈ স্কুল-কলেজের ছুটির তালিকায় পরিবর্তন, একাদশের ক্লাসও একদিন পিছিয়েছে ◈ খুনিরা হত্যার পরদিন অপ্রতিমের মায়ের সঙ্গে যে ‘নাটক’ করে ◈ ঝাড়ফুঁকের কথা বলে শিশুকে বলাৎকার, সাবেক জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার ◈ আশুলিয়ায় সিলিন্ডারবাহী কাভার্ড ভ্যানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত বেড়ে ৮ ◈ কমলাপুর রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনের বগিতে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৬ ইউনিট ◈ জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে ২০ টাকা বাড়ল, ডিজেল ১৩৫ ও পেট্রোল ১৬০ টাকা লিটার ◈ ন্যাম ভবনে দ্বিতীয় স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, এমপি গাজী নজরুল ও প্রথম স্ত্রী পুলিশ হেফাজতে

প্রকাশিত : ২৩ ডিসেম্বর, ২০২০, ১০:৪৩ দুপুর
আপডেট : ২৩ ডিসেম্বর, ২০২০, ১০:৪৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পাকিস্তানে ২০,০০০ বর্গ ফুট জুড়ে তৈরি হচ্ছে কৃষ্ণ মন্দির

ডেস্ক রিপোর্ট : ধর্ম বিশ্বাসে আঘাত করার ঘটনা প্রায়শই ঘটে থাকে পাকিস্তানে। আর এবার সেই পাকিস্তানেই হিন্দু মন্দির তৈরির অনুমোদন দেওয়া হল।

চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলির রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই ইসলামাবাদে হিন্দু মন্দির নির্মাণের অনুমতি দিল পাকিস্তান সরকার। মাস ছয়েক আগে কট্টরপন্থীদের রক্তচক্ষুতে শ্রীকৃষ্ণের একটি মন্দিরের নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

সোমবার পাকিস্তানের রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। শুধু ওই মন্দিরই নয়, ওই মন্দিরটিকে কেন্দ্র করে থাকা শ্মশানের চারপাশে প্রাচীর নির্মাণের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। ওই প্রাচীরের উচ্চতা হতে হবে ৭ ফুট।

গত জুলাই মাসে ইসলামাবাদের কিছু কট্টরপন্থী আলেম মন্দির নির্মাণ বন্ধ করার জন্য রীতিমত হুমকি দিয়ছিল ইমরান খান সরকারকে। সেইসময় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষও আইনি জটিলতার দোহাই দিয়ে মন্দির ও শ্মশানের জন্য নির্ধারিত জমির চারদিকে প্রাচীর তৈরির কাজ বন্ধ করে দিয়েছিল।

পাকিস্তানের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী পীর নূরুল হক কাদরী এই বিষয়ে পরামর্শের জন্য পাকিস্তানের কাউন্সিল অব ইসলামিক ইডিওলজি বা সিআইআই-এর কাছে বিষয়টি পাঠিয়েছিলেন। এই কাউন্সিলই সরকারকে বিভিন্ন ধর্মীয় বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে থাকে।

গত অক্টোবরে, সিআইআই জানিয়েছিল ইসলামাবাদ বা পাকিস্তানের কোনও জায়গায় মন্দির নির্মাণে কোনও সাংবিধানিক বা শরিয়তের বিধিনিষেধ নেই। পরিষদের ১৪ জন সদস্যই এই বিষয়ে একমত হয়েছিলেন। তাঁরা আরও জানিয়েছিলেন, দেশের অন্যান্য ধর্মীয় গোষ্ঠীর মতোই হিন্দুদেরও তাদের বিশ্বাস অনুসারে শেষকৃত্যের জন্য একটি বিশেষ স্থান পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে। এই মন্দির ও শ্মশান নির্মাণের জন্য ইমরান সরকার-কে ১০০ কোটি টাকার তহবিল দেওয়ার বিষয়েও অনুমোদন দিয়েছে সিআইআই। পরিকল্পনা অনুসারে, ২০,০০০ বর্গফুট জমির উপর তৈরি হবে কৃষ্ণ মন্দিরটি।

সূত্র- কলকাতা২৪

  • সর্বশেষ